খুঁজুন
                               
, ,
           

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ভিসায় নতুন নিয়মের প্রস্তাব করেছেন ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ভিসায় নতুন নিয়মের প্রস্তাব করেছেন ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ভিসায় থাকা বিদেশিদের জন্য নতুন নিয়মের প্রস্তাব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে চাকরি হারানোর পর নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজার জন্য বর্তমানে থাকা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সুযোগ আর থাকবে না। ফলে চাকরি শেষ হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) প্রস্তাবিত পরিবর্তনটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করেছে।

নতুন নিয়ম কার্যকর হলে এইচ-১বি ভিসাসহ কয়েক ধরনের অস্থায়ী কর্মী ভিসাধারীদের চাকরি শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।

কী বদলাবে

বর্তমানে চাকরি হারানোর পর নতুন চাকরি বা স্পনসর খোঁজার জন্য বিদেশি কর্মীরা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পান। ২০১৭ সাল থেকে এই সুবিধা চালু রয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে কর্মীরা নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজার পাশাপাশি ভিসার বৈধতা বজায় রাখার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। একই সঙ্গে দেশ ছাড়ার আগে বাসাবাড়ি বিক্রি, সন্তানদের স্কুল থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয় গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পান।

ডিএইচএসের প্রস্তাব কার্যকর হলে চাকরি শেষ হওয়ার পর এই অতিরিক্ত সময় আর পাওয়া যাবে না। তবে কোনো কর্মী যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পর নতুন নিয়োগকর্তা তাঁর পক্ষে আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট ভিসার জন্য আবার আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে।

সবচেয়ে বেশি প্রভাব এইচ-১বি কর্মীদের ওপর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এইচ-১বি ভিসার। ১৯৯০ সালে চালু হওয়া এই ভিসার মাধ্যমে বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দেয় মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো। ভারত ও চীন থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসার ওপর নির্ভরশীল।

ডেলয়েট, পিডব্লিউসি ও আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের মতো পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস, ইনফোসিস, এইচসিএল টেক ও এলটিআইমাইন্ডট্রির মতো প্রতিষ্ঠান বড় এইচ-১বি স্পনসরদের মধ্যে রয়েছে।

ডিএইচএসের মতে, নতুন নিয়মে কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মী ব্যবস্থাপনায় সাময়িক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে এর ফলে একই যোগ্যতার মার্কিন নাগরিকদের এসব পদে নিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে।

অভিবাসন আইনজীবীদের মতে, প্রস্তাবটি কার্যকর হলে চাকরি হারানো বা চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিদেশি কর্মীদের হাতে সময় অনেক কমে যাবে। বিশেষ করে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোতে এর প্রভাব বেশি পড়তে পারে।

শুধু এইচ-১বি নয়

প্রস্তাবিত পরিবর্তন শুধু এইচ-১বি ভিসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ই-১ ও ই-২ ভিসা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও ব্যবস্থাপকদের জন্য এল-১ ভিসা এবং বিজ্ঞান, শিক্ষা, ব্যবসা, ক্রীড়া বা শিল্পকলায় অসাধারণ দক্ষতার অধিকারীদের ও-১ ভিসাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

এ ছাড়া টিএন পেশাজীবী কর্মীদের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর ও চিলির নাগরিকদের জন্য এইচ-১বি১ এবং অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মীদের জন্য ই-৩ ভিসাও প্রস্তাবিত পরিবর্তনের আওতায় আসতে পারে।

এখনই কার্যকর হচ্ছে না

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প প্রশাসন বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থায় বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষ বিদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিতের ঘটনাও ঘটেছে।

তবে চাকরি হারানোর পর অবস্থানের সময় কমানোর প্রস্তাবটি এখনো কার্যকর হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে প্রায় দুই মাস জনমত গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এ সময়ে প্রস্তাবটির বিষয়ে মতামত জানাতে পারবে।

জনমত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত পর্যালোচনার পর প্রশাসন নিয়মটি চূড়ান্ত করবে। তাই আপাতত এইচ-১বি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ভিসাধারীদের জন্য ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বহাল থাকছে। তবে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে থেকে নতুন কর্মসংস্থান খোঁজার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হবে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে মেধাই প্রাধান্য পায়: ইউজিসি চেয়ারম্যান

ক্যাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে মেধাই প্রাধান্য পায়: ইউজিসি চেয়ারম্যান

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে উৎসবমুখর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবীনবরণ অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদাভাবে দেখছে না ইউজিসি। গবেষণা ও উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফান্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে মেধাকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাট সরকার ৫ শতাংশ কমিয়েছে। আরও ৫ শতাংশ কমানোর জন্য ইউজিসি চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ বছরের সাফল্যের জন্য কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্লাবে সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে ক্লাব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী সন্তানদের মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ৩০ বছর আগে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বৃত্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার কাজে ব্যয় করা হয় বলেও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের একদিকে জ্ঞান, অন্যদিকে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে প্রস্তুত করা হচ্ছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা দেশে ও বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অনুপ চৌধুরী এবং নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একজন শিক্ষার্থী বক্তব্য দেন।

আলোচনা পর্ব শেষে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ফর পারফর্মিং আর্টস (ইসিপিএ) এবং নজরুলসংগীত শিল্পী খাইরুল আনাম শাকিল এতে সংগীত পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএ

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে টিচার ট্রেইনার নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে টিচার ট্রেইনার নিয়োগ

শিক্ষক প্রশিক্ষক (টিচার ট্রেইনার) পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের ইংরেজি, আরবি, গণিত, বিজ্ঞান ও সাধারণ বিষয়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য মোট ১৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। পদভেদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পাশাপাশি কমপক্ষে পাঁচ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। কিছু পদে শিক্ষক প্রশিক্ষণ বা পরামর্শদানের অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রার্থীদের নিজ নিজ বিষয়ে শিক্ষাদান পদ্ধতি, প্রশিক্ষণ পরিচালনা, উপস্থাপনা ও যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে। প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের পদের ক্ষেত্রে শিশুবিকাশ, খেলাভিত্তিক শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। প্রাথমিক গণিতের ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরভিত্তিক গণিত শিক্ষাপদ্ধতিতে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, বছরে দুটি উৎসব বোনাস, ভবিষ্য তহবিল, পেশাগত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। চাকরির ধরন স্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক হতে পারে এবং সম্মানী আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন করা যাবে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।

আবেদন: https://madrasatussunnah.org/career

কালের আলো/এসএ

নাইন ইলেভেনের ২৫ বছর: যে হামলায় বদলে যায় বিশ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
নাইন ইলেভেনের ২৫ বছর: যে হামলায় বদলে যায় বিশ্ব

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সেই ভয়াবহ হামলার ২৫ বছর পূর্ণ হলো আজ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দুই ভবনে ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিমান আঘাত হানার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এক নতুন বৈশ্বিক অধ্যায়।

সেদিন চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে হামলা চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়। নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে আঘাতের পাশাপাশি একটি বিমান পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হন।

হামলার জন্য আল-কায়েদা ও এর প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরপরই তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ২০০১ সালের অক্টোবরে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে ইরাকেও সামরিক আগ্রাসন চালানো হয়।

নাইন ইলেভেন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিই বদলে দেয়নি, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কেও গভীর প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিদ্বেষ ও ইসলামবিদ্বেষী ঘৃণাপ্রসূত অপরাধও বেড়ে যায়।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের বিরুদ্ধে নথিভুক্ত হেইট ক্রাইম ছিল ২৮টি। ২০০১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১-এ। এর বড় অংশই ঘটে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর।

নাইন ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে শুরু হওয়া দীর্ঘ সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ আফগানিস্তান, ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রাণহানি, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্ম দেয়। একই সময়ে মুসলিম বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ক্ষোভও আরও গভীর হয়।

২৫ বছর পরও তাই ‘নাইন ইলেভেন’ শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলার নাম নয়—এটি বৈশ্বিক রাজনীতি, যুদ্ধ, নিরাপত্তা, ইসলামবিদ্বেষ ও যুক্তরাষ্ট্র-মুসলিম বিশ্বের সম্পর্ক বদলে দেওয়া এক ঐতিহাসিক বাঁক

কালের আলো/এসএ