খুঁজুন
                               
, ,
           

হানিফসহ চারজনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার শুনানি শেষ

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
হানিফসহ চারজনের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার শুনানি শেষ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। হানিফ ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। মামলার চার আসামিই পলাতক।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার নির্দেশ দেওয়া এবং হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগও রয়েছে।

শুনানি শেষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। তিনি চার আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন।

প্রসিকিউশনের দাবি, জুলাইয়ের আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মাহবুব উল আলম হানিফ ভূমিকা রেখেছেন। দলীয় পদ ও রাজনৈতিক অবস্থান ব্যবহার করে তিনি অধীনস্থদের মাধ্যমে নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন বলেও প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়।

প্রসিকিউটর আরও বলেন, একই রাজনৈতিক অবস্থানে থাকা আওয়ামী লীগের কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ইতোমধ্যে রায় হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় হানিফের বিরুদ্ধেও অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে মামলাটি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (শিডিউল ওয়ান অব দ্য রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬)-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৭ নভেম্বরকে প্রতি বছর সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

১৭ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকায় শিক্ষায় বড় প্রযুক্তি উদ্যোগ

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
১৭ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকায় শিক্ষায় বড় প্রযুক্তি উদ্যোগ

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের ৭ লাখের বেশি শিক্ষককে একটি করে আধুনিক ট্যাবলেট-কম্পিউটার দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকরা এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

১৭ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প

মাউশির পরিকল্পনা শাখা জানিয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষ গড়ে তুলতে ১৭ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখের বেশি শিক্ষককে একটি করে আধুনিক ট্যাবলেট-কম্পিউটার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর আওতায় আনারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তত ১০টি করে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শ্রেণিকক্ষগুলোতে ইন্টারঅ্যাক্টিভ এডুকেশন প্যানেল বসানো এবং ১০০ এমবিপিএস ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

একই সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একক ‘এডু আইডি’ চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

কারা পাবেন ট্যাবলেট?

মাউশির আওতাধীন সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানকারী শিক্ষকদের এ সুবিধার আওতায় রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তবে ডিভাইস বিতরণের ক্ষেত্রে শিক্ষকসংখ্যা, প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক তথ্য বিবেচনা করা হতে পারে। চূড়ান্ত তালিকা ও বিতরণসংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে ট্যাবলেট-কম্পিউটার দেওয়া হলে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, অনলাইন শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহার এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাস পরিচালনা আরও সহজ হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শেখার সুযোগও বাড়বে।

৩২ জেলায় হবে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট

শুধু প্রযুক্তি সরবরাহ নয়, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অবকাঠামো শক্তিশালী করতেও বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আঞ্চলিক পর্যায়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়াতে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ৩২টি বৃহৎ জেলায় ‘হায়ার সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ বা এইচএসটিটিআই স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষকদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আরও ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ শিক্ষককে ৩৫ দিনব্যাপী মিশ্র পদ্ধতির বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাশাপাশি ১০ হাজার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে ২৩ দিনব্যাপী নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ এবং ৪ হাজার গভর্নিং বডি সদস্যকে সমন্বিত ওরিয়েন্টেশন দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রশিক্ষণ পাবেন সাড়ে ৩ লাখের বেশি শিক্ষক

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ বা লেইস প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৫৬৬ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে ২৬ হাজার ৮৮০ জন নতুন শিক্ষকের জন্য ৫৬ দিনব্যাপী আবাসিক বেসিক ট্রেনিং এবং ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষকের জন্য ৪২ দিনব্যাপী আবাসিক প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ২৪ হাজার ৪০০ জন প্রধান শিক্ষককে ২১ দিনব্যাপী লিডারশিপ ট্রেনিং দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ১১ হাজার শিক্ষককে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মানসিক স্বাস্থ্য ও আইসিটিতেও গুরুত্ব

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, কাউন্সেলিং এবং বুলিং প্রতিরোধেও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ২৯ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষককে।

শিক্ষকদের ‘স্মার্ট দক্ষতায়’ রূপান্তরের লক্ষ্য

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল গণমাধ্যমে বলেন, প্রকৃত মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আনতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের স্মার্ট দক্ষতায় রূপান্তরের বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন শিক্ষকদের প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়বে, অন্যদিকে শ্রেণিকক্ষেও বাড়বে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রীর ব্যবহার। স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক ডিভাইস ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক—এই তিনের সমন্বয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/জেএন

প্রশিক্ষণ-বিপণন সুবিধা বাড়ালে কুটির শিল্পে কর্মসংস্থান বাড়বে: গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
প্রশিক্ষণ-বিপণন সুবিধা বাড়ালে কুটির শিল্পে কর্মসংস্থান বাড়বে: গয়েশ্বর

সঠিক প্রশিক্ষণ, প্রচার ও বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তৈরি পোশাক খাতের চেয়েও কুটির ও হস্তশিল্পে বেশি আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের কারিগরদের জন্মগত মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তৈরি দেশীয় পণ্যের মান ও সৌন্দর্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষকে আরও স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না, সেই পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর প্রচার এবং বাজারজাতকরণ সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। বিপণন ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে কুটির শিল্পের বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাড়বে।

দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে গয়েশ্বর বলেন, জামালপুরের নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মাটির তৈজসপত্র ও টেরাকোটার মতো পণ্যের চাহিদা এখনো রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের মধ্যেও মানুষ ঐতিহ্য ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনযাত্রার দিকে ফিরছে।

কুটির শিল্পে নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া অনেক নারী ঘরে বসেই এসব কাজ করে আয় করছেন। এতে তারা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করছেন।

অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক জটিলতা ও ফাইল আটকে রাখার সংস্কৃতির সমালোচনা করেন গয়েশ্বর। সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফাইল আটকে না রেখে দ্রুত কাজ নিষ্পত্তি করতে হবে।

বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দূষণের বড় একটি অংশ উন্নত দেশগুলোর কারণে হলেও উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর ওপর বিভিন্ন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের দায় ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তব অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। এ সময় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস নাসের খান ও অতিরিক্ত সচিব নুরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বিসিক ভবনে আয়োজিত ‘শরৎমেলা’ চলবে আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলায় শতাধিক স্টলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি