খুঁজুন
                               
, ,
           

ছয় বছরেও হয়নি নতুন ভবন, ১৯ শয্যায় চলছে কয়রা হাসপাতাল

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ছয় বছরেও হয়নি নতুন ভবন, ১৯ শয্যায় চলছে কয়রা হাসপাতাল

খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও বাস্তবে ১৯ শয্যার অবকাঠামোয় চলছে চিকিৎসাসেবা। ছয় বছর আগে ৩১ শয্যার পুরোনো ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো অবকাঠামোগত সংকটের স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে কাগজে-কলমে ৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও অনুমোদিত শয্যার অর্ধেকেরও কম অবকাঠামোয় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে শয্যা, ভবন ও জনবলসংকটের কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

কয়রা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের পাশাপাশি আশপাশের উপকূলীয় এলাকার মানুষও এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য উপজেলা পর্যায়ের এই সরকারি হাসপাতালটি অন্যতম প্রধান ভরসা। রোগীর চাপ বাড়লে সীমিত শয্যার কারণে তাদের ব্যবস্থাপনা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় জায়গীর মহল গ্রামের বাসিন্দা শাহ হিরো বলেন, হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসক পাওয়া নিয়ে রোগীদের অভিযোগ রয়েছে। রাতে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়। হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও চালক না থাকায় সেটি সব সময় ব্যবহার করা যায় না।

উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কয়রায় পানিবাহিত রোগ, ডায়রিয়া, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি দুর্ঘটনা, প্রসূতি জটিলতা ও বিভিন্ন জরুরি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হাসপাতালে আসেন। বর্ষা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় রোগীর চাপ আরও বেড়ে যায়। দুর্যোগের সময় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হলে দূরের হাসপাতালে রোগী স্থানান্তরও কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পরও বছরের পর বছর কাজ ঝুলে থাকা দুঃখজনক। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে ৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু করা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু অবকাঠামো নয়, প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতিও হাসপাতালটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ৫০ শয্যার হাসপাতাল হিসেবে চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ প্রয়োজনীয় সহায়ক জনবল না থাকলে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম রাজিব বলেন, ভবন ও জনবলসংকটের কারণে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কয়রা দেশের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় উপজেলা। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থার মতো নানা ঝুঁকির মধ্যে এখানকার মানুষের বসবাস। দুর্যোগের সময় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালটির সক্ষমতা বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন স্থানীয়রা।

সুন্দরবন ইকো-রিজিলিয়েন্স ইনিশিয়েটিভের সমন্বয়ক মো. হাফিজুর রহমান মিস্ত্রী বলেন, উপকূলীয় এলাকায় স্বাস্থ্য অবকাঠামো সাধারণ এলাকার তুলনায় আরও সক্ষম হওয়া প্রয়োজন। দুর্যোগের সময় একসঙ্গে অনেক মানুষ চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তায় পড়তে পারেন।

তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে নতুন ভবন ও ৫০ শয্যার সেবা চালুর কথা শোনা গেলেও বাস্তবে মানুষ এখনো ১৯ শয্যার হাসপাতালের ওপর নির্ভর করছে। এতদিনেও সমস্যার সমাধান না হওয়া দুঃখজনক।

তাঁর মতে, শুধু নতুন ভবন নির্মাণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। ৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান, ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ, জরুরি সেবা ও সহায়ক জনবল নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স, বিদ্যুৎ, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের কার্যকর ব্যবস্থাও প্রয়োজন।

কয়রার মতো দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় এলাকায় হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি শুধু স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে নয়, দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার সঙ্গেও যুক্ত। তাই ছয় বছর ধরে চলা অবকাঠামোগত সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং অনুমোদিত ৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ সেবা কবে চালু হবে, সেটিই এখন স্থানীয় মানুষের প্রধান প্রশ্ন।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক

ঢাকা মহানগরের গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবহন খাতের বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা নিরসনে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

বৈঠকে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনার বর্তমান পরিস্থিতি, সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গণপরিবহনে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা নিরসনে করণীয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা বাড়িয়ে ২০০ করতে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা বাড়িয়ে ২০০ করতে চায় সরকার

পুষ্টির সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে ডিমের গুরুত্ব তুলে ধরে ৮ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস। এ বছর দিবসটির ৩০তম বার্ষিকী। দেশে বর্তমানে বছরে মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা প্রায় ১৩৭টি। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ২০০টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডিম উৎপাদিত হয়। অর্থাৎ প্রতিদিন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে ৬ কোটির বেশি ডিম।

বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম। বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও পুষ্টিবিষয়ক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে বিনামূল্যে ডিম বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।

১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) বিশ্ব ডিম দিবস পালনের ঘোষণা দেয়। সেই হিসাবে ২০২৬ সালে দিবসটির ৩০ বছর পূর্ণ হলো।

এবারের ৩০তম বার্ষিকীতে ‘এগউইন’ নামে একটি মাসকট চালু করা হয়েছে। সব বয়সী মানুষের মধ্যে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এর উদ্দেশ্য।

ডিমে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি কোলিন, আয়রন ও ভিটামিন বি-১২ রয়েছে। ডিমের কুসুমে থাকা কোলিন শিশুদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া ডিমে থাকা লুটিন ও জিয়াজ্যানথিন চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

দেশে ডিমের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়লেও নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন খামারিরা। পোল্ট্রি ফিড, বাচ্চা, ওষুধ ও জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব ও সরবরাহব্যবস্থার নানা সমস্যায় খামার পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য এবং খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে।

ফলে অনেক সময় ভোক্তাকে বেশি দামে ডিম কিনতে হলেও খামারিরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। এতে বিশেষ করে প্রান্তিক খামারিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন।

শিশুদের অপুষ্টি ও খর্বকায়তা কমানো এবং মেধার বিকাশে জাতীয় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতেও ডিম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ডিম উৎপাদন করে চীন। দেশটিতে বছরে প্রায় ৬১৭ বিলিয়ন বা ৬১ হাজার ৭০০ কোটি ডিম উৎপাদিত হয়, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

অন্যদিকে মাথাপিছু ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটিতে বছরে গড়ে একজন মানুষ ৪০৯টি ডিম খান। জাপানে এই সংখ্যা ৩৩৭টি। উন্নত দেশগুলোতে মাথাপিছু বার্ষিক ডিমের ব্যবহার গড়ে ২৭০ থেকে ৩০০টির মধ্যে।

সেই তুলনায় বাংলাদেশে মাথাপিছু ডিমের ব্যবহার এখনো কম। উৎপাদন ও বিপণনব্যবস্থার সমস্যাগুলো সমাধানের পাশাপাশি ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গেলে দেশে এর ব্যবহার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সৌদিতে বিমানবন্দরে হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৩৬

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
সৌদিতে বিমানবন্দরে হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৩৬

সৌদি আরবের দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক হামলায় তিনজন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

মঙ্গলবার ও বুধবার (৬ ও ৭ অক্টোবর) রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসব হামলা হয়। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেছে।

সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহা বিমানবন্দরে হামলায় মরক্কো ও আলজেরিয়ার দুই নারী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৮ জন। আহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি ও একজন ফিলিপাইনের নাগরিক রয়েছেন। তাদের আঘাত সামান্য থেকে গুরুতর বলে জানানো হয়েছে। তবে আহত বাংলাদেশির পরিচয় বা শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানানো হয়নি।

অন্যদিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় সুদানের এক নাগরিক নিহত হন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজন সৌদি, দুজন মিসরীয় এবং একজন পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছেন।

আহত সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হামলায় বিমানবন্দরের কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন এবং আবহা বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে হামলার জন্য সরাসরি কোনো পক্ষকে দায়ী করেনি।

সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সংঘাত বেড়েছে। এর মধ্যেই সৌদি আরবের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি