খুঁজুন
                               
, ,
           

ফেডের সুদ বাড়ানোর পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
ফেডের সুদ বাড়ানোর পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় এক শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে বাজারে কিছুটা স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্পট স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৯৫ দশমিক ২৬ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে বুধবার স্বর্ণের দাম প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।

তবে এর বিপরীত চিত্র দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচারস বাজারে। ডিসেম্বর সরবরাহের ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার ফেডারেল রিজার্ভ সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নীতিনির্ধারণী সুদের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়িয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ থেকে বেড়ে ৪ শতাংশ হয়েছে।

তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটিই যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সুদের হার বৃদ্ধি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভবিষ্যতে আরও সুদ বাড়ানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ফেডের নীতিনির্ধারকেরা।

ফেডের সর্বশেষ পূর্বাভাসে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ নীতিনির্ধারণী সুদের মধ্যম হার ৪ দশমিক ১ শতাংশ ধরা হয়েছে। এর ফলে চলতি বছর আরও এক দফা সুদের হার বাড়তে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

সাধারণত সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কারণ স্বর্ণ থেকে কোনো নিয়মিত সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদভিত্তিক সম্পদের আকর্ষণ বেড়ে গেলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের চাহিদা কমতে পারে।

তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেডের কঠোর নীতির বড় একটি অংশ এরই মধ্যে স্বর্ণের দামে প্রতিফলিত হয়েছে। এ কারণে বুধবার বড় পতনের পর বৃহস্পতিবার বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, তেলের দাম কমে যাওয়ায় বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে। জ্বালানির দাম কমে গেলে সামগ্রিকভাবে পণ্য ও সেবার দামের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে ফেডের সুদের হার বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির গতিপ্রকৃতি এবং জ্বালানি বাজারের ওঠানামা—এই তিনটি বিষয়ই আগামী দিনে স্বর্ণের দামের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

কালের আলো/জেএন

গ্যাসে গতি, শিল্পে জাগছে প্রাণ

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
গ্যাসে গতি, শিল্পে জাগছে প্রাণ

প্রায় দুই মাসের তীব্র জ্বালানি সংকটের পর শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ কয়েকটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কোথাও কোথাও সরবরাহ প্রায় স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় দীর্ঘদিনের উৎপাদন ব্যাঘাত কাটিয়ে স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্যে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে শিল্পকারখানাগুলোর সামনে।

শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, সংকট পুরোপুরি শেষ হয়েছে—এমনটা এখনই বলা না গেলেও সরবরাহ বৃদ্ধির এই পরিবর্তন দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর বড় স্বস্তি এনেছে। বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর কারখানাগুলোতে উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হওয়ায় রপ্তানি পণ্যের সময়মতো সরবরাহ এবং উৎপাদন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

গাজীপুরে সরবরাহে দৃশ্যমান অগ্রগতি
গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির চিত্রটি সবচেয়ে স্পষ্ট। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, জেলার শিল্পকারখানায় দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সংকটের সবচেয়ে কঠিন সময়ে সরবরাহ নেমে এসেছিল প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে। বুধবার তা বেড়ে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

চাহিদার তুলনায় এখনও কিছু ঘাটতি থাকলেও সংকটের সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে সরবরাহে এই বড় অগ্রগতি উৎপাদন ব্যবস্থায় গতি ফিরিয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বুধবার গাজীপুরের কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সরবরাহকেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি স্প্যারো ফ্যাশন, ডিবিএল গার্মেন্টস, জয়দেবপুর গ্রিড এবং তিতাসের আঞ্চলিক বিপণন কেন্দ্র ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জেও উৎপাদনে স্বস্তি
গাজীপুরের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানাতেও গ্যাসের চাপ আগের তুলনায় বেড়েছে। শিল্প মালিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু এলাকায় সরবরাহ বাড়ায় উৎপাদন প্রায় স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরেছে। যদিও অঞ্চলভেদে চাপের পার্থক্য রয়েছে, সামগ্রিকভাবে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি শিল্প খাতে আশাবাদ তৈরি করেছে।

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, প্রায় দুই মাস পর কারখানাগুলোতে আগের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। সব অঞ্চলে একই হারে সরবরাহ বাড়েনি, তবে দীর্ঘদিন পর এই উন্নতি শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে।

এলএনজি সরবরাহে ফিরেছে গতি
গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির এই উন্নতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ পুনরুদ্ধারের। গত ২১ জুলাই একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি ও অগ্নিকাণ্ডের পর সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগে। এর প্রভাব পড়ে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, সংকটের আগে দেশে দৈনিক প্রায় ২৬০ থেকে ২৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। এর মধ্যে দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে আসত প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি। সংকটের পর আগস্টে গড় সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ২২৩ কোটি ঘনফুটে। সাম্প্রতিক সময়ে দুটি টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ আবার প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুটে ফিরে এসেছে। ফলে জাতীয় পর্যায়েও গ্যাস সরবরাহ সংকটপূর্ব অবস্থার কাছাকাছি এসেছে।

উৎপাদনে গতি রপ্তানিতে স্বস্তি
দীর্ঘ সংকটে নিটিং, ডাইং, টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কমে যায় উৎপাদন, বাড়ে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের ব্যয় এবং শিপমেন্ট বিলম্বের ঝুঁকি। এক জরিপে প্রায় ৯২ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে অতিরিক্ত ব্যয় এবং একই সংখ্যক প্রতিষ্ঠান শ্রমঘণ্টা নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছে। প্রায় ৮৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান শিপমেন্ট বিলম্বের কথাও জানিয়েছে।

এখন গ্যাসের চাপ বাড়ায় এসব ক্ষতি ধীরে ধীরে সামলে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। উৎপাদন বাড়লে শ্রমঘণ্টার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি আদেশ সময়মতো পূরণ এবং বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও সহজ হবে।

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বুধবার সকাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। তাঁর মতে, গত দুই মাসের অচলাবস্থা অনেকটাই কেটে যাওয়ায় শিল্প উদ্যোক্তারা স্বস্তি বোধ করছেন।

স্বস্তির ধারা ধরে রাখাই এখন লক্ষ্য
বর্তমান সরবরাহ পরিস্থিতি শিল্প খাতে আশাবাদের নতুন কারণ তৈরি করলেও উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, সাম্প্রতিক উন্নতি যেন সাময়িক না হয়। কারণ দেশের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮৬ কোটি ঘনফুট। ফলে সরবরাহ সংকটপূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি ফিরলেও চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়ে গেছে।

তবে দীর্ঘ দুই মাসের অস্থিরতার পর গ্যাসের চাপ বাড়া নিঃসন্দেহে শিল্পের জন্য ইতিবাচক মোড়। কারখানায় উৎপাদন বাড়ার সুযোগ, রপ্তানি কার্যক্রমে গতি এবং উদ্যোক্তাদের আস্থায় ফেরার এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এখন প্রয়োজন সরবরাহের ধারাবাহিকতা।

কালের আলো/এম/এএইচ

হুথিদের আব্রাহার সঙ্গে তুলনা সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
হুথিদের আব্রাহার সঙ্গে তুলনা সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির

ইয়েমেনের হুথিদের কর্মকাণ্ডকে ঐতিহাসিক আব্রাহার ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ সালেহ আল-ফাওজান। হুথিদের পবিত্র মক্কা ও কাবা ঘরকে লক্ষ্য করার ঘটনাকে তিনি আব্রাহার কাবা আক্রমণের প্রচেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল-ফাওজানের বক্তব্যের একটি ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হুথিদের আব্রাহার অনুসারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি।

তবে বক্তব্যটি যাচাই করে দেখা যায়, আল-ফাওজানের এমন মন্তব্যের রেকর্ড ২০১৬ সালেও প্রকাশিত হয়েছিল। ওই সময় ইয়েমেনের হুথিদের পক্ষ থেকে মক্কার দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনায় তিনি মন্তব্য করেছিলেন। সৌদি সংবাদমাধ্যম ‘আখবার ২৪’-এর ৩১ অক্টোবর ২০১৬ সালের প্রতিবেদনে আল-ফাওজানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা আব্রাহার ইতিহাসকে পুনরাবৃত্তি করেছে।

২০১৬ সালের ওই ঘটনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মক্কার দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় প্রতিহত করা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রটি মক্কা থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরে ধ্বংস করা হয়েছিল। হুথিরা অবশ্য দাবি করেছিল, তাদের লক্ষ্য ছিল জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

পরবর্তীতে আল-ফাওজানের বক্তব্যের অনুবাদ প্রকাশ করা একটি সূত্রেও বলা হয়, তিনি হুথিদের কর্মকাণ্ডকে আব্রাহার ঘটনার পুনরাবৃত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন এবং কাবা আল্লাহর সুরক্ষায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন।

এদিকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আল-ফাওজানের বক্তব্যকে সাম্প্রতিক মন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, হুথিদের কর্মকাণ্ডকে আব্রাহার পদাঙ্ক অনুসরণের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

ইসলামি ইতিহাসে আব্রাহার ঘটনা ‘আসহাবুল ফিল’ বা হাতির বাহিনীর ঘটনা হিসেবে পরিচিত। কোরআনের সূরা আল-ফিলে এ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।

তবে আল-ফাওজানের বক্তব্যের সময়কাল নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে বিষয়টি প্রকাশের ক্ষেত্রে ২০১৬ সালের বক্তব্যের রেকর্ড এবং ২০২৬ সালে তা নতুন করে প্রচারের বিষয়টি আলাদা করে উল্লেখ করা জরুরি।

সূত্র: রয়টার্স, আখবার ২৪, Darussaafi ।

কালের আলো/জেএন

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ
পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল

বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে ছয় কর্মকর্তার পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. কামরুল আহসানকে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজিপি পদে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া মো. কামরুল আহসানকে এসবি প্রধান করা হয়েছে। সারদার প্রিন্সিপাল (অতিরিক্ত আইজিপি) জি এম আজিজুর রহমানকে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, এসবির বর্তমান প্রধান সরদার নুরুল আমিনকে পুলিশ সদর দপ্তরে এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান মাইনুল হাসানকে সারদার প্রিন্সিপাল হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া সম্প্রতি অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ইকবাল হোসেনকে পুলিশ সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।

কালের আলো/এম/এসআইপি