খুঁজুন
                               
, ,
           

দৌলতপুরে বন্যার অবনতি, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি-রাস্তাঘাট

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
দৌলতপুরে বন্যার অবনতি, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি-রাস্তাঘাট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পানি দ্রুত বাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট ও যোগাযোগপথ। একই সঙ্গে বন্যার পানিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, উজান থেকে ফারাক্কা হয়ে নেমে আসা ঢলের কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১৩ দশমিক ০২ মিটার রেকর্ড করা হয়। এ পয়েন্টে বিপদসীমা ১৩ দশমিক ৮০ মিটার। অর্থাৎ বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে পানি ছিল ১২ দশমিক ৮৮ মিটার। ১৮ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৪ সেন্টিমিটার।

উপজেলার ভাগজত পয়েন্টেও পানি দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সেখানে পানির উচ্চতা ছিল ১৪ দশমিক ৯০ মিটার। এ পয়েন্টে বিপদসীমা ১৫ দশমিক ৫২ মিটার। পাউবো জানিয়েছে, সেখানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ১৭ সেন্টিমিটার করে পানি বাড়ছে।

পানির নিচে রাস্তাঘাট, দুর্ভোগে মানুষ

চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও যোগাযোগপথ তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও তার চেয়েও বেশি পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, নারী ও বয়স্করা।

বসতবাড়ির আশপাশে পানি ঢুকে পড়ায় গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের আশঙ্কা।

তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ

ফিলিপনগর, মরিচা, চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর এলাকার ফসলি জমিতে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে রোপা আমন, কলা, মরিচসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন জানান, নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৩৫০ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও কৃষি পরামর্শ দেওয়া হবে।

১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান স্থগিত

বন্যার পানিতে যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুশতাক আহম্মেদ বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই বন্যাকবলিত এলাকার ১৮টি বিদ্যালয়ে পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে বিদ্যালয় ভবনগুলো খোলা থাকবে, যাতে বন্যায় গৃহহীন মানুষ সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন।

বন্যার সঙ্গে নদীভাঙনের আতঙ্ক

পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। চিলমারী ইউনিয়নের উদয়নগরসহ কয়েকটি এলাকায় পদ্মার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ইউনিয়নের সবকটি গ্রাম ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। অধিকাংশ রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। পানিবন্দী মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পানি কমার আশা

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। তবে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পানিবন্দী মানুষের সহযোগিতা ও নিরাপত্তার জন্য জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চিলমারী ইউনিয়নের অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে সীমিত পরিসরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের মেয়েরা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, স্পোর্টস
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
মালয়েশিয়াকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের মেয়েরা

অনূর্ধ্ব-২০ নারীদের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে জয় দিয়ে নিজেদের স্মরণীয় মিশন শেষ করল বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের পঞ্চম স্থান নির্ধারণী রোমাঞ্চকর ম্যাচে শক্তিশালী মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা।

এই জয়ের মাধ্যমে আসরের পঞ্চম স্থান নিশ্চিত করল লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) চীনের হুলুনবুয়ির সিটিতে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলে বাংলাদেশ দল।

তবে ডিফেন্সের দৃঢ়তায় ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো দলই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।
ম্যাচের তৃতীয় কোয়ার্টারে ডেড লক ভাঙে।

পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে দারুণ এক গোলে বাংলাদেশকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন অধিনায়ক শারিকা সাফা রিমণ। এরপর চতুর্থ কোয়ার্টারে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে চমৎকার এক ফিল্ড গোলে ব্যবধান ২-০ করেন কনা।
ম্যাচের শেষ দিকে মালয়েশিয়া এক গোল শোধ করলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশই।
মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী দলের রক্ষণভাগ ভেঙে নারীদের এই জয়কে দেশের হকি ইতিহাসের অন্যতম বড় ও ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা। টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিকভাবে লড়াকু পারফরম্যান্স দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত পঞ্চম স্থানে থেকে আসর শেষ করা দলের জন্য বড় অর্জন।

কালের আলো/এমআর

হুইলচেয়ারে থমকে গেছে শৈশব, স্কুলে যেতে চায় তাসফিয়া

কামারখন্দ(সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
হুইলচেয়ারে থমকে গেছে শৈশব, স্কুলে যেতে চায় তাসফিয়া

যে বয়সে বই হাতে স্কুলে যাওয়ার কথা, সমবয়সীদের সঙ্গে মাঠে ছুটে বেড়ানোর কথা—সেই বয়সে হুইলচেয়ারই ৯ বছরের তাসফিয়ার নিত্যসঙ্গী। দারিদ্র্যের কারণে প্রয়োজনীয় ও উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় হুইলচেয়ারেই যেন থমকে গেছে তার শৈশব। তবে এখনও তার চোখে স্বপ্ন—একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবে, হাঁটবে, দৌড়াবে এবং অন্য শিশুদের মতো স্কুলে যাবে।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চর টেংলাই গ্রামের অটোভ্যানচালক তৈয়ব আলী ও নাসিমা বেগমের মেয়ে তাসফিয়া। দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগছে সে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে না পারায় দিন দিন আরও অসহায় হয়ে পড়ছে শিশুটি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের প্রায় দুই বছর পর অসুস্থ হয়ে পড়ে তাসফিয়া। প্রথমে সিরাজগঞ্জে চিকিৎসা করানো হয়। পরে চিকিৎসকরা জানান, তার মাথার ভেতরে পানি জমেছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু অটোভ্যান চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালানো বাবা তৈয়ব আলীর পক্ষে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি।

তাসফিয়ার মা নাসিমা বেগম বলেন, দেড় বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর মেয়েকে হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তখন চিকিৎসকরা মাথার ভেতরে পানি জমার কথা জানান। ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হলেও অর্থের অভাবে তা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়ভাবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করানো হলেও কোনো উন্নতি হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে তাসফিয়ার মাথা বড় হচ্ছে এবং হাত-পা ধীরে ধীরে বিকল হয়ে যাচ্ছে।

বাবা তৈয়ব আলী বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। অটোভ্যান চালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। মেয়েটাকে সুস্থ করে তুলতে চাই। ও যেন অন্য বাচ্চাদের মতো হাঁটতে পারে, খেলতে পারে, স্কুলে যেতে পারে—এটাই আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না।’

প্রতিবেশীরা জানান, তাসফিয়ার চিকিৎসার জন্য পরিবারটি নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু সামান্য আয়ে সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে উন্নত চিকিৎসার খরচ বহন করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

কামারখন্দ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোতালিব জানান, তাসফিয়ার জন্য প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য আরও অর্থের প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হবে, যাতে শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়।

মাত্র ৯ বছর বয়সী তাসফিয়ার চাওয়া খুব বেশি নয়। সে শুধু নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়, মাঠে দৌড়াতে চায়, বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে চায়। সবচেয়ে বড় কথা, একদিন বই হাতে হেঁটে স্কুলে যেতে চায়।

অসহায় এই শিশুটির চিকিৎসায় সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এবং ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে তার জীবনে ফিরতে পারে নতুন আশার আলো। হুইলচেয়ারে আটকে থাকা তাসফিয়ার শৈশব হয়তো আবারও ফিরে পেতে পারে স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

জরুরি উন্নয়নকাজের জন্য শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) টানা ১০ ঘণ্টা গাজীপুরের বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানিয়েছে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কাশিমপুর জোনাল অফিস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকসেবার মান বাড়াতে ১১ কেভি ফিডারগুলো ছোট করা এবং লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে শনিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও লাইন আপগ্রেডেশনের কাজ করা হবে। এ কারণে ওই সময়ে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়- কাশিমপুর (আংশিক), বিএডিসি গেটের সামনের এলাকা, রফিকুল স্কুলের আশপাশ, কাশিমপুর স্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশ, রিফুজি পাড়া, হাজিপাড়া, জিতার মোড়ের আশপাশ, আলিমের আশপাশ, কবরস্থানের আশপাশ, জামাল টাওয়ারের আশপাশ, মল্লিকা বাজারের আশপাশ, নয়াপাড়া, হাকের নল, লালদিঘি, খানকা শরিফের আশপাশ ও রওশন মার্কেট এলাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে সাময়িক অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কাশিমপুর জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এমআর