খুঁজুন
                               
, ,
           

স্টারলিংক নিয়ে মুখোমুখি মাস্ক-ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
স্টারলিংক নিয়ে মুখোমুখি মাস্ক-ভারত

ভারতের বিশাল বাজারে প্রবেশের অপেক্ষায় ইলন মাস্কের স্টারলিংক। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পাওয়ার পরও দেশটিতে বাণিজ্যিক সেবা চালু করতে পারছে না স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি। আর এই বিলম্ব নিয়েই এবার সরাসরি মুখোমুখি হয়েছে স্টারলিংক ও ভারত সরকার।

স্পেসএক্সের কর্ণধার ইলন মাস্ক অভিযোগ করেছেন, ভারতের কিছু ‘অলিগার্ক’ ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নিজেদের একচেটিয়া ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্টারলিংকের প্রবেশ ঠেকিয়ে দিচ্ছে। তবে তার এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি।

ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দাবি, স্যাটেলাইট যোগাযোগ সেবার জন্য দেশটিতে একটি ন্যায্য ও বৈষম্যহীন নিয়ন্ত্রক কাঠামো রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আটকে রাখার সুযোগ নেই; বরং লাইসেন্সপ্রাপ্ত সব কোম্পানিকেই একই ধরনের নিরাপত্তা যাচাই ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করতে হচ্ছে।

মাস্কের অভিযোগ, ‘একচেটিয়া ব্যবসা’ রক্ষায় বাধা

বুধবার (৭ অক্টোবর)  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক প্রশ্ন তোলেন, ভারতে স্টারলিংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করতে কারা বাধা দিচ্ছে। তার অভিযোগ, ভারতের কিছু প্রভাবশালী ‘অলিগার্ক’ নিজেদের একচেটিয়া ব্যবসায়িক প্রভাব বজায় রাখার স্বার্থে স্টারলিংকের প্রবেশ আটকে দিচ্ছেন। মাস্কের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ভারতের বাজারে স্টারলিংকের প্রবেশ নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনায় এসেছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে—স্টারলিংককে আলাদাভাবে আটকে রাখা হচ্ছে না।

পাল্টা জবাব দিল ভারত

মাস্কের অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানায়, স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবার লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে সব প্রতিষ্ঠানের জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকেই নির্ধারিত নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করতে হয়। বর্তমানে লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা মূল্যায়ন চলছে। অর্থাৎ, ভারতের দাবি—স্টারলিংকের জন্য আলাদা কোনো বাধা তৈরি করা হয়নি; বরং দেশটির নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মধ্য দিয়েই এগোতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে।

তিন প্রতিষ্ঠান পেয়েছে লাইসেন্স

ভারতে স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবা চালুর দৌড়ে বর্তমানে তিনটি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইলন মাস্কের স্টারলিংক, ভারতী গ্রুপ-সমর্থিত ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং জিও প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন জিও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনস। এ ছাড়া জেফ বেজোসের অ্যামাজন লিও-ও লাইসেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতীয় মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, লাইসেন্স পাওয়া তিন প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে প্রায় একই নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে রয়েছে। নিরাপত্তা যাচাই শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য পরবর্তী ধাপে যেতে পারবে।

এক বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় স্টারলিংক

স্টারলিংক ভারতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পেয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু এখনো দেশটিতে বাণিজ্যিক পরিষেবা চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ভারতে সেবা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর বড় অংশ ইতোমধ্যে প্রস্তুত।

ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস ২০২৬-এ স্পেসএক্সের স্টারলিংক বিজনেস অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার জানান, ভারতে ইতোমধ্যে ২০টি গেটওয়ে সাইট স্থাপন করা হয়েছে। এসব সাইটে রয়েছে শত শত অ্যান্টেনা। শুধু অবকাঠামো নয়, ভারতীয় নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করতে ব্যবহারকারীদের তথ্য দেশটির ভেতরেই সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করেছে স্টারলিংক।

তাহলে আটকে আছে কোথায়?

স্টারলিংকের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর পথে এখন মূল বাধা হিসেবে সামনে এসেছে নিরাপত্তা যাচাই ও স্পেকট্রাম বরাদ্দের প্রক্রিয়া। ভারত বলছে, প্রক্রিয়াটি সব লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমান। আর মাস্কের অভিযোগ—প্রভাবশালী ব্যবসায়িক স্বার্থ স্টারলিংকের প্রবেশে বাধা তৈরি করছে। এই দুই বিপরীত বক্তব্যের মধ্যেই ভারতের প্রায় দেড়শ কোটি মানুষের বিশাল বাজারে স্টারলিংকের প্রবেশ এখনো অনিশ্চিত।

সামনে বড় বাজার, তাই লড়াইটাও বড়

স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের বৈশ্বিক বাজারে ভারতকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে দেখা হয়। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে স্টারলিংকের মতো স্যাটেলাইটভিত্তিক সেবার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারতের নিরাপত্তা, তথ্য সংরক্ষণ ও স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর অবস্থান স্টারলিংকের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্রশ্ন এখন একটাই—মাস্কের অভিযোগের পর কি দ্রুত মিলবে স্টারলিংকের চূড়ান্ত অনুমোদন, নাকি ভারতের কঠোর নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ায় আরও দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে বিশ্বের অন্যতম আলোচিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানটিকে?

কালের আলো/জেএন

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

১৮ কোটি মানুষের নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
১৮ কোটি মানুষের নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে উন্নয়ন সহযোগী বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে কীভাবে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া যায়, বৈঠকে মূলত সে বিষয়েই আলোচনা হয়েছে। পানি মানুষের জীবনের জন্য অপরিহার্য হলেও দূষিত ও জীবাণুযুক্ত পানি মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।

পানির সংকটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে এবং উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে পানিপ্রবাহ কমছে। এর ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলে মরুকরণ বা মরুভূমির মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি দক্ষিণাঞ্চলের দিকে আরও ওপরে উঠে আসছে। এতে ওই অঞ্চলে পানীয় জলের সংকট বাড়ছে।

মন্ত্রী বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। এ লক্ষ্যে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বৈঠকে ইউনিসেফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটারএইডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগ ও অর্থায়ন সমন্বয় করে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া। এ লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন সংস্থাকে মিলিয়ে যে প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তার মোট পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নীলের আবেশে জয়া আহসান, মুগ্ধ ভক্তরা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
নীলের আবেশে জয়া আহসান, মুগ্ধ ভক্তরা

বয়স বাড়ছে, অথচ সৌন্দর্যের দীপ্তিতে যেন উল্টো চলছে সময়ের ঘড়ি। পর্দায় কিংবা পর্দার বাইরে—জয়া আহসানকে দেখলে এমন মন্তব্য প্রায়ই শোনা যায়। অভিনয়ের বৈচিত্র্য দিয়ে দুই বাংলার দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রী এবার নীল রঙের আবেশে ধরা দিয়ে ফের আলোচনায়।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন জয়া আহসান। নীল পোশাকে ক্যামেরার সামনে তার উপস্থিতি, সঙ্গে মায়াবী চোখের চাহনি—সব মিলিয়ে ছবিগুলো প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রশংসার ঝড়।

ছবিগুলো দেখে অনেকেরই মন্তব্য, সময় যত এগোচ্ছে জয়ার সৌন্দর্য যেন ততই আরও তরুণ হয়ে উঠছে।

‘নীল রং আমাতেই সাজে’

নতুন ছবিগুলোর সঙ্গে নিজের মুডের কথাও জানিয়েছেন জয়া। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘নীল রং আমাতেই সাজে, আর আমার মুড পুরোপুরি আমার নিজের।’

তার এই আত্মবিশ্বাসী ক্যাপশনের সঙ্গে ছবিগুলোর আবহও যেন বেশ মানানসই। নীল পোশাক, শান্ত অথচ গভীর দৃষ্টি আর স্বাভাবিক অভিব্যক্তিতে অভিনেত্রীকে দেখা গেছে একেবারেই নিজের মতো করে।

কোনো জাঁকজমকপূর্ণ সেট কিংবা ভারী সাজসজ্জা নয়—সরল উপস্থিতিতেই নজর কেড়েছেন তিনি।

চোখের চাহনিতে মুগ্ধ নেটিজেনরা

জয়ার নতুন ছবিগুলো প্রকাশের পর কমেন্ট বক্সে ভক্তদের প্রশংসার কমতি নেই। কেউ তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার বয়সকে হার মানানো তার উপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

রুবেল নামে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘আমি ছোটবেলা যেমন দেখছি, এখনো ঐরকম দেখি।’

সালাউদ্দিন নামে আরেকজন মজার ছলে লিখেছেন, ‘হুম, জানি আমার বিরহে কাতর হয়ে আছো, তাই বলে গরমে এই জামা পরে নিজেকে কষ্ট দেওয়ার মানে আছে? আরেকটা কথা, হেব্বি লাগছে।’

হুমায়ূন কবীর লিখেছেন, ‘নীল রং দেখলে মনটা জানি কেমন হয়ে যায়। সুন্দর, অনেক সুন্দর।’

শারমিন ফারা নামের এক ভক্তের মন্তব্য, ‘উনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছেন।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘নীলটা আপনার ওপর যতটা সুন্দর, তার চেয়েও সুন্দর আপনার mood, পুরো vibe-টাই একদম নিজের মতো।’

অভিনয়েই যার আলাদা পরিচয়

বাংলাদেশের নাটক ও চলচ্চিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও জয়া আহসান এখন দুই বাংলার চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। বৈচিত্র্যময় চরিত্র বেছে নেওয়া এবং প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের কারণে তিনি পেয়েছেন আলাদা গ্রহণযোগ্যতা। বাংলাদেশের পাশাপাশি কলকাতার চলচ্চিত্রেও একের পর এক ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এই অভিনেত্রী।

শুধু গ্ল্যামার নয়, অভিনয়ের গভীরতা ও চরিত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রেও জয়া বরাবরই নিজের মতো করে হাঁটেন। আর সেই কারণেই তার নতুন কোনো ছবি, সিনেমা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট—সবই সহজেই পরিণত হয় আলোচনার কেন্দ্রে।

প্রকৃতির কাছেই খুঁজে নেন নিজের জগৎ

সিনেমার ঝলমলে জগতের বাইরে জয়ার ব্যক্তিগত পছন্দেও রয়েছে প্রকৃতির প্রতি টান। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি খোলামেলা না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নানা মুহূর্তের ছবি ও অনুভূতি ভাগ করে নেন তিনি। সেখানেই কখনো প্রকৃতি, কখনো নিস্তব্ধতা, কখনো আবার একেবারে সাধারণ কোনো মুহূর্তে ধরা দেন অভিনেত্রী। এবারও নীলের আবেশে তোলা ছবিগুলোতে সেই স্বাভাবিক জয়ার উপস্থিতিই যেন ফুটে উঠেছে। আর তাই নতুন ছবিগুলো ঘিরে ভক্তদের উচ্ছ্বাসের মূল কথাটাও এক—সময় যত যাচ্ছে, জয়ার সৌন্দর্য যেন ততই নতুন করে ধরা দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন

সড়ক খাতের নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
সড়ক খাতের নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: রিজভী

সড়ক পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধ করে মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, সড়ক খাতের মাফিয়াভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ দূর করে আইনি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নতুন কমিটিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। এ সময় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নতুন কমিটির নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সড়ক পরিবহন খাতকে ঘিরে যে কথিত মাফিয়াভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ গড়ে উঠেছে, তা দূর করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শ্রমিক ফেডারেশনের নতুন নেতৃত্ব পরিবহন খাতের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে পরিবর্তন আনতে সোচ্চার থাকবে। একই সঙ্গে সাধারণ শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নেও তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিবহন খাত আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রিজভী বলেন, নতুন নতুন ধারণা ও উদ্যোগের মাধ্যমে এ খাতকে নতুন করে সাজাতে হবে। দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা দূর করে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাকে আইনসঙ্গত করার পাশাপাশি যাত্রীসেবায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা দায়িত্বে এলে গত ১৭ বছরের ধারাবাহিক নৈরাজ্যের স্থায়ী অবসান ঘটবে।

এর আগে জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নতুন সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, কার্যকরী সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু এবং সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম রাজুর নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যানার ও মিছিল নিয়ে সমাধিতে উপস্থিত হন। পরে রিজভী নতুন কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি