খুঁজুন
                               
, ,
           

সমালোচনার পরও চতুর্থ মেয়াদে লড়তে অনড় ইনফান্তিনো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
সমালোচনার পরও চতুর্থ মেয়াদে লড়তে অনড় ইনফান্তিনো

সমালোচনা, পদত্যাগের দাবি এবং সম্ভাব্য আইনি জটিলতার মধ্যেও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৭ সালের নির্বাচনে আবারও সভাপতি পদে লড়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।

আলজাজিরার প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, আগামী বছরের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি ইনফান্তিনো। ফিফার এক মুখপাত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, গত এপ্রিলেই তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং সেই সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।

পোল্যান্ডে চলমান অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি ইনফান্তিনো। তবে এর কয়েক ঘণ্টা পরই ফিফার পক্ষ থেকে তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করা হয়।

চতুর্থ মেয়াদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অবশ্য ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে সমালোচনা বাড়ছে। ফিফার বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন সভাপতি সর্বোচ্চ তিন মেয়াদ বা ১২ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারেন। কিন্তু ইনফান্তিনো দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে সেপ ব্লাটারের পদত্যাগের পর তিনি যে অসমাপ্ত মেয়াদ পূরণ করেছিলেন, সেটি তার নিজস্ব মেয়াদের অংশ হিসেবে গণনা করা উচিত নয়। এই আইনি ব্যাখ্যার ভিত্তিতেই চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খোলা রেখেছেন তিনি।

তার এই অবস্থানের বিরোধিতা করেছেন সমালোচক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অনেকে। ইনফান্তিনোকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ফিফার গভর্ন্যান্স, অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স কমিটির কাছেও দাবি উঠেছে।

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব ও ফিফার আয় বাড়ানোর বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন ইনফান্তিনো। বিশেষ করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রকাশ্য ঘনিষ্ঠতা এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ট্রাম্পের হাতে ফিফা পিস প্রাইজ তুলে দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এর পাশাপাশি ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্ব নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’-এর কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে নথিপত্র চেয়ে আবেদন করেছে। ভবিষ্যতে ইনফান্তিনো ও ফিফার অন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুইজারল্যান্ডে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলেও উয়েফার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফিফা অবশ্য উয়েফার এই পদক্ষেপকে ‘অযৌক্তিক তথ্য খোঁজার চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছে। সংস্থাটির দাবি, সুইজারল্যান্ড বা অন্য কোথাও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি মামলা হয়নি।

ফিফা সভাপতির পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ১৮ মার্চ মরক্কোর রাবাতে। প্রার্থীদের আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে নিজেদের প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচনে ফিফার ২১১ সদস্য দেশের ভোট থাকবে এবং বিজয়ী হতে প্রয়োজন হবে অন্তত ১০৬ ভোট।

সব বিতর্ক ও চাপের মধ্যেও ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদের লড়াইয়ে নামার সিদ্ধান্ত তাই আগামী মাসগুলোতে ফিফার অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে থাকছে।

সুত্রঃ আল জাজিরা

কালের আলো/এসএ

একটি গানও শত কোটি টাকার পণ্য হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
একটি গানও শত কোটি টাকার পণ্য হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের সৃজনশীল অর্থনীতির আকার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দুই থেকে তিন শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। এ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো গেলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হবে, বাড়বে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও।

বিশেষ করে নারী ও তরুণদের জন্য সৃজনশীল অর্থনীতিতে কাজের বড় সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কর্মসংস্থান ব্যাংকের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অর্থায়ন তহবিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের কোনো কোনো দেশের অর্থনীতিতে সৃজনশীল খাতের অবদান ১০ শতাংশ পর্যন্ত। বাংলাদেশ এখনই ১০ শতাংশে যেতে না পারলেও দুই থেকে তিন শতাংশে নিতে পারলে বিপুলসংখ্যক মানুষকে এ খাতের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ এখানে বেশি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা গান, খাবার, সংস্কৃতি, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও নানা ধরনের সৃজনশীল কাজকে পণ্যে রূপ দিয়ে বৈশ্বিক বাজারে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে এসব সৃজনশীলতার অনেকটাই বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানো যায়নি। এখন প্রয়োজন সঠিক অর্থায়ন, দক্ষতা, ডিজাইন, ব্র্যান্ডিং ও বিপণন সহায়তা।
‘একটি গানও শত কোটি টাকার পণ্য হতে পারে’
সৃজনশীলতার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটা ছোটখাটো গান যখন হিট হয়, একজন সাধারণ মানুষের একটা গান যখন হিট হয়ে যায়, এটা কি শত শত কোটি টাকার প্রোডাক্ট হয়ে গেল না? আমাদের মধ্যে সেটা আছে, সৃজনশীলতা আমাদের দেশের মধ্যে আছে।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতেও বিপুল সৃজনশীলতা রয়েছে। এ খাতের কর্মীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করা গেলে অর্থনীতিতে এর বড় প্রভাব পড়বে।

থাইল্যান্ডের ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির উদাহরণ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশটির গ্রামীণ মানুষ বাড়িতে বসে পণ্য তৈরি করলেও সরকারের সহায়তায় সেগুলো বিশ্ববাজারের উপযোগী হয়ে উঠেছে। কাঁচামাল, দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজাইন, প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের পাশাপাশি বাজারজাতকরণে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশেও এমন একটি সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, গ্রামের তৈরি পণ্য সংগ্রহ করে প্যাকেটজাত করার পর সরাসরি বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলে সেগুলো সহজেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো যাবে।

সংস্কৃতি ও বিনোদনেও অর্থনীতির সম্ভাবনা
সংগীত, সংস্কৃতি, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও ওটিটি খাতের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সৃজনশীল পণ্যের কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। বিশ্বের মানুষ এখন বিভিন্ন দেশের গান, সংস্কৃতি ও বিনোদন উপভোগ করছে। বাংলাদেশের শিল্পী ও সৃজনশীল মানুষদেরও এই বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা তো একটা জিডিপি, এটা অর্থনীতি। এটা কোনো চ্যারিটি না। চ্যারিটির মাধ্যমে কারও জীবনের উন্নয়ন হয় না। এটার একটা ইকোনমিক রিটার্ন পেতে হবে।

এ কারণে কর্মসংস্থান ব্যাংককে প্রচলিত খাতের পাশাপাশি সংগীত, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সৃজনশীল খাতের সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদেরও ঋণের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা কর্মসংস্থান ব্যাংকের রয়েছে। জামানত ছাড়াই এসব জনগোষ্ঠীকে ঋণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

২ হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
২ হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে: অর্থমন্ত্রী

বিদেশফেরত প্রবাসীদের বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দুই পর্যায়ে দুই হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন ঋণ কর্মসূচি চালু রেখেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য ঋণ সহায়তা দিয়ে আসছে।
বিদেশফেরত প্রবাসীদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, শিল্প-কারখানা, সেবা ও বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে দুই পর্যায়ে মোট দুই হাজার কোটি টাকা প্রাক-অর্থায়ন ঋণ দিয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা ১০ বছর মেয়াদে ব্যাংক রেটে (বর্তমানে ৪ শতাংশ) প্রদান করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে এ ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৮ শতাংশ।
এ ঋণের মাধ্যমে বিদেশগমনেচ্ছু ও বিদেশফেরত প্রবাসীদের আত্মকর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওই প্রাক-অর্থায়ন ঋণের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৪২ হাজার ৭৬২ জন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪২ হাজার ৩০৩ জন সুবিধাভোগী ঋণ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের সফল বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নও প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

গোলের পর ‘৩০৪’ উদযাপন কেন, জানালেন ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
গোলের পর ‘৩০৪’ উদযাপন কেন, জানালেন ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু

বার্সেলোনা ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের গোল উদযাপনে ‘৩০৪’ সংখ্যাটি এখন বেশ পরিচিত। কিন্তু এই তিন অঙ্কের পেছনে রয়েছে তার শৈশব ও বেড়ে ওঠার স্মৃতি।

ইয়ামালের শৈশবের বন্ধু সোহাইব জানিয়েছেন, মাত্র ছয় বছর বয়সে রোকাফোন্ডার একটি পার্কে তাদের বন্ধুত্বের শুরু। ছোটবেলা থেকেই ইয়ামালের ফুটবল প্রতিভা ছিল স্পষ্ট। সোহাইব তাকে প্রায়ই বলতেন, একদিন চাইলে বিশ্বের সেরা ফুটবলার হতে পারবেন তিনি—তবে সেই বিশ্বাসটা নিজের ভেতর থেকেই তৈরি করতে হবে।

স্প্যানিশ টিভি অনুষ্ঠান ‘তার্দে এআরকে’-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোহাইব আরও জানান, খ্যাতির শিখরে পৌঁছেও ইয়ামালের স্বভাব খুব একটা বদলায়নি। সুযোগ পেলেই তারা এখনো একসঙ্গে সময় কাটান এবং ইয়ামালকে নিজের ভাইয়ের মতোই মনে করেন তিনি।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ইয়ামালের গোল উদযাপন। গোল ডটকমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, ‘৩০৪’ আসলে ইয়ামালের শৈশবের এলাকা রোকাফোন্ডার পোস্টাল কোডের শেষ তিন সংখ্যা।

সোহাইব জানান, যুবদলের কোপা দেল রের একটি ম্যাচের আগে রোকাফোন্ডায় থাকার সময় ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কিছু প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। তখনই সোহাইব তাকে ‘৩০৪’ সংকেতটি উদযাপনে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এলাকাটিতে সংখ্যাটি তারা নিয়মিত ব্যবহার করতেন।

ইয়ামালের সেই ভঙ্গিটি পছন্দ হয়ে যায়। এরপর থেকে গোল করলেই দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ দেখানোকে নিজের স্বাক্ষর উদযাপনে পরিণত করেছেন বার্সেলোনার ১০ নম্বর তারকা।

শৈশবের এলাকার প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের স্মৃতিকে গোল উদযাপনের সঙ্গে এভাবে জড়িয়ে রাখা ইয়ামালের ‘৩০৪’কে দিয়েছে আলাদা অর্থ।

কালের আলো/এসএ