খুঁজুন
                               
, ,
           

বিদ্যুৎ অবকাঠামো আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ অবকাঠামো আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন

ঢাকার পার্শ্ববর্তী উপশহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ অর্থে শিল্প ও নগর অঞ্চলের বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা ও দক্ষতা বাড়ানো হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এডিবির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় বাংলাদেশ পল্লি বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) অধীন ঢাকা ও আশপাশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ও নগর এলাকার ১৩টি পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন করা হবে।

বাড়বে সাবস্টেশনের সক্ষমতা

প্রকল্পের আওতায় ৫২টি নতুন সাবস্টেশনে ১ হাজার ১৫০ মেগাওয়াট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ট্রান্সফরমার সক্ষমতা যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান ১২টি সাবস্টেশনের সক্ষমতা ১১৫ এমভিএ বাড়ানো হবে।

এ ছাড়া ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটারের বেশি ওভারহেড ও আন্ডারগ্রাউন্ড বিতরণ লাইন নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে। দ্রুত ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধানের জন্য ৯০০টি ‘ফল্ট লোকেটর সেট’ স্থাপন করা হবে। নদী পারাপারের ট্রান্সমিশন কাঠামো ও সুইচিং স্টেশনও নির্মাণ করা হবে।

জলবায়ু সহনশীলতায় গুরুত্ব

এডিবির ঋণের মধ্যে ১৪৬ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে। প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব ‘গ্যাস-ইনসুলেটেড সুইচগিয়ার’ প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সিস্টেম লস কমানোর পাশাপাশি বছরে প্রায় ২ লাখ ৩ হাজার ৭৫১ টন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে এডিবি।

এডিবির বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আধুনিক বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার আশপাশের শিল্প ও বাণিজ্যিক করিডোরে উন্নত প্রযুক্তি ও শক্তিশালী অবকাঠামো স্থাপনের মাধ্যমে প্রকল্পটি নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

প্রশিক্ষণ পাবেন কর্মকর্তারা

প্রকল্পের আওতায় বিআরইবি ও পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের ডিজিটাল সিস্টেম, সাইবার নিরাপত্তা, পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণের পাশাপাশি প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার ১০৭ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিআরইবি ১৪১ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করবে। এ ছাড়া উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রয়োগ ও কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য এডিবি পরিচালিত ‘রিপাবলিক অব কোরিয়া ই-এশিয়া অ্যান্ড নলেজ পার্টনারশিপ ফান্ড’ থেকে ১ মিলিয়ন ডলারের কারিগরি অনুদান দেওয়া হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে সমন্বিত উদ্যোগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে সমন্বিত উদ্যোগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে এবং বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদার করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪-এ আয়োজিত সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কের ফাঁকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় ও দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর ওপর নেমে আসা বিপর্যয়ের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি কেবল একটি পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের জীবন, জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বহুমাত্রিক ও অস্তিত্বগত হুমকি।

বাংলাদেশসহ উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনই কার্যকর ভূমিকা না নিলে এই মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির দায় সমগ্র বিশ্বকে বহন করতে হবে।

সংকট মোকাবিলায় বিশ্বনেতাদের সামনে কয়েকটি মৌলিক দাবির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগ, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় (লস অ্যান্ড ড্যামেজ) তহবিলসহ সহজ শর্তে ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির সহজলভ্যতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত এ বৈঠকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, বিশ্বনেতা এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংকট উত্তরণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের, হাসপাতালে ১৭৮২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের, হাসপাতালে ১৭৮২

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৭৮২ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ৩৪৫ জন, ঢাকা বিভাগে (মহানগরের বাইরে) ৩৭১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৮৮ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬৪ জন, খুলনা বিভাগে ২৭৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩০ জন, সিলেট বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে ৭৩ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১০৮ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৮৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫ হাজার ৬৬ জন।

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৬৯ হাজার ১৪৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে চলতি সেপ্টেম্বরেই আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৩০৩ জন, যা এ বছরের এক মাসে সর্বোচ্চ।

এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী। আর মৃতদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২০৯ জন।

এর আগে ২০২৫ সালে দেশে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন এবং মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আকাশসীমার পর কমান্ডের ময়দান, বিমান বাহিনীতে প্রস্তুত ৫৮ কর্মকর্তা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
আকাশসীমার পর কমান্ডের ময়দান, বিমান বাহিনীতে প্রস্তুত ৫৮ কর্মকর্তা

শুধু সামরিক প্রশিক্ষণ নয়, ভবিষ্যৎ কমান্ড কাঠামোর জন্য দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৩২তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্স (জেসিএসসি) সম্পন্ন করেছেন দেশ-বিদেশের ৫৮ কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে আয়োজিত সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় কোর্সটির আনুষ্ঠানিক পর্ব।

  • কক্সবাজারে শেষ হলো বিমান বাহিনীর ১৩২তম জেসিএসসি
  • নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষতা অর্জনে বিশেষ প্রশিক্ষণ
  • সেরা নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হাসিন তানভীরের

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র ও ট্রফি তুলে দেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, কোর্সে সেরা নৈপুণ্যের জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হাসিন তানভীর, জিডি (পি) অর্জন করেন ‘বিমান বাহিনী প্রধানের ট্রফি’। সনদ বিতরণের পাশাপাশি উত্তীর্ণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিমান বাহিনী প্রধান।

এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়; প্রশিক্ষণের কাঙ্ক্ষিত ফল—পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা ও দায়িত্ব পালনে উৎকর্ষ—কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, তারও একটি প্রতিফলন।

শ্রেণিকক্ষ থেকে কমান্ড কাঠামোয়
জেসিএসসি এমন একটি প্রশিক্ষণ কাঠামো, যেখানে কর্মকর্তাদের অর্জিত জ্ঞান ও কর্মঅভিজ্ঞতাকে পরবর্তী পর্যায়ের দায়িত্বের সঙ্গে সমন্বয় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কোর্সের মূল উদ্দেশ্য হলো সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে কমান্ড, স্টাফ ও নির্দেশনামূলক দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রস্তুত করা।

আধুনিক সামরিক ব্যবস্থাপনায় শুধু নির্দেশ দেওয়ার সক্ষমতা যথেষ্ট নয়; পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বয় এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দক্ষতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ পর্যায়ের প্রশিক্ষণকে ভবিষ্যৎ দায়িত্বের প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হয়।

আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণে বিস্তৃত পরিসর
এবারের কোর্সে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিদেশি বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারাও অংশ নেন। ৫৮ কর্মকর্তার এই অংশগ্রহণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি বহুপাক্ষিক পরিসর দিয়েছে। ভিন্ন পেশাগত অভিজ্ঞতা ও সামরিক পরিবেশ থেকে আসা কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগও তৈরি করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের এয়ার অধিনায়ক, বিমান সদর ও ঘাঁটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (সিএসটিআই) প্রশিক্ষক এবং কক্সবাজারের আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে