খুঁজুন
                               
, ,
           

এক পরিবারে একাধিক সার ডিলারশিপ নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
এক পরিবারে একাধিক সার ডিলারশিপ নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

সারের ডিলারশিপে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি অংশ নিতে পারবেন না—সরকারের এমন নীতিমালার কার্যকারিতার ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। ফলে সরকারের প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী একই পরিবারের একাধিক সদস্যের সারের ডিলারশিপ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা জুঁই। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইকরামুল হক টুটুল।

এর আগে সরকারের এই নীতিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান চ্যালেঞ্জ করে পাঁচ ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নীতিমালার কার্যকারিতার ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন। পরে ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ২০০৯ সালের সার ডিলার ও সার বিতরণ সংক্রান্ত নীতিমালায় একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ডিলার হওয়ার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। ফলে স্বামী, স্ত্রী, সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে একাধিক ডিলারশিপ তৈরি করে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, পারিবারিকভাবে সারের ডিলারশিপ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ বন্ধ করতে ২০২৫ সালের নীতিমালায় সংশোধন আনা হয়। চলতি বছরের আগস্টে ওই বিধান আরও সংশোধন করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি যাতে ডিলারশিপ নিয়ে সার বিতরণে প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন এবং কৃষকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা।

অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর পাঁচ ব্যক্তি নীতিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি রিট আবেদন করেন। তারা বিদ্যমান ডিলারশিপ বহাল রাখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আদেশও পান। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

চেম্বার আদালতে উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত করা হয়। ফলে সার ডিলার নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়ায় সরকারের নীতিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান কার্যকর থাকবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, নীতিমালার এই বিধান বহাল রাখার মাধ্যমে সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে ডিলারশিপ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ বন্ধ করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৯০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩৯০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯০ শিশু। এ ছাড়া ১০২ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে একজন ও সিলেটে একজন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৪০ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৯৩ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১০ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২০ জনে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৩১৩ জন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে হাজির লতিফ সিদ্দিকী-দীপু মনিসহ ১১ জন

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে হাজির লতিফ সিদ্দিকী-দীপু মনিসহ ১১ জন

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, দীপু মনিসহ ১১ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা ১১ আসামির মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা।

মামলায় মোট ৪১ আসামির মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৩০ জন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাছিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মৃণাল কান্তি দাস ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন।

এ ছাড়া পলাতক আসামিদের তালিকায় সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও বেনজীর আহমেদ, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার ও সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ আরও অনেকে রয়েছেন।

বুধবারের শুনানিতে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (শিডিউল ওয়ান অব দ্য রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬)-এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৭ নভেম্বরকে প্রতি বছর সাধারণ ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি