খুঁজুন
                               
, ,
           

একটি গানও শত কোটি টাকার পণ্য হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
একটি গানও শত কোটি টাকার পণ্য হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের সৃজনশীল অর্থনীতির আকার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দুই থেকে তিন শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার। এ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো গেলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হবে, বাড়বে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও।

বিশেষ করে নারী ও তরুণদের জন্য সৃজনশীল অর্থনীতিতে কাজের বড় সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কর্মসংস্থান ব্যাংকের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অর্থায়ন তহবিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের কোনো কোনো দেশের অর্থনীতিতে সৃজনশীল খাতের অবদান ১০ শতাংশ পর্যন্ত। বাংলাদেশ এখনই ১০ শতাংশে যেতে না পারলেও দুই থেকে তিন শতাংশে নিতে পারলে বিপুলসংখ্যক মানুষকে এ খাতের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ এখানে বেশি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা গান, খাবার, সংস্কৃতি, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও নানা ধরনের সৃজনশীল কাজকে পণ্যে রূপ দিয়ে বৈশ্বিক বাজারে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে এসব সৃজনশীলতার অনেকটাই বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানো যায়নি। এখন প্রয়োজন সঠিক অর্থায়ন, দক্ষতা, ডিজাইন, ব্র্যান্ডিং ও বিপণন সহায়তা।
‘একটি গানও শত কোটি টাকার পণ্য হতে পারে’
সৃজনশীলতার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটা ছোটখাটো গান যখন হিট হয়, একজন সাধারণ মানুষের একটা গান যখন হিট হয়ে যায়, এটা কি শত শত কোটি টাকার প্রোডাক্ট হয়ে গেল না? আমাদের মধ্যে সেটা আছে, সৃজনশীলতা আমাদের দেশের মধ্যে আছে।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতেও বিপুল সৃজনশীলতা রয়েছে। এ খাতের কর্মীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করা গেলে অর্থনীতিতে এর বড় প্রভাব পড়বে।

থাইল্যান্ডের ‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির উদাহরণ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশটির গ্রামীণ মানুষ বাড়িতে বসে পণ্য তৈরি করলেও সরকারের সহায়তায় সেগুলো বিশ্ববাজারের উপযোগী হয়ে উঠেছে। কাঁচামাল, দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজাইন, প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের পাশাপাশি বাজারজাতকরণে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশেও এমন একটি সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, গ্রামের তৈরি পণ্য সংগ্রহ করে প্যাকেটজাত করার পর সরাসরি বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলে সেগুলো সহজেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো যাবে।

সংস্কৃতি ও বিনোদনেও অর্থনীতির সম্ভাবনা
সংগীত, সংস্কৃতি, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও ওটিটি খাতের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সৃজনশীল পণ্যের কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। বিশ্বের মানুষ এখন বিভিন্ন দেশের গান, সংস্কৃতি ও বিনোদন উপভোগ করছে। বাংলাদেশের শিল্পী ও সৃজনশীল মানুষদেরও এই বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা তো একটা জিডিপি, এটা অর্থনীতি। এটা কোনো চ্যারিটি না। চ্যারিটির মাধ্যমে কারও জীবনের উন্নয়ন হয় না। এটার একটা ইকোনমিক রিটার্ন পেতে হবে।

এ কারণে কর্মসংস্থান ব্যাংককে প্রচলিত খাতের পাশাপাশি সংগীত, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সৃজনশীল খাতের সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদেরও ঋণের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতা কর্মসংস্থান ব্যাংকের রয়েছে। জামানত ছাড়াই এসব জনগোষ্ঠীকে ঋণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, ‘মাফিয়া গ্যাং’: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, ‘মাফিয়া গ্যাং’: ডা. জাহেদ

আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল নয়, ‘মাফিয়া গ্যাং’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে দলটিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও সুযোগ দেওয়া উচিত কি না, তা নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে তিনি রাজনৈতিক দল মনে করেন না। দলটির অতীত কর্মকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মাটিতে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেওয়া উচিত কি না, তা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দেশে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া সরকার শুরু করেছে। বিষয়টি কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে দেশের লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, ২০২৬ সালের জুন-জুলাইয়ে গড় লোডশেডিং ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় কম ছিল। তবে ঢাকাতেও কিছুটা লোডশেডিং হওয়া স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সারের মজুত পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. জাহেদ বলেন, বর্তমানে দেশে ১২ দশমিক ২৯৪ লাখ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। গত বছর একই সময়ে মজুত ছিল সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন। তার দাবি, সারের মজুতে কোনো সংকট নেই; মূলত বিতরণে কিছু সমস্যা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কাজও যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, চাইলেও বাংলাদেশ একসঙ্গে অনেক বেশি এলএনজি আমদানি করতে পারে না। দেশে থাকা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউগুলোর সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে আমদানি বাড়ানোর সুযোগ সীমিত।
তিনি জানান, সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে চীনের কাছে নতুন একটি এফএসআরইউর অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এটি প্রায় দেড় বছরের মধ্যে দেশে আসবে। এ ক্ষেত্রে খরচের চেয়ে জরুরি প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডা. জাহেদ আরও বলেন, আগের অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে স্থলভাগের গ্যাস ও এফএসআরইউ নিয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা এবং খালেদা জিয়া ছিলেন উন্নয়নের রূপকার। জিয়ার স্বপ্ন ও খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ শেষ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত জিয়া স্মৃতি বইমেলার ষষ্ঠ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন ক্ষণজন্মা পুরুষ। তার দেশ পরিচালনার সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচিতি ও ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছিল। সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টাও ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া। সার্কের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।

জিয়াউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক ছিলেন এবং সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন উল্লেখ করে এ্যানি চৌধুরী বলেন, পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করেছিলেন।

রাজনীতিতে শিষ্টাচারবহির্ভূত ও অশালীন বক্তব্য কাম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী। বিরোধী দলের কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাত্র ছয় মাসের মাথায় লংমার্চের মতো কর্মসূচি আয়োজন কিসের ইঙ্গিত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ফ্যাসিস্ট সরকারপ্রধানের দেশে আসার সম্ভাবনা এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম। এতে বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফজলুর রহমান খোকনসহ অনেকে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগ, খোকনের বক্তব্য নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রধান বিচারপতির এজলাস ত্যাগ, খোকনের বক্তব্য নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের ব্যাখ্যা

তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করার বিষয় নিয়ে শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এজলাস ত্যাগ করেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আপিল বিভাগে একটি মামলার শুনানির সময় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুব উদ্দিন খোকন ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তবে দুজনের বক্তব্যে ঘটনার প্রেক্ষাপট নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে।

মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, শুনানির একপর্যায়ে তিনি প্রধান বিচারপতিকে বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আইনজীবীদের আয়-রোজগার কমে গেছে। এ মন্তব্যের পর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে তার তর্ক হয়। একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের বিচারকেরা এজলাস ছেড়ে চলে যান।

অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আইনজীবীদের কল্যাণ বা স্বার্থ নিয়ে কোনো আলোচনা থেকে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি মামলায় আদালতের কাছে তথ্য গোপনের অভিযোগে একজন নারী আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ওই অর্থ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, একই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ওই মামলার বাদী পাঁচটি রিট পিটিশন করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী আবেদনে আগের একটি মামলা খারিজ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি বলে আদালতের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে গুরুতর অনিয়ম হিসেবে দেখা হয়।

তার দাবি, সকালে ওই মামলার আদেশ দেওয়ার সময় মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে দুপুরের দিকে অন্য একটি মামলার কার্যক্রমের মধ্যে তিনি ওই জরিমানার প্রসঙ্গ তোলেন। তখন প্রধান বিচারপতি জানান, শুনানি ও তথ্য পর্যালোচনা করেই আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং সেটি পরিবর্তন করা হবে না।

অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আইনজীবীদের আয় কমে গেছে। প্রধান বিচারপতি জানতে চান, তিনি কি সত্যিই এমন মন্তব্য বোঝাতে চেয়েছেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রধান বিচারপতি ওই মন্তব্যকে আদালত অবমাননার শামিল বলে উল্লেখ করে জানান, এমন পরিস্থিতিতে তিনি আর সেদিন আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেবেন না। এরপর তিনি এজলাস ত্যাগ করেন এবং আপিল বিভাগের অন্য বিচারকেরাও সরে যান।

রুহুল কুদ্দুস কাজল আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও সততাকে প্রধান বিচারপতি গুরুত্ব দেন। আইনজীবী ও বিচারকদের মধ্যে কোনো বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলেও তা আদালতের কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঘটনা নিয়ে প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের অন্য বিচারকদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি