খুঁজুন
                               
, ,
           

ইসির বড় পরীক্ষা ইউপি ভোটে

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
ইসির বড় পরীক্ষা ইউপি ভোটে

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এবার তৃণমূলে ভোটের পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেপ্টেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল এবং নভেম্বরে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কমিশন। তবে ব্যালটের লড়াইয়ের আগেই ইসির সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে মাঠের আইনশৃঙ্খলা। কারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে, বিশেষ করে ইউপি ভোটে, সংঘাতের ঝুঁকি ঐতিহাসিকভাবেই বেশি।

এই বাস্তবতা মাথায় রেখে ভোটের বেশ আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ইতোমধ্যে পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। জানতে চেয়েছেন দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাঠপর্যায়ে বাহিনীর সক্ষমতা এবং নির্বাচনের সময় কতটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পুলিশকে সারা দেশের জেলা-উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনও দিতে বলা হয়েছে।

আগেভাগেই মাঠের হিসাব নিতে চায় কমিশন
গত ১৮ আগস্ট নির্বাচন ভবনে পুলিশ প্রধান আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিইসি। সেখানে জেলা-উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সমন্বয় এবং একটি সমন্বিত সেল গঠনের বিষয় উঠে আসে। পুলিশের পক্ষ থেকে শিগগিরই ইসিকে পরিস্থিতির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

এরপর ২৭ আগস্ট সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় আরও ভালো নির্বাচন করার অঙ্গীকারে কোনো ঘাটতি নেই। তাঁর ভাষায়, স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতার মাত্রা সাধারণত বেশি থাকে—এ বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে। ইসির প্রস্তুতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থাকে নির্বাচনের মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কাজে লাগানো। ১৯ আগস্ট আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক এবং ২৪ আগস্ট বিজিবির মহাপরিচালকের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন সিইসি। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, শিগগিরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবে কমিশন। নির্বাচনের সময় বাহিনীগুলো কীভাবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করবে, সে বিষয়ে তাদের মতামত ও পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

ভরসা পুলিশ-বিজিবি-আনসারে
এবারের ইউপি নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে রাখার পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনার মাছউদের মতে, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পুলিশ, আনসার ও বিজিবিই যথেষ্ট। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, কমিশন এখনই পরিস্থিতিকে সংকটজনক হিসেবে দেখছে না। বরং সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে চাইছে। ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনাও সেই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ।

অতীতের ইউপি ভোটই বড় সতর্কবার্তা
ইসির উদ্বেগের পেছনে অবশ্যই বাস্তব কারণ রয়েছে। অতীতের ইউপি নির্বাচনগুলোতে ভোটের মাঠ পরিণত হয়েছে সংঘাতের কেন্দ্রে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানি ছিল ভয়াবহ। নির্বাচন কমিশন ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্য অনুযায়ী, ওই নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত এবং আট হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনেও সহিংসতার ধারাবাহিকতা থামেনি। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপে সংঘাতে অন্তত ১১৬ জন নিহত হন। শুধু ২০২১ সালেই ইউপি নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় ১১৩ জন নিহত হওয়ার তথ্য রয়েছে। এসব নির্বাচনে সংঘাতের বড় কারণ ছিল দলীয় প্রতীক। একই দলের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই এবং প্রতিপক্ষের ওপর হামলা বহু এলাকায় সহিংসতা বাড়িয়েছিল।

দলীয় প্রতীক না থাকায় কমতে পারে সংঘাত
এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় আগের চিত্র কিছুটা বদলাতে পারে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীমের মতে, অতীতে দলীয় প্রতীক স্থানীয় নির্বাচনকে অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক আধিপত্যের লড়াইয়ে পরিণত করেছিল। এবার সেই কাঠামো না থাকায় সহিংসতা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঝুঁকি পুরোপুরি উধাও হচ্ছে না। বিশেষ করে কোনো বিতর্কিত বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রার্থী মাঠে এলে পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হতে পারে। আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী অংশ নিলে অন্য রাজনৈতিক পক্ষ তাদের রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে প্রতিরোধের চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কার কথাও বলেছেন তিনি। তাই প্রার্থী যাচাই থেকে শুরু করে প্রচার ও ভোটের দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আসল পরীক্ষা ভোটের মাঠে
ইসি বলছে, সংঘাতমুক্ত নির্বাচনই তাদের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় নির্ভরতা থাকবে মাঠের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর। কারণ স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক সময় সরাসরি ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত বিরোধে রূপ নেয়। জাতীয় নির্বাচনের মতো বৃহৎ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে এখানে ভোটের সঙ্গে যুক্ত থাকে স্থানীয় আধিপত্য, সামাজিক সম্পর্ক ও দীর্ঘদিনের বিরোধ। ইসি কমিশনার মাছউদও স্বীকার করেছেন, সংঘাতমুক্ত নির্বাচন করতে গেলে নানা বাধা আসবে। সেসব বাধা আগেই চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তবে শতভাগ সংঘাতমুক্তির নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কালের আলো/এম/এএইচ

শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক জোরদারের নতুন বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বাংলাদেশ সরকারের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে এই প্রত্যাশার কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, ‘বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার আপনার সিদ্ধান্তকে আমি অত্যন্ত প্রশংসা করি। বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি তা ভুলব না। এই বিষয়ে আপনার মনোযোগের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।’

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশার কথা জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমি অদূর ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় রইলাম।’

চিঠিতে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের জন্য উষ্ণ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অনেক কিছু সহ্য করেছে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও এ দেশের জনগণের সামনে একটি ‘খুব উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’ রয়েছে বলে আমি মনে করি।’

চিঠির শেষাংশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও দেশের জনগণের জন্য শুভকামনা জানান ট্রাম্প।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশটার অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

গাইবান্ধা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশটার অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন বলছেন, পুরো ১৭ বছর ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশটার অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। সেইসঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেইভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এই কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী লিংকন বলেন, সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, ধৈর্য ধরে একটু সময় দিতে হবে। ৭১, ৯০,২৪ এ সব দলের নেগেটিভ অবস্থান ও ভুমিকা ছিল কিন্তু বিএনপি সব সময় পজিটিভ অবস্থান ও ভুমিকা পালন করেছে। বিএনপির রাজনীতি ইতিহাসে কালো দাগ লাগে নাই। কারন বিএনপির অবস্থান সব সময় দেশের মানুষের জন্য ছিল, আগামীতে থাকবে।

তিনি বলেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ইউনিয়নের ওর্য়াড পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে জয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্য বক্তব্য দেন, সংরক্ষিত নারী এমপি মমতাজ আলো, বিএনপির রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল, পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুজ্জামান শহিদ, যুবদলের সভাপতি রাগীব হাসার চৌধুরীসহ অনেকেই।

সমাবেশে শেষে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রদক্ষিণ করে ইসলামি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী অ্যাওয়ার্ড দেবেন। এ ছাড়া সদ্য পাস করা ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে পড়াশোনায় উৎসাহ দিতে উপহার হিসেবে ট্যাব দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হয়, সে জন্যই তাদের উপহার দেওয়া হবে। বিষয়টি খুবই চমকপ্রদ। প্রধানমন্ত্রীই তাদের বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ আরও বাড়াতে হবে, যাতে তারা লেখাপড়া ঠিকমতো করে। এ জন্যই তিনি ১ লাখ ১৬ হাজার ট্যাব দেওয়ার কথা চিন্তা করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশে প্রায় ১৯ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিতে মেয়েদের শিক্ষায় আরও উৎসাহিত করার জন্য তাদের একটি উপহার দেওয়ার কথা আজ জানানো হবে। সেটি হচ্ছে পিংকি মোটরসাইকেল। এগুলো শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা।

এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগে বিলম্ব হচ্ছে। এটি আমাদের জটিলতার কারণে হচ্ছে। এসব বিষয় আজকের এজেন্ডায় রয়েছে। বিশাল এই এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাজেট বরাদ্দ থেকে শুরু করে প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, তাদের পরীক্ষা নেওয়া এবং সামগ্রিক বিষয়গুলো কীভাবে করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। তিনি এবার বাজেট বরাদ্দ করেছেন জিডিপির ২ শতাংশ এবং এটিকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করবেন। শিক্ষায় এ ধরনের বিনিয়োগ এর আগে কোনো সরকার করেনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ