খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রশিক্ষণ ও সনদে অভিন্ন কাঠামোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
প্রশিক্ষণ ও সনদে অভিন্ন কাঠামোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাস ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এনএসডিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত কার্যকারিতা পাচ্ছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে তরুণরা কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছেন না।

এ কারণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বাড়বে।

সভায় এনএসডিএর গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় এনএসডিএর প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

এ ছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং বিভিন্ন সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

আফগানিস্তান টেস্টে ফিরলেন রেকর্ডগড়া তাওহীদ হৃদয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
আফগানিস্তান টেস্টে ফিরলেন রেকর্ডগড়া তাওহীদ হৃদয়

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠেয় একমাত্র টেস্টের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলে ফিরেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রেকর্ড গড়া ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হলেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে শক্তিশালী দলই দিয়েছে বাংলাদেশ। নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে দলে আছেন মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলামের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা।

সর্বশেষ টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন অমিত হাসান ও তাসকিন আহমেদ। তাদের জায়গায় দলে এসেছেন তাওহীদ হৃদয় ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ। ভ্রমণকারী রিজার্ভ হিসেবে দলের সঙ্গে থাকবেন নাঈম হাসান, মুশফিক হাসান ও ইকবাল হোসেন ইমন।

কিছুদিন আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে আলোচনায় আসেন তাওহীদ হৃদয়। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে ৩৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এর মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড গড়েন হৃদয়।

চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তার। তবে সেই সিরিজে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারায় পরবর্তী সময়ে দল থেকে বাদ পড়েন। জাতীয় দলের বাইরে থাকার সময় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ব্যাট হাতে নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করেন তিনি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি আগামী ৯ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে।

বাংলাদেশ টেস্ট দল:
নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, শাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, মেহেদী হাসান মিরাজ (সহ-অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী ও শরিফুল ইসলাম।

ভ্রমণকারী রিজার্ভ: নাঈম হাসান, মুশফিক হাসান ও ইকবাল হোসেন ইমন।

কালের আলো/এসএ

নাইকিকে বিদায়, ফেদেরারের ব্র্যান্ড ‘অন’-এ এমবাপ্পে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
নাইকিকে বিদায়, ফেদেরারের ব্র্যান্ড ‘অন’-এ এমবাপ্পে

দুই দশকের সম্পর্কের ইতি টেনে নাইকিকে বিদায় জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের এই ফরোয়ার্ড এবার সুইজারল্যান্ডের ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘অন’-এর সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছেন।

মূলত দৌড়ের জুতা ও পোশাকের জন্য পরিচিত ‘অন’-এর মাধ্যমে ফুটবল অঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এমবাপ্পের সঙ্গে নতুন চুক্তিকে সেই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মাত্র আট বছর বয়সে নাইকির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন এমবাপ্পে। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক দূত ছিলেন এবং বিশেষ করে ‘মারকিউরিয়াল’ বুটের প্রচারে নিয়মিত দেখা গেছে তাকে। গত ৩১ জুলাই নাইকির সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো।

‘অন’-এর সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে এমবাপ্পে বলেন, শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটির প্রতি তার আগ্রহের অন্যতম কারণ ছিল একসঙ্গে নতুন কিছু তৈরির সুযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগিয়ে ফুটবলে উদ্ভাবনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে চান বলেও জানান তিনি।

ফুটবলে নতুন হলেও ক্রীড়া জগতে ‘অন’ বেশ পরিচিত। ২০১৯ সালে টেনিস কিংবদন্তি রজার ফেদেরার প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারী ও কৌশলগত অংশীদার হন। পরবর্তীতে নিজের নামে পণ্য তৈরিতেও ‘অন’-এর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

এমবাপ্পের ক্ষেত্রেও শুধু ব্র্যান্ডের দূত হিসেবে নয়, পণ্য উন্নয়নেও কাজ করার সুযোগ থাকছে। ভবিষ্যতের ফুটবল বুট ও পোশাক তৈরিতে ‘অন’-এর পণ্য দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবেন এই ফরাসি তারকা।

ফুটবলে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে ‘অন’ সাবেক ফরাসি তারকা থিয়েরি অঁরিকে ফুটবল বিভাগের পরিচালক করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৭ সালে প্রথম ফুটবল বুট ও অন্যান্য ফুটবল পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে।

শৈশব থেকে মোনাকো, প্যারিস সাঁ জার্মাঁ হয়ে রিয়াল মাদ্রিদে এমবাপ্পের উত্থানের পুরো সময়জুড়েই নাইকি ছিল তার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। এবার সেই জায়গায় নতুন অধ্যায় শুরু হলো ‘অন’-এর সঙ্গে।

কালের আলো/এসএ

ইরানের ব্যাংক মেলাতের তুরস্কের শাখার লাইসেন্স বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
ইরানের ব্যাংক মেলাতের তুরস্কের শাখার লাইসেন্স বাতিল

ইরানের ব্যাংক মেলাতের ইস্তাম্বুল শাখার কার্যক্রমের লাইসেন্স বাতিল করেছে তুরস্ক। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির সরকারি গেজেটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তুরস্কের ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড সুপারভিশন এজেন্সি (বিডিডিকে) এ সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তুরস্কের ব্যাংকিং আইনের ৭১(বি) ধারার আওতায় ব্যাংকটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ওই ধারায় আমানতকারী ও অংশগ্রহণ তহবিলের মালিকদের অধিকার এবং আর্থিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম হুমকি হয়ে উঠলে তার লাইসেন্স বাতিলের সুযোগ রয়েছে।

ব্যাংক মেলাত ইরানের একটি আধা-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ইরান সরকার প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার। পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে ব্যাংকটি কয়েক দফা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে।

তবে তুরস্কের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংক মেলাতের লাইসেন্স বাতিলের কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে আঙ্কারার সিদ্ধান্তের সঙ্গে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

তবে সময়ের কারণে দুটি ঘটনার মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংক ও এর দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনে সহায়তা করেছে। গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংক অবশ্য ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এর আগে থেকেই ব্যাংক মেলাত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। ২০১৫ সালে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তির পর ব্যাংকটির ওপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর ইরানের ওপর আবারও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

২০১৯ সালে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় ব্যাংক মেলাতের নামও যুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে ইরানের ওপর মার্কিন চাপ বাড়ার মধ্যে তুরস্কে আরেকটি পরিবর্তনও দেখা যাচ্ছে। ইরানের মাহান এয়ার জানিয়েছে, তুরস্কের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে তুরস্কগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করবে তারা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মাহান এয়ারকে সহায়তার অভিযোগে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

ব্যাংক মেলাতের লাইসেন্স বাতিল এবং মাহান এয়ারের তুরস্কগামী ফ্লাইট স্থগিতের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরালো হচ্ছে। তবে ব্যাংক মেলাতের বিরুদ্ধে তুরস্কের সিদ্ধান্তকে সরাসরি মার্কিন চাপের ফল হিসেবে চিহ্নিত করার মতো কোনো সরকারি বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে ঘিরেও বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। অধিবেশনের ফাঁকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনার খবরের মধ্যেই তুরস্ক ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকের স্থানীয় কার্যক্রমের অনুমতি বাতিল করল।

সূত্র: এএফপি

কালের আলো/এসএ