খুঁজুন
                               
, ,
           

নতুন আইনি কাঠামোয় আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু এসআরবির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
নতুন আইনি কাঠামোয় আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু এসআরবির

নতুন আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। ইউনিটটির সব অভিযানিক কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন এসআরবি মহাপরিচালক আহসান হাবীব।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এসআরবি সদর দপ্তরে উপস্থিত সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি এবং দেশব্যাপী বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের (ভিটিসি) মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন তিনি।

এ সময় নতুন আইনের আলোকে এসআরবির সব অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন মহাপরিচালক। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরবি ফোর্সের যাত্রা শুরুর ঘোষণা দেন তিনি।

আহসান হাবীব জানান, নতুন আইনের আলোকে এসআরবির লোগো, পতাকা ও পোশাক পরিবর্তনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারের অনুমোদনক্রমে শিগগিরই এসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হবে।

এসআরবির প্রতিটি সদস্যকে ন্যায়-নিষ্ঠা, সততা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে জননিরাপত্তা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে এসআরবি।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে 

৫০টির বেশি সুবিধা নিয়ে মেটার নতুন সাবস্ক্রিপশন ‘মেটা ওয়ান’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
৫০টির বেশি সুবিধা নিয়ে মেটার নতুন সাবস্ক্রিপশন ‘মেটা ওয়ান’

এআই ব্যবহারের সীমা বাড়ানো এবং নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা দিতে ‘মেটা ওয়ান’ নামে নতুন সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছে মেটা। নতুন এই সেবার মাধ্যমে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা এআইয়ের ৫০টির বেশি সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে।

মেটা জানিয়েছে, ‘মেটা ওয়ান’-এর আওতায় নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য আলাদা সাবস্ক্রিপশনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য কোর ও প্রিমিয়াম বান্ডেল এবং নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ থাকবে। তবে সাবস্ক্রিপশন না করলেও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা এআইয়ের মূল সুবিধাগুলো বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবে।

নতুন সেবার কোর ও প্রিমিয়াম প্যাকেজ মূলত নিয়মিত এআই ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এসব প্যাকেজে মেটা এআই দিয়ে আরও বেশি ছবি ও ভিডিও তৈরি করা যাবে। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামের এআইভিত্তিক রিস্টাইল ফিচার, ভয়েস ইফেক্ট এবং বিভিন্ন সৃজনশীল টুল ব্যবহারের সীমাও বাড়বে।

এর আগে ইনস্টাগ্রাম প্লাস, ফেসবুক প্লাস ও হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস নামে আলাদা সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছিল মেটা। এখন এসব সুবিধা ‘মেটা ওয়ান’-এর কোর ও প্রিমিয়াম বান্ডেলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ সুবিধা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনা, কনটেন্ট প্রকাশ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন পেশাদার টুল ব্যবহার করা যাবে। নির্মাতাদের প্যাকেজে ভেরিফায়েড ব্যাজ, হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে ভেরিফায়েড চ্যানেল এবং অন্য কেউ পরিচয় নকল করে অ্যাকাউন্ট পরিচালনার চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর সুবিধাও থাকছে।

এ ছাড়া ব্যবসায়িক কাজে ‘মেটা বিজনেস এজেন্ট’ ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ করার কথা জানিয়েছে মেটা। সেবাটি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশে চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এডিটস এবং এআইনির্ভর স্মার্ট চশমাতেও ‘মেটা ওয়ান’-এর বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এসএ

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক গত সোমবার মেরিল্যান্ডের ন্যাশনাল হারবারে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান। তাঁর এই ঘোষণার পর মহাকাশে মোতায়েন করা অস্ত্রের ধরন ও এর সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ট্রয় মেইঙ্ক বলেন, শত্রুর সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে কক্ষপথে এই অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। তবে অস্ত্রটির ধরন, সক্ষমতা কিংবা ঠিক কখন এটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছে—এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

যুক্তরাজ্যের ডারহাম ইউনিভার্সিটির অ্যাস্ট্রোপলিটিকসের সহযোগী অধ্যাপক ব্লেডিন বোয়েনের ধারণা, এটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা রেডিও জ্যামিংয়ের কাজে ব্যবহৃত কোনো প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। এ ধরনের ব্যবস্থা সরাসরি কোনো স্যাটেলাইট ধ্বংস না করেও তার রেডিও যোগাযোগ ব্যাহত করতে সক্ষম।

মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি চীন ও রাশিয়ার কর্মকাণ্ড নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। চীন এমন প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে, যার মাধ্যমে একটি মহাকাশযান অন্য স্যাটেলাইটের কাছে গিয়ে সেটিকে অন্য কক্ষপথে সরিয়ে নিতে পারে। একই প্রযুক্তি মহাকাশের বর্জ্য বা ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব।

তবে মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের সঙ্গে বড় ধরনের ঝুঁকিও রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কাইনেটিক কিল ভেহিকেল ব্যবহার করে কোনো স্যাটেলাইটকে সরাসরি আঘাত করে ধ্বংস করা হলে বিপুল পরিমাণ মহাকাশবর্জ্য তৈরি হতে পারে। আবার ক্লোজ-ইন্সপেকশন ও গ্র্যাপলিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অন্য স্যাটেলাইটকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ বা ধরে ফেলার সক্ষমতাও সামরিক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব।

জার্মানির বিজ্ঞান ও রাজনীতি ফাউন্ডেশনের গবেষক জুলিয়ানা সুয়েসের মতে, রাশিয়া অতীতে কো-অরবিটাল অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। রাশিয়া ও চীন দীর্ঘদিন ধরে রেনডেভু ও প্রক্সিমিটি অপারেশন (আরপিও) পরিচালনা করে আসছে।

কিংস কলেজ লন্ডনের রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষক রড থর্নটন জানিয়েছেন, এ ধরনের কিছু স্যাটেলাইট অন্য স্যাটেলাইটকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো সক্ষমতা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা নতুন কোনো প্রযুক্তির বড় অগ্রগতির চেয়ে বেশি একটি রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা। চীনের সামরিক আধুনিকায়ন এবং মহাকাশে তাদের স্যাটেলাইট সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মহাকাশ কার্যক্রম পরস্পরের ওপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় মহাশূন্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এসএ

‘লাইফ অব এম’–এর রহস্যময় অভিনেত্রী কে, জল্পনায় ন্যাটালি পোর্টম্যান

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
‘লাইফ অব এম’–এর রহস্যময় অভিনেত্রী কে, জল্পনায় ন্যাটালি পোর্টম্যান

ব্রিটিশ লেখক র‍্যাচেল কাস্কের নতুন উপন্যাস লাইফ অব এম প্রকাশের পর সাহিত্যজগতে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘এম’ একজন বিখ্যাত অভিনেত্রী। চরিত্রটির জীবনের সঙ্গে হলিউড অভিনেত্রী ন্যাটালি পোর্টম্যানের জীবনের বেশ কিছু মিল খুঁজে পাওয়ায় পাঠকদের একাংশের ধারণা, ‘এম’ চরিত্রটি হয়তো পোর্টম্যানকে ঘিরেই তৈরি।

কাস্ক আউটলাইন ট্রিলজি, সেকেন্ড প্লেসপ্যারেড–এর মতো প্রশংসিত বইয়ের লেখক। নতুন উপন্যাসে তিনি এমন এক অভিনেত্রীর গল্প বলেছেন, যিনি বাইরে থেকে সহজ-সরল ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও ভেতরে আত্মকেন্দ্রিক ও আত্মধার্মিক।

জল্পনার শুরু মূলত ‘এম’-এর শৈশবের গল্প থেকে। উপন্যাসে বলা হয়েছে, তিনি ছোট বয়সে অভিনয়ে আসেন এবং একটি সিনেমায় অভিনয়ের পর তাঁর শৈশব কঠিন হয়ে ওঠে। পাঠকেরা এর সঙ্গে পোর্টম্যানের জীবনের মিল খুঁজে পেয়েছেন। মাত্র ১১ বছর বয়সে লিও: দ্য প্রফেশনাল সিনেমার জন্য নির্বাচিত হন পোর্টম্যান এবং ১৩ বছর বয়সে সিনেমাটির শুটিং করেন।

উপন্যাসের ‘এম’ আরও জানান, তাঁর বাবা-মা সিনেমাটির কিছু দৃশ্য বাদ দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। সিনেমাটি মুক্তির পর স্কুলেও তাঁকে হয়রানির শিকার হতে হয়। পোর্টম্যান তাঁর নিজের জীবনেও এ ধরনের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন।

‘ব্ল্যাক সোয়ান’-এর সঙ্গেও মিল

জল্পনা আরও বাড়িয়েছে উপন্যাসের আরেকটি অংশ। সেখানে ‘এম’ এমন একটি সিনেমায় অভিনয়ের কথা বলেন, যেখানে এক তরুণী ব্যালে নৃত্যের জন্য নির্বাচিত হন। পাঠকদের অনেকে এটিকে পোর্টম্যান অভিনীত ব্ল্যাক সোয়ান সিনেমার সঙ্গে মিলিয়েছেন।

ব্ল্যাক সোয়ান–এ অভিনয়ের জন্য পোর্টম্যান সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জিতেছিলেন। ফলে ‘এম’ চরিত্রটির সঙ্গে তাঁর জীবনের মিল নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

পোর্টম্যান কি অসন্তুষ্ট?

এসব মিলের ভিত্তিতে এমন খবরও ছড়িয়েছে যে, উপন্যাসে নিজের যে প্রতিচ্ছবি দেখানো হয়েছে, তাতে পোর্টম্যান অসন্তুষ্ট। ডেইলি মেইল-এর কাছে পোর্টম্যানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দেওয়া একটি বেনামি সূত্র এমন দাবি করেছে।

তবে পোর্টম্যান নিজে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেছেন—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রকাশিত দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

কাস্কের সঙ্গে পোর্টম্যানের পুরোনো পরিচয়

জল্পনার আরেকটি কারণ তাঁদের পুরোনো পরিচয়। পোর্টম্যান আগে তাঁর অনলাইন বুক ক্লাবে কাস্কের একটি বই নির্বাচন করেছিলেন। ২০২২ সালে একটি আলোচনাতেও কাস্ককে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি।

উপন্যাসে শহরের নাম সরাসরি উল্লেখ করা না হলেও সেটিকে প্যারিস বলে মনে করছেন অনেকে। কাস্ক ও পোর্টম্যান—দুজনেরই প্যারিসে থাকার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

তবে কাস্ক ‘এম’ চরিত্রটি পোর্টম্যানকে ভিত্তি করে লেখা কি না, তা নিশ্চিত করেননি। নিউইয়র্ক টাইমস-কে তিনি বলেছেন, ‘এম’ কে—এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে ট্যাবলয়েডনির্ভর আলোচনা তাঁর জন্য চাপের হয়ে উঠেছে। তাঁর মতে, চরিত্রটির পরিচয় নিয়ে অতিরিক্ত অনুসন্ধান করলে উপন্যাসের মূল অর্থ ও সাহিত্যিক দিক আড়ালে পড়ে যেতে পারে।

ফলে ‘এম’ আদৌ ন্যাটালি পোর্টম্যান কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে পরিচিত অভিনেত্রীর জীবনের সঙ্গে চরিত্রটির একাধিক মিলের কারণে লাইফ অব এম ইতিমধ্যেই আলোচিত হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ