খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

অর্ডন্যান্স কোরের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ, সততা-শৃঙ্খলায় জোর জিওসি’র (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
অর্ডন্যান্স কোরের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ, সততা-শৃঙ্খলায় জোর জিওসি’র (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

প্রায় ৪০ সপ্তাহের নিবিড় কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে বিরল এক মুহুর্তের মুখোমুখি প্রত্যেকে। সবার মাঝেই বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। এই আনন্দ ছুঁয়ে গেছে অভিভাবক থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদেরও।

প্রত্যেকের চোখের তারায় খেলা করছে দেশমাতৃকার সেবার অমিত সম্ভাবনার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে যেন আরও স্বার্থক ও মহিমান্বিত করলেন জিওসি এবং লজিস্টিকস্ এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম। তিনি উপদেশ দিলেন সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার সঙ্গে পথচলার।

চৌকষ ও মেধাবী সৈনিকদের মস্তিষ্কে গেঁথে দিলেন যেকোন পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের।

বুধবার (১০ নভেম্বর) রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসস্থ অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুলে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুল’র রিক্রুট ব্যাচের মনোজ্ঞ শপথগ্রহণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এভাবেই নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি নবীন সৈনিকদের অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানান জিওসি এবং লজিস্টিকস্ এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম।

মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে জিওসি মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলামের অনুপ্রেরণা সঞ্চারী বক্তব্য নবীন সৈনিকদের দেশপ্রেম ও আত্নত্যাগে উদ্ধুদ্ধ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নবীন সৈনিকদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, গৌরব ও আনন্দের দিন
নিজের বক্তব্যের শুরুতেই জিওসি মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

নবীন সৈনিকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুল’র ২০২১ রিক্রুট ব্যাচের মনোজ্ঞ শপথগ্রহণ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করতে পেরে আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি। নবীন সৈনিকবৃন্দ, তোমাদের জন্য এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, গৌরব ও আনন্দের।

কঠোর পরিশ্রম, নিরলস প্রচেষ্টা এবং একান্ত নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘ ৪০ সপ্তাহ নিবিড় প্রশিক্ষণ সফলতার সাথে সম্পন্ন করে আজ তোমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য শাখা-অর্ডন্যান্স কোরের একজন চৌকষ সৈনিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছ। এই শুভক্ষণে আমি তোমাদেরকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।’

লজিস্টিকস্ এরিয়ার এই এরিয়া কমান্ডার আরও বলেন, ‘দৃপ্ত হস্ত করি সশস্ত্র’- এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত অর্ডন্যান্স কোরের ইতিহাস গৌরবময় ও ঐতিহ্যমণ্ডিত। দীঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, কর্মদক্ষতা, ত্যাগ এবং সেবার স্বীকৃতিস্বরুপ ২০১১ সালের ১১ সেপ্টম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুলকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

অর্ডন্যান্স কোরের সদস্যরা দেশ ও বিদেশ এক্সপ্লসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল (ইওডি) এবং ইমপ্রুসিভ এক্সপ্লসিভ ডিভাইস ডিসপোজাল (আইইডিডি) এর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকান্ডে অত্যন্ত পারদর্শিতার সাথে বহুদিন যাবত অংশগ্রহণ করে আসছে।

নিজেদের পেশাগত দক্ষতা, বুদ্ধিদীপ্ত বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং নিষ্ঠার দ্বারা এই কোরের এটিও এবং এটি’রা দেশে এবং বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে। অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই গুরুদায়িত্ব আজ তোমাদের ওপর অর্পিত হল।’

সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা সৈনিক জীবনের মূলমন্ত্র
‘সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা হতে হবে তোমাদের সৈনিক জীবনের মূলমন্ত্র’ গুরুত্বের সঙ্গেই উচ্চারণ করেন মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নিয়মিত অধ্যয়ন, শরীরচর্চা, কঠার প্রশিক্ষণ এবং নিরলস অনুশীলনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তোমাদের পেশাগত দক্ষতা অর্জন ও শারীরিক যোগ্যতার মান বজায় রাখতে হবে। সর্বদা স্মরণ রাখবে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আগ্রহ, প্রচেষ্টা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের কোন বিকল্প নেই।

মনে রাখতে হবে একজন চৌকষ সেনাসদস্য হতে হলে তোমাদের আগে সৎ, সুশৃঙ্খল ও ভালো মানুষ হতে হবে। একজন ভাল সন্তান, ভালো ভাই/বোন, ভালো পিতা/মাতা হওয়ার গুণাবলী নিজেদের মাঝে বজায় রাখলেই তোমরা এই সেনাবাহিনীর মূল্যবোধ ও চেতনাকে ধারণ করে হয়ে উঠতে পারবে নিবদিতপ্রাণ দেশকর্মী।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সববিষয়ে শ্রেষ্ঠ রিক্রুট তপু রায়হান, দ্বিতীয় সেরা রিক্রুট মো: হৃদয় হোসাইন এবং তৃতীয় সেরা রিক্রুট মো: মাইদুল ইসলামকে অভিনন্দন জানান। সাফল্যের এই ধারায় তাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনেও অব্যাহত রাখার শুভ কামনা জানান তিনি।

কালের আলো/জিকেএম/এমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ