খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

মিডিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা, পুলিশ-র‌্যাব-আনসারের প্রশংসা সেনাপ্রধানের (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
মিডিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা, পুলিশ-র‌্যাব-আনসারের প্রশংসা সেনাপ্রধানের (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

করোনা যুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা ও সচেতনতার কাজে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রমেরও প্রশংসা করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

আরও পড়ুন: আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলে সেনাপ্রধান, ‘তুঙ্গে’ সেনা সদস্যদের মনোবল (ভিডিও)

একই সঙ্গে অদৃশ্য ভয়ঙ্কর জীবাণুর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষায় সেনাবাহিনীর কাজে উৎসাহ দেওয়ার জন্য গণমাধ্যমের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১ টার দিকে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে নিজের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সাধারণ জনগণকে সচেতন করার পর্যাপ্ত কাজ করা হয়েছে।

কেবল সেনাবাহিনীই নয়, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মিডিয়া সবাই সম্মিলিতভাবেই এ কাজ করেছেন। সাংবাদিকরা লেখার মাধ্যমে সচেতন করেছেন ‘ঘর থেকে বের হলে মাস্ক ছাড়া বের হবেন না’, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন ইত্যাদি।’

নিজের বক্তব্যে দুই দফা দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীরা সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কর্মকান্ডগুলো মিডিয়াতে দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে দেশ ও জাতি জানতে পারছে সেনাবাহিনী কী কী কর্মকান্ড করছে।

আমাদের অন গ্রাউন্ডে কষ্ট করে কাজ করা সৈনিকরা এতে উৎসাহিত হচ্ছেন। আপনারা প্রতিনিয়তই আমাদের উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন।’

মিডিয়ার এমন সহযোগিতার ধারাবাহিকতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘মিডিয়া আমাদের উৎসাহ দিয়ে যাবেন যাতে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘এই সেনাবাহিনীর প্রতি যেমন জনগণের অগাধ আস্থা, প্রত্যাশা রয়েছে তেমনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আস্থা, প্রত্যাশা ও বিশ্বাস রয়েছে।

সেনাপ্রধান হিসেবে বলবো, দেশের যে কোন প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অতীতের মতোই আমরা সব রকম সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

আমাদের সৈনিকরা অনেক কষ্ট করে কাজ করছেন। আগামী দিনেও যে কোন কাজ আমরা আন্তরিকতার সঙ্গেই সম্পন্ন করবো। আমরা যখন যে কাজ করি সেটি ভালোভাবেই করার চেষ্টা করি।

এজন্য স্থানীয় প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সময়োপযোগী সহযোগিতা চাই। এ সহযোগিতা পেলে আমরা ভালোভাবেই কাজ করে দিয়ে যাবো।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর ওপর অর্পিত দায়িত্বের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকার আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে।

সিরাজগঞ্জ, জামালপুরে বিভিন্ন বাঁধ রক্ষার কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ কাজগুলো শতভাগ আন্তরিকতা ও সুন্দরভাবেই সম্পন্ন করেছি।’  

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রজেক্ট সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী নিরলসভাবে এ কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার উন্নতি হচ্ছে। এ কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা থাকবে না, ইনশাল্লাহ।’

এদিন কপ্টারে ঢাকা থেকে সকাল ১০ টায় সেনাপ্রধান সাতক্ষীরায় পৌঁছার পরই সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো.হুমায়ুন কবিরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।

পরে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ নিজ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন ও বাঁধ নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর সেনাপ্রধান খুলনার কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

কালের আলো/এসআর/এমএএএমকে

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে

সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাকে আনতে ইতোমধ্যেই ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার।

তিনি বলেন, দুই দিনের সফরে লালমনিরহাট সফরে আজকে (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে এসে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি রেস্টরুমে গিয়ে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে অস্বস্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন মন্ত্রী। পরে তাকে দ্রুত সৈয়দপুর সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গফুর সরকার আরও বলেন, পরে নেতাকর্মীদের পরামর্শে মন্ত্রীকে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের বিমানে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বিমানে যেতে পারেননি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে সৈয়দপুর পৌঁছালে সেটিতে মন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

কালের আলো /এসএকে