খুঁজুন
                               
, ,
           

ব্যাগে কাগজে মোড়ানো কুমিরের কাটা মাথা, বিমানবন্দরে যাত্রী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
ব্যাগে কাগজে মোড়ানো কুমিরের কাটা মাথা, বিমানবন্দরে যাত্রী আটক

ইতালির তুরিনের ক্যাসেল বিমানবন্দরে এক যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে কুমিরের শুকনো কাটা মাথা উদ্ধার করেছেন শুল্ক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা। সাধারণ কাগজে মোড়ানো অবস্থায় মাথাটি একটি পার্সেলের ভেতরে রাখা ছিল।

মায়ামি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে ইতালিতে যাওয়া ওই যাত্রীর লাগেজ তল্লাশির সময় পার্সেলটি নজরে আসে। খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে কুমিরের একটি শুকনো মাথা।

ইতালির আর্থিক অপরাধ দমন পুলিশ জানিয়েছে, সংরক্ষিত ও বিপন্নপ্রায় বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য ঠেকাতে বিমানবন্দরে যৌথ অভিযান চলছিল। এ সময় উপযুক্ত সনদ বা লাইসেন্স ছাড়া কুমিরের মাথা বহনের বিষয়টি ধরা পড়ে।

কর্তৃপক্ষ মাথাটি জব্দ করেছে এবং ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। ইতালির আইনে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁকে ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা অথবা ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লোরিডার কিছু স্যুভেনির দোকানে শুকনো কুমিরের মাথা বিক্রি হয়। পর্যটকেরা অনেক সময় স্মারক হিসেবে এগুলো কিনলেও আন্তর্জাতিকভাবে সংরক্ষিত বন্যপ্রাণীর অংশ পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকলে তা আইনত অপরাধ হতে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, ইতালির আর্থিক অপরাধ দমন পুলিশ

কালের আলো/এসএ

নাইন ইলেভেনের ২৫ বছর: যে হামলায় বদলে যায় বিশ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
নাইন ইলেভেনের ২৫ বছর: যে হামলায় বদলে যায় বিশ্ব

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সেই ভয়াবহ হামলার ২৫ বছর পূর্ণ হলো আজ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দুই ভবনে ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিমান আঘাত হানার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এক নতুন বৈশ্বিক অধ্যায়।

সেদিন চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে হামলা চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়। নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে আঘাতের পাশাপাশি একটি বিমান পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হন।

হামলার জন্য আল-কায়েদা ও এর প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরপরই তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ২০০১ সালের অক্টোবরে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে ইরাকেও সামরিক আগ্রাসন চালানো হয়।

নাইন ইলেভেন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিই বদলে দেয়নি, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কেও গভীর প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিদ্বেষ ও ইসলামবিদ্বেষী ঘৃণাপ্রসূত অপরাধও বেড়ে যায়।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের বিরুদ্ধে নথিভুক্ত হেইট ক্রাইম ছিল ২৮টি। ২০০১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১-এ। এর বড় অংশই ঘটে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর।

নাইন ইলেভেনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে শুরু হওয়া দীর্ঘ সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ আফগানিস্তান, ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রাণহানি, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্ম দেয়। একই সময়ে মুসলিম বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ক্ষোভও আরও গভীর হয়।

২৫ বছর পরও তাই ‘নাইন ইলেভেন’ শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলার নাম নয়—এটি বৈশ্বিক রাজনীতি, যুদ্ধ, নিরাপত্তা, ইসলামবিদ্বেষ ও যুক্তরাষ্ট্র-মুসলিম বিশ্বের সম্পর্ক বদলে দেওয়া এক ঐতিহাসিক বাঁক

কালের আলো/এসএ

হংকংয়ে মেহজাবীনের নতুন ছবি, মুগ্ধ ভক্তরা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
হংকংয়ে মেহজাবীনের নতুন ছবি, মুগ্ধ ভক্তরা

হংকং ভ্রমণের বেশ কিছু নতুন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। গতকাল রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিগুলো পোস্ট করেন তিনি। ছবিতে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেছে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।

হংকংয়ে তোলা ছবিগুলোর সঙ্গে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘আচ্ছা, থাক…উমম…কিছু না।’ তাঁর এই রহস্যময় ক্যাপশনও ভক্তদের কৌতূহল বাড়িয়েছে।

ছবি প্রকাশের পরপরই তা নজর কেড়েছে ভক্ত-অনুসারীদের। পোস্টটিতে এরই মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার প্রতিক্রিয়া পড়েছে। মন্তব্যের ঘরেও অনেকে অভিনেত্রীর নতুন ছবির প্রশংসা করেছেন।

মেহজাবীন বর্তমানে বড় পর্দার কাজেই বেশি মনোযোগী। ‘প্রিয় মালতী’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর ছোট পর্দায় তাঁর কাজের সংখ্যা কমেছে। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য প্রশংসাও পেয়েছেন তিনি। গত বছর মুক্তি পাওয়া তাঁর আরেক সিনেমা ‘সাবা’ও দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ছোট পর্দায় মেহজাবীনকে সর্বশেষ দেখা গেছে শিহাব শাহীন পরিচালিত ‘ক্যাকটাস’ সিরিজে। চলতি বছরের পবিত্র ঈদুল ফিতরে চরকিতে মুক্তি পাওয়া সিরিজটিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিন ব্রিজেও মেহজাবীনের ভ্রমণের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় এসেছিল। এবার হংকংয়ের ছবিগুলো নিয়েও ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

কালের আলো/এসএ

২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনাল কোথায়, স্পেন-মরক্কোর প্রতিযোগিতা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনাল কোথায়, স্পেন-মরক্কোর প্রতিযোগিতা

২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে, তা নিয়ে আয়োজক দেশ স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। তবে ফিফা এখনো ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি।

২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। মরক্কো চাইছে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হোক দেশটির নির্মাণাধীন হাসান ২ স্টেডিয়ামে। অন্যদিকে স্পেনের দাবি, ফাইনাল আয়োজনের যোগ্যতা তাদেরই বেশি।

মরক্কোর ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লাকজা সম্প্রতি বলেছেন, বেনস্লিমানে শহরেই বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে এবং ম্যাচটি হবে হাসান ২ স্টেডিয়ামে। তাঁর প্রত্যাশা, ফাইনালে মরক্কোও খেলবে।

বেনস্লিমানে নির্মাণাধীন হাসান ২ স্টেডিয়ামে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসতে পারবেন। ২০২৭ সালের শেষ দিকে স্টেডিয়ামটির উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্মাণ শেষ হলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়ামগুলোর একটি হবে।

তবে স্পেনও ফাইনাল আয়োজনের দাবি ছাড়ছে না। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লুজান বলেছেন, বর্তমান সময়ে ফুটবলের দিক থেকে স্পেন সেরা এবং বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের অধিকারও তাদের পাওয়া উচিত।

ফাইনালের জন্য স্পেনের সম্ভাব্য ভেন্যুর মধ্যে রয়েছে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ও বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু। সংস্কারের পর ক্যাম্প ন্যুতে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা থাকবে। বার্নাব্যুর আসনসংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজার ৩০০।

এদিকে ফিফার এক মুখপাত্র স্পেনের সংবাদ সংস্থা ইএফইকে জানিয়েছেন, ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে সিদ্ধান্ত যথাসময়ে জানাবে ফিফা। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত কাসাব্লাঙ্কা, বেনস্লিমানে কিংবা স্পেনের কোনো স্টেডিয়ামকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ফাইনালের ভেন্যু ঘোষণা করা হয়নি।

ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে এই টানাপোড়েনের মধ্যে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে মরক্কোর ঘনিষ্ঠতার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ইনফান্তিনো সম্প্রতি মরক্কো সফর করেছেন। তাঁর আগামী নির্বাচনে মরক্কোর সমর্থনের বিনিময়ে দেশটিকে ফাইনাল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে—এমন গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল। তবে ফিফা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ফলে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল স্পেনে নাকি মরক্কোয়—এখনো সেই প্রশ্নের উত্তর ফিফার কাছেই।

কালের আলো/এসএ