খুঁজুন
                               
, ,
           

ধারাবাহিকতার অভাবই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে: নিগার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, স্পোর্টস
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
ধারাবাহিকতার অভাবই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে: নিগার

সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ১৫০ রানের লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটাররা সেই লক্ষ্য তাড়া করার মতো ব্যাটিং করতে পারেননি।

পুরো টুর্নামেন্টেই ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। ভারতের কাছে হেরে বিদায়ের পর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও মনে করছেন, দলের এই ধারাবাহিকতার অভাবই শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ভারতের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পর নিগার বললেন, ‘অনেক দিন ধরেই এটা আমাদের জন্য সমস্যা, একটা দৃশ্যমান সমস্যা। আমি একটি বিষয় উল্লেখ করতে পারি, সেটা হলো ধারাবাহিকতা অবশ্যই।

শেষ দুই ম্যাচে যারা রান করেছে, তারা এখানে রান করতে পারেনি। তাই আমার মনে হয়, ধারাবাহিকতা ছিল না, আর সেটাই আমাদের দলের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়েছে।
শুধু এই টুর্নামেন্ট নয়, বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যাটিংয়ে সংগ্রাম করতে হচ্ছে দলের ব্যাটারদের। নতুন কিংবা পুররো কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না। এমনকি খর্বাশক্তির সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাত্র ১০০ রান করতে ঘাম ছুটে গেছে! যদিও শেষ পর্যন্ত জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে একই ধরনের ব্যাটিং ব্যর্থতা আর পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

টস জিতে আগে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনেও ছিল ব্যাটিং নিয়ে দলের অনিশ্চয়তা। নিগার জানান, শেষ তিন ম্যাচে বোলাররা ভালো করায় তাঁদের ওপর ভরসা রেখেই ভারতকে এমন সংগ্রহে আটকে রাখতে চেয়েছিলেন, যেটা পরে তাড়া করা সম্ভব।

এক প্রশ্নের জবাবে দলের অধিনায়ক নিগার বলেছেন, শেষ তিন ম্যাচে আমাদের বোলাররা খুব ভালো করছে। কিন্তু আমরা ব্যাটিংয়ে সংগ্রাম করছি। তাই আমরা সত্যিই আমাদের বোলারদের এমন একটা সুযোগ দিতে চেয়েছিলাম, যাতে তারা আমাদের একটা সুযোগ এনে দিতে পারে এবং আমরা ব্যাট করতে পারি।

ভারতকে ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষ দিকে রিচা ঘোষ ও হারমানপ্রীত কৌরের ব্যাটে ভারত দ্রুত রান তুলে ১৫০ রানে পৌঁছে যায়। নিগারের মতে, সেখানেই ম্যাচের চিত্র অনেকটা বদলে যায়, ‘আমরা সত্যিই চেয়েছিলাম তাদের এমন একটা রানের মধ্যে আটকে রাখতে, যেটা আমরা তাড়া করতে পারি। কোনোভাবে সেটা হয়নি। আমরা আসলে ভেবেছিলাম, উইকেটটা একটু ধীরগতির হবে। কারণ আমরা তিনটি ম্যাচ খেলেছি এবং তখন ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেটটা যথেষ্ট ভালো ছিল না

মাঝের ওভারগুলোতে তাঁর দলের স্পিনাররা পরিকল্পনা অনুযায়ীই বোলিং করেছেন। কিন্তু শেষ তিন-চার ওভারে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি রান দিয়ে ফেলায় ভারতকে বড় সংগ্রহের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, ‘শেষ তিন ওভারে আমরা অনেক রান দিয়েছি এবং তারা খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। কারণ রিচা ছিল এবং ইনিংসের শেষদিকে হারমানও খুব ভালো খেলছিল। তাই তারা শেষ তিন ওভারে রান পেয়েছে। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে, আমার মনে হয়, আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলাম। কারণ স্পিনাররা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব ভালো বোলিং করেছে।

তবে ভারতকে ১৩০ কিংবা ১৩৫ রানে আটকে রাখতে পারলে ম্যাচের পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত বলেও মনে করেন নিগার, শেষ তিন-চার ওভারে আমরা অনেক রান দিয়েছি। আমরা যদি তাদের ১৩০ বা ১৩৫ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারতাম, তাহলে ব্যাটিং ইউনিটের জন্য পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। শেফালি ভার্মার ক্যাচ দ্বিতীয় ওভারেই লং-অনে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। এরপর বড় ইনিংস খেলেন ভারতের এই ওপেনার।

ম্যাচে বাংলাদেশের পাঁচটি ক্যাচ পড়ার বিষয়টিও নিগারের কাছে ছিল বড় হতাশার, খুবই হতাশ। কারণ শেষ তিন ম্যাচে এই জায়গাটিতেই আমরা খুব ভালো করছিলাম। শেষ তিন ম্যাচে আমরা খুব ভালো ফিল্ডিং করেছি। ব্যাটিংয়ে ধস নামুক, বোলিংয়ে ধস নামুক—যাই হোক না কেন, আমরা খুব ভালো ফিল্ডিং করেছি। তাই এটা সত্যিই হতাশাজনক। কারণ ব্যাটিং বা বোলিংয়ের তুলনায় এটাই ছিল আমাদের যে জায়গাটা সবচেয়ে ভালো ছিল।

শেফালির ক্যাচ ফেলে দেওয়ার প্রসঙ্গে নিগার বলেন, আমরা যদি সেটা ধরে রাখতে পারতাম, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু কখনো কখনো এমন হয়।

কালের আলো/এমআর

জেলেনস্কি ‘সীমা ছাড়িয়েছেন’, বিস্ফোরক মন্তব্য ইলন মাস্কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
জেলেনস্কি ‘সীমা ছাড়িয়েছেন’, বিস্ফোরক মন্তব্য ইলন মাস্কের

রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনা ও তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলা নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি ‘সীমা ছাড়িয়ে গেছেন’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) মাস্কের এই মন্তব্য সামনে আসে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলার সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, এসব হামলা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করছে এবং ডিজেলের সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে।

জ্বালানি সংকট নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ

শনিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলার প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের ওপর পড়ছে। বিশেষ করে ডিজেলের ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক ও খামারিদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্পের অভিযোগ, রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করতে ওয়াশিংটন একাধিকবার কিয়েভকে সতর্ক করলেও ইউক্রেন সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। যুদ্ধ বন্ধের সুযোগও জেলেনস্কি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি ইউক্রেনে নতুন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় এসেছে বলেও মত দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

কিয়েভকে ছয়বার সতর্ক করার দাবি

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা থেকে বিরত থাকতে ইউক্রেনকে অন্তত ছয়বার অনুরোধ করেছিল ওয়াশিংটন। তবে এসব অনুরোধের পরও হামলা অব্যাহত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপের পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের চাপ কমাতে রুশ ডিজেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওয়াশিংটনের এই অবস্থানের সমালোচনা করেছে কিয়েভ। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়েছে।

স্টারলিংক নিয়েও বাড়ছে দূরত্ব

মাস্ক ও জেলেনস্কির মধ্যে মতবিরোধের বিষয়টি নতুন নয়। ইউক্রেনের যুদ্ধে মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবস্থা স্টারলিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে যোগাযোগ, সেনা ইউনিটগুলোর সমন্বয় এবং বিভিন্ন সামরিক কার্যক্রমে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।

তবে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে স্টারলিংক ব্যবহারের বিষয়ে অতীতে আপত্তি জানিয়েছেন মাস্ক। ২০২২ সালে ক্রিমিয়ার কাছে রুশ নৌবহর লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্টারলিংক পরিষেবা সম্প্রসারণে তিনি সম্মতি দেননি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাস্কের যুক্তি ছিল, এ ধরনের পদক্ষেপে স্পেসএক্স সরাসরি বৃহত্তর সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

যুদ্ধের কৌশল নিয়ে নতুন প্রশ্ন

রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলা, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এবং স্টারলিংক ব্যবহারের প্রশ্ন—সব মিলিয়ে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্য আরও সামনে এসেছে।

ইউক্রেনের জন্য স্টারলিংকের গুরুত্ব বিবেচনায় মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি দেশটির সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। তবে মাস্কের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর স্টারলিংক পরিষেবা বন্ধ বা সীমিত করার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

সূত্র: আরটি, অ্যাক্সিওস ও দ্য আটলান্টিক।

কালের আলো/জেএন

শিক্ষামন্ত্রী

ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ

ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পর্যালোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে। রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিদেশি কারিকুলামে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা যাতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমতার ভিত্তিতে অংশ নিতে পারে, সে বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেলকে নিজস্ব উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার সমমানের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। বাংলাদেশেও শিক্ষার সর্বস্তরে সমতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশের ইতিহাস, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির কার্যকর পাঠদান জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের ৫০ নম্বর ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের জন্য ভর্তির সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নুরুল ইসলাম জানান, ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নীতিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম বলেন, ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা ভালো ফল করলেও প্রচলিত ভর্তি প্রক্রিয়ায় তাঁদের সুযোগ সীমিত। তাঁদের মূলধারার উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করা দরকার।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ভর্তি নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দেন।

অনুষ্ঠানে অ্যালায়েন্স অব প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসের সভাপতি মোর্শেদুল ইসলাম দেশের উচ্চশিক্ষায় ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ সম্প্রসারণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নীতিমালা প্রণয়ন করা হলে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ ও প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, পর্যটকদের ফিরতে হবে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, পর্যটকদের ফিরতে হবে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টার মধ্যে সাজেক ছেড়ে নিজ নিজ গন্তব্যে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণবশত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্রটি বন্ধ থাকবে। বর্তমানে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলাকা ত্যাগ করে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার সকাল ৬টা থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়। এর ফলে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড দেওয়ায় দুই দিক থেকে আসা পর্যটক ও যানবাহন মাঝপথে আটকা পড়ে।

সাধারণত খাগড়াছড়ি ও সাজেকের মধ্যে প্রতিদিন দুই দফায় সেনাবাহিনীর এসকর্টের মাধ্যমে পর্যটকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়। তবে অবরোধের কারণে রোববার যাতায়াত বিঘ্নিত হয়। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের উদ্দেশে যাওয়া পর্যটকেরা বাঘাইহাটের গঙ্গারাম উজোবাজার এলাকায় আটকা পড়েন। অন্যদিকে, সাজেক থেকে বের হওয়া পর্যটকেরাও মাচালং এলাকায় আটকে যান।

পরে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ও আশ্বাসের পর বিকেল ৫টার দিকে অবরোধকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এরপর সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় আটকে পড়া পর্যটকেরা নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।

অবরোধ প্রত্যাহার হলেও জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাজেক ত্যাগ করতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি