খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

গন্ডির বাইরে মানবিক বৈভবে সেনাবাহিনী, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
গন্ডির বাইরে মানবিক বৈভবে সেনাবাহিনী, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

মাত্র ১২ দিন হলো সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এরই মধ্যে সরকারের নির্দেশে ‘লকডাউন’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে দেশের প্রতিটি অঞ্চলেই অগ্রভাগে থাকতে হচ্ছে অকুতোভয় দেশপ্রেমিক সেনাদের।

আরও পড়ুন: বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রোকন উদ্দিন আহমেদের সন্তানই এখন দেশের সেনাপ্রধান

দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে দিন-রাত নিজ বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক কার্যক্রম নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন সেনাপ্রধান। কিন্তু এবার বাস্তবিক অর্থেই এসব কর্মযজ্ঞ নিজ চোখে দেখতে করোনা ঝুঁকিকে তুচ্ছ করে মঙ্গলবার (০৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সফর করেছেন তিনি।

সেনাপ্রধান হিসেবে এটি জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের প্রথম কোনো জেলা সফর। এদিন সকালে ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল এলাকায় টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করে নিজ বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন।

পরে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গেও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন জেনারেল শফিউদ্দিন। ময়মনসিংহ এলাকায় চলমান ‘অপারেশন কোভিড শিল্ডে’র দ্বিতীয় পর্বে সেনাবাহিনী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ও কার্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের দিক-নির্দেশনায় কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাবে।’

সেনাপ্রধানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও পেশাগত দক্ষতায় বলীয়ান সেনা সদস্যরা নতুনভাবে প্রাণিত ও উদ্দীপ্ত হয়েছেন।

সূত্র জানায়, জেনারেল এস এম শফিউদ্দিনের নেতৃত্বে চিরায়ত গণ্ডির বাইরে এসে বিপুল মানবিক বৈভব নিয়েই সাধারণ মানুষের মধ্যে মহামারি প্রতিরোধে দেশজুড়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে চলেছেন সেনা সদস্যরা। নিজেদের রেশনের টাকায় অভাবী, দুস্থ ও অসহায়ের মুখে ফুটিয়ে যাচ্ছেন অনাবিল মুগ্ধতার হাসি। সেনাদের খাবারে নিরন্ন ও দরিদ্র মানুষের মুখে দোল খেয়েছে আনন্দের আলো।

নিজেদের বুকভরা সাহস এবং গর্বিত গরিমায় দেশপ্রেমের নাক্ষত্রীয় আভায় উদ্ভাসিত মনোলোক ধারণ করে সেনা সদস্যরা রচনা করেছেন মহিমান্বিত বিরল অমরগাথা। অপরিসীম মমত্ব ও কর্তব্যবোধে নিজেরাই প্রস্তুত ও উন্মুক্ত করেছেন গতিময় এক আলোর ফটক। জয় করেছেন জনহৃদয়ও।

এর আগেও বঙ্গবন্ধুকন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে দুস্থ ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানাবিধ কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

সূত্র মতে, শতভাগ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে চলমান কঠিন সময়ে মানবিক কর্মযজ্ঞে বিস্ময়ামুখী এক সৌন্দর্যবোধও যেন তৈরি করেছেন সেনা সদস্যরা। সাধারণ মানুষকে প্রাণঘাতী করোনা থেকে সুরক্ষিত করতে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে দিন-রাত সড়কে সড়কে অবস্থান করছেন। কঠোর মানসিকতার চেনা প্রথা থেকে নিজেদের দূরে রেখেছেন।

প্রাণঘাতী করোনা থেকে রক্ষায় সচেতনতাই যে মৌলিক ও অনিবার্য- এ বক্তব্যই গেঁথে দিচ্ছেন পথচলতি মানুষের মন-মননে। এসবের মাধ্যমে সত্যপ্রিয়তা ও মানবতাবোধের পূর্ণতার আলোকেও সমুজ্জ্বল করছেন নিজেদেরে। বাস্তবের রূঢ় সত্যকে চিরন্তন সুন্দরের সঙ্গে মিশিয়ে তাঁরা করে তুলেছেন সর্বাঙ্গসুন্দর।

সেনাপ্রধানের এ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আর্মি ট্রেনিং ও ডকট্রিন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, সেনা সদর দপ্তরের অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, সামরিক গোয়েন্দা পরিদপ্তরের (এমআই) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ. ফ. ম. আতিকুর রহমান, ময়মনসিংহ স্টেশন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।

আর্টডক সূত্র জানায়, কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ প্রতিরোধে অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যে গত ১ জুলাই থেকে দেশব্যাপী সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের সদস্যরা ময়মনসিংহ জেলায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করছেন।

করোনা মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ পরিবারদের মাঝে নিজস্ব তহবিল থেকে খাবার সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করছে।

জানা গেছে, সেনাপ্রধান পদে নিয়োগের আগে দক্ষতার সঙ্গে আর্মি ট্রেনিং ও ডকট্রিন কমান্ডকে (আর্টডক) নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ওই সময় ময়মনসিংহে অপারেশন কোভিড শিল্ডের প্রথম পর্ব পরিচালনা করে আর্টডক। এরপর তিনি সেনা সদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) হিসেবে সুনাম ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

কালের আলো/আরআই/এমএএএমকে

সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাকে আনতে ইতোমধ্যেই ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার।

তিনি বলেন, দুই দিনের সফরে লালমনিরহাট সফরে আজকে (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে এসে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি রেস্টরুমে গিয়ে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে অস্বস্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন মন্ত্রী। পরে তাকে দ্রুত সৈয়দপুর সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গফুর সরকার আরও বলেন, পরে নেতাকর্মীদের পরামর্শে মন্ত্রীকে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের বিমানে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বিমানে যেতে পারেননি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে সৈয়দপুর পৌঁছালে সেটিতে মন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

কালের আলো /এসএকে

বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নে যে উদ্যোগ সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নে যে উদ্যোগ সরকারের

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। আমদানি থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল মডেলের আওতায় আনা হবে, যাতে বাজার তদারকি সহজ হয় এবং কোনো ধরনের কারসাজি দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সিলেট নগরীর টিলাগড় পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় প্রথমবারের মতো সরকারি ব্যবস্থাপনায় ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। টিসিবির মাধ্যমে অধিক পরিমাণে পণ্য আমদানি করে বাজারে একটি কার্যকর ‘কাউন্টার ব্যালেন্স’ তৈরি করা হবে।

কৃষিখাতের উন্নয়নে সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং খাল পুনঃখননের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারের নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং ভবিষ্যতে দেশের বাজার আরও স্থিতিশীল হবে।

মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী দামে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে সিলেটে প্রথমবারের মতো সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়েছে ‘কৃষকের হাট’। সিলেট জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ‘সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নিরাপদ ও তাজা পণ্য’ স্লোগানে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তাদের কাছে বিক্রির সুযোগ পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য আনতে সরকার নানা ধরনের নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

অনেক সময় উৎপাদক থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে কৃষিপণ্য চার থেকে পাঁচবার হাতবদল হয়, ফলে অযৌক্তিকভাবে দাম বেড়ে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কৃষকের হাট’ এই মধ্যবর্তী স্তর কমিয়ে কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে। কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে বাজারে স্বস্তি আসবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত স্থানে সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে এই হাট বসবে, যেখানে কৃষকরা সরাসরি পণ্য বিক্রি করবেন। প্রশাসনের নজরদারির কারণে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অপ্রত্যাশিত খরচের সুযোগ থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে রাস্তার পাশে ঝোপে মিলল জীবিত নবজাতক

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলে রাস্তার পাশে ঝোপে মিলল জীবিত নবজাতক

টাঙ্গাইলের সখীপুরে রাস্তার পাশের ঝোপ  থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বারোমন্ডলের চালা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর ছালাম বলেন, ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি হঠাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে রাস্তার পাশের ঝোপঝাড়ের ভেতরে গিয়ে নবজাতকটিকে দেখতে পান। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে কোনো কাপড় ছিল না, শুধু একটি পাতলা কাঁথায় মোড়ানো ছিল। এরপর দ্রুত শিশুটিকে সখীপুর মা ও শিশু ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. শামসুল আলমের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রাতে বাইরে থাকার কারণে শিশুটির শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, শিশুটি এক নিঃসন্তান দম্পতি ইব্রাহিম ও নার্গিসের হেফাজতে রয়েছে। তারা শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, রাস্তার পাশ থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধারের বিষয়টি জেনেছি। শিশুটির চিকিৎসা চলমান রয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ