খুঁজুন
                               
, ,
           

অর্ডন্যান্স কোরের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ, সততা-শৃঙ্খলায় জোর জিওসি’র (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
অর্ডন্যান্স কোরের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ, সততা-শৃঙ্খলায় জোর জিওসি’র (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

প্রায় ৪০ সপ্তাহের নিবিড় কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে বিরল এক মুহুর্তের মুখোমুখি প্রত্যেকে। সবার মাঝেই বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। এই আনন্দ ছুঁয়ে গেছে অভিভাবক থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদেরও।

প্রত্যেকের চোখের তারায় খেলা করছে দেশমাতৃকার সেবার অমিত সম্ভাবনার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে যেন আরও স্বার্থক ও মহিমান্বিত করলেন জিওসি এবং লজিস্টিকস্ এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম। তিনি উপদেশ দিলেন সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার সঙ্গে পথচলার।

চৌকষ ও মেধাবী সৈনিকদের মস্তিষ্কে গেঁথে দিলেন যেকোন পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের।

বুধবার (১০ নভেম্বর) রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসস্থ অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুলে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুল’র রিক্রুট ব্যাচের মনোজ্ঞ শপথগ্রহণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এভাবেই নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি নবীন সৈনিকদের অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানান জিওসি এবং লজিস্টিকস্ এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম।

মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে জিওসি মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলামের অনুপ্রেরণা সঞ্চারী বক্তব্য নবীন সৈনিকদের দেশপ্রেম ও আত্নত্যাগে উদ্ধুদ্ধ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নবীন সৈনিকদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, গৌরব ও আনন্দের দিন
নিজের বক্তব্যের শুরুতেই জিওসি মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

নবীন সৈনিকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুল’র ২০২১ রিক্রুট ব্যাচের মনোজ্ঞ শপথগ্রহণ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করতে পেরে আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি। নবীন সৈনিকবৃন্দ, তোমাদের জন্য এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, গৌরব ও আনন্দের।

কঠোর পরিশ্রম, নিরলস প্রচেষ্টা এবং একান্ত নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘ ৪০ সপ্তাহ নিবিড় প্রশিক্ষণ সফলতার সাথে সম্পন্ন করে আজ তোমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য শাখা-অর্ডন্যান্স কোরের একজন চৌকষ সৈনিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছ। এই শুভক্ষণে আমি তোমাদেরকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।’

লজিস্টিকস্ এরিয়ার এই এরিয়া কমান্ডার আরও বলেন, ‘দৃপ্ত হস্ত করি সশস্ত্র’- এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত অর্ডন্যান্স কোরের ইতিহাস গৌরবময় ও ঐতিহ্যমণ্ডিত। দীঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, কর্মদক্ষতা, ত্যাগ এবং সেবার স্বীকৃতিস্বরুপ ২০১১ সালের ১১ সেপ্টম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুলকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

অর্ডন্যান্স কোরের সদস্যরা দেশ ও বিদেশ এক্সপ্লসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল (ইওডি) এবং ইমপ্রুসিভ এক্সপ্লসিভ ডিভাইস ডিসপোজাল (আইইডিডি) এর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকান্ডে অত্যন্ত পারদর্শিতার সাথে বহুদিন যাবত অংশগ্রহণ করে আসছে।

নিজেদের পেশাগত দক্ষতা, বুদ্ধিদীপ্ত বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং নিষ্ঠার দ্বারা এই কোরের এটিও এবং এটি’রা দেশে এবং বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে। অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই গুরুদায়িত্ব আজ তোমাদের ওপর অর্পিত হল।’

সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা সৈনিক জীবনের মূলমন্ত্র
‘সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা হতে হবে তোমাদের সৈনিক জীবনের মূলমন্ত্র’ গুরুত্বের সঙ্গেই উচ্চারণ করেন মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নিয়মিত অধ্যয়ন, শরীরচর্চা, কঠার প্রশিক্ষণ এবং নিরলস অনুশীলনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তোমাদের পেশাগত দক্ষতা অর্জন ও শারীরিক যোগ্যতার মান বজায় রাখতে হবে। সর্বদা স্মরণ রাখবে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আগ্রহ, প্রচেষ্টা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের কোন বিকল্প নেই।

মনে রাখতে হবে একজন চৌকষ সেনাসদস্য হতে হলে তোমাদের আগে সৎ, সুশৃঙ্খল ও ভালো মানুষ হতে হবে। একজন ভাল সন্তান, ভালো ভাই/বোন, ভালো পিতা/মাতা হওয়ার গুণাবলী নিজেদের মাঝে বজায় রাখলেই তোমরা এই সেনাবাহিনীর মূল্যবোধ ও চেতনাকে ধারণ করে হয়ে উঠতে পারবে নিবদিতপ্রাণ দেশকর্মী।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সববিষয়ে শ্রেষ্ঠ রিক্রুট তপু রায়হান, দ্বিতীয় সেরা রিক্রুট মো: হৃদয় হোসাইন এবং তৃতীয় সেরা রিক্রুট মো: মাইদুল ইসলামকে অভিনন্দন জানান। সাফল্যের এই ধারায় তাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনেও অব্যাহত রাখার শুভ কামনা জানান তিনি।

কালের আলো/জিকেএম/এমকে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট নিতে সংসদে গেলেন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট নিতে সংসদে গেলেন সিইসি

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করতে জাতীয় সংসদে গেলেন ‌‘নির্বাচন কর্তা’ হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে তিনি নির্বাচন ভবন ত্যাগ করেন।তার সঙ্গে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও সেখানে যান।

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সংসদে যান সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ ২০ কর্মকর্তা। ভোটগ্রহণ চলবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এতে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় ওই আসনের ভোটার নেই। ভোটগ্রহণ শেষে সংসদেই ফল ঘোষণা দেবেন নির্বাচনী কর্তা।

এরপর রাতের মধ্যেই হবে গেজেট। শুক্রবার (২১ আগস্ট) নয়া রাষ্ট্রপতির শপথ হবে। ১৯৯১ সালের পর এবার ভোটগ্রহণ হচ্ছে।২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করলে ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের জন্য ২০ আগস্ট ভোটের তারিখ রেখে তফসিল ঘোষণা করে ইসি।

বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাইয়ে বৈধ হলে কোনো প্রার্থীই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ভোটগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ট্রায়ালে টিকা দিয়ে ঠেকানো গেছে ক্যানসারের ফিরে আসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ
ট্রায়ালে টিকা দিয়ে ঠেকানো গেছে ক্যানসারের ফিরে আসা

একটি নতুন ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্যানসার টিকা ইমিউনোথেরাপির একটি ওষুধের সঙ্গে প্রয়োগ করে মেলানোমা রোগীদের ক্যানসার ফিরে আসার ঝুঁকি কমানোর প্রাথমিক সাফল্য পাওয়া গেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে সম্ভাবনাময় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক ও মডার্না যৌথভাবে তৈরি করেছে ‘ইন্টিসমেরান’ নামের এই টিকা। উচ্চ ঝুঁকির মেলানোমা রোগীদের অস্ত্রোপচারের পর টিকাটি দেওয়া হয়।০

তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় এক হাজারের বেশি রোগী অংশ নেন। তাঁদের সবারই উচ্চ ঝুঁকির দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ পর্যায়ের মেলানোমা ছিল।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, কিট্রুডার সঙ্গে টিকাটি ব্যবহার করলে শুধু কিট্রুডা নেওয়ার তুলনায় রোগীরা বেশি সময় ক্যানসারমুক্ত থাকতে পেরেছেন। একই সঙ্গে শরীরের অন্য অঙ্গে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমেছে বলে জানিয়েছে দুই প্রতিষ্ঠান।

তবে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা ও যাচাইও বাকি রয়েছে। ফলে টিকাটি কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা এই ফলাফলকে আশাব্যঞ্জক বললেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। পরীক্ষার সব ধাপ শেষ হওয়ার পর চিকিৎসাটির জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এরপর যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস) ব্যবস্থায় এটি ব্যবহারের জন্যও আলাদা অনুমোদন লাগবে।

মেলানোমা হলো ত্বকের একটি গুরুতর ক্যানসার। ব্যক্তিকেন্দ্রিক এই ধরনের টিকা রোগীর ক্যানসারের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়, যাতে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে নির্দিষ্ট ক্যানসার কোষ শনাক্ত করে ধ্বংস করতে আরও কার্যকরভাবে সক্রিয় করা যায়।

প্রাথমিক এই ফলাফল সফল হলে ভবিষ্যতে অস্ত্রোপচারের পর ক্যানসার ফিরে আসা ঠেকাতে ব্যক্তিকেন্দ্রিক টিকার ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

সূত্রঃবিবিসি

কালের আলো/এসএ

৯০ ভোট জেনেও কেন অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
৯০ ভোট জেনেও কেন অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভোট না থাকার বিষয়টি জানা সত্ত্বেও কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয় প্রায় নিশ্চিত হলেও অলি আহমদকে সরিয়ে নেয়নি জোট।

বরং ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জামায়াত নেতাদের বক্তব্য, এই নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটাই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী পক্ষের প্রার্থী থাকা এবং সংসদ সদস্যদের ভোটে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য।

অলি আহমদের প্রার্থিতার বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ইতোমধ্যে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ১১ দল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন ধরনের গণতান্ত্রিক চর্চার ধারা তৈরির জন্য। তার ভাষায়, এখানে জয়-পরাজয় মুখ্য নয়; প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মূল বিষয়।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, অতীতে সাধারণত সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলই রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিত। এবার সেই ধারার বাইরে গিয়ে ১১ দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী থাকা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।
অলি আহমদের প্রার্থিতা নিয়ে জামায়াতের আরেকটি যুক্তি হলো, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ থাকলে নির্বাচনের ফল ভিন্ন হতে পারত। হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেন, গণভোটের রায় কার্যকর হলে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ পেতেন এবং সেক্ষেত্রে অলি আহমাদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন।

জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও বলা হচ্ছে, এই নির্বাচন শুধু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং সংসদে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির অবস্থান জানান দেওয়ার একটি সুযোগ। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের পাওয়া ভোট ভবিষ্যতের রাজনীতিতে তাদের শক্তির একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হবে।

তবে বাস্তব ভোটের হিসাবে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৯০ জন ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছেন। বিপরীতে বিএনপির রয়েছে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন। ফলে অলি আহমদের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এরপরও প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করে ভোটে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোট।

২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করলে ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের জন্য ২০ আগস্ট ভোটের তারিখ রেখে তফসিল ঘোষণা করে ইসি। বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাইয়ে বৈধ হলে কোনো প্রার্থীই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ভোটগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি