খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

অর্ডন্যান্স কোরের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ, সততা-শৃঙ্খলায় জোর জিওসি’র (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
অর্ডন্যান্স কোরের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ, সততা-শৃঙ্খলায় জোর জিওসি’র (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

প্রায় ৪০ সপ্তাহের নিবিড় কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে বিরল এক মুহুর্তের মুখোমুখি প্রত্যেকে। সবার মাঝেই বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। এই আনন্দ ছুঁয়ে গেছে অভিভাবক থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদেরও।

প্রত্যেকের চোখের তারায় খেলা করছে দেশমাতৃকার সেবার অমিত সম্ভাবনার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে যেন আরও স্বার্থক ও মহিমান্বিত করলেন জিওসি এবং লজিস্টিকস্ এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম। তিনি উপদেশ দিলেন সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার সঙ্গে পথচলার।

চৌকষ ও মেধাবী সৈনিকদের মস্তিষ্কে গেঁথে দিলেন যেকোন পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের।

বুধবার (১০ নভেম্বর) রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসস্থ অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুলে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুল’র রিক্রুট ব্যাচের মনোজ্ঞ শপথগ্রহণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এভাবেই নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি নবীন সৈনিকদের অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানান জিওসি এবং লজিস্টিকস্ এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম।

মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে জিওসি মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলামের অনুপ্রেরণা সঞ্চারী বক্তব্য নবীন সৈনিকদের দেশপ্রেম ও আত্নত্যাগে উদ্ধুদ্ধ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নবীন সৈনিকদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, গৌরব ও আনন্দের দিন
নিজের বক্তব্যের শুরুতেই জিওসি মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

নবীন সৈনিকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুল’র ২০২১ রিক্রুট ব্যাচের মনোজ্ঞ শপথগ্রহণ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করতে পেরে আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি। নবীন সৈনিকবৃন্দ, তোমাদের জন্য এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, গৌরব ও আনন্দের।

কঠোর পরিশ্রম, নিরলস প্রচেষ্টা এবং একান্ত নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘ ৪০ সপ্তাহ নিবিড় প্রশিক্ষণ সফলতার সাথে সম্পন্ন করে আজ তোমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য শাখা-অর্ডন্যান্স কোরের একজন চৌকষ সৈনিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছ। এই শুভক্ষণে আমি তোমাদেরকে জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।’

লজিস্টিকস্ এরিয়ার এই এরিয়া কমান্ডার আরও বলেন, ‘দৃপ্ত হস্ত করি সশস্ত্র’- এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত অর্ডন্যান্স কোরের ইতিহাস গৌরবময় ও ঐতিহ্যমণ্ডিত। দীঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, কর্মদক্ষতা, ত্যাগ এবং সেবার স্বীকৃতিস্বরুপ ২০১১ সালের ১১ সেপ্টম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অর্ডন্যান্স সেন্টার এন্ড স্কুলকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

অর্ডন্যান্স কোরের সদস্যরা দেশ ও বিদেশ এক্সপ্লসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল (ইওডি) এবং ইমপ্রুসিভ এক্সপ্লসিভ ডিভাইস ডিসপোজাল (আইইডিডি) এর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকান্ডে অত্যন্ত পারদর্শিতার সাথে বহুদিন যাবত অংশগ্রহণ করে আসছে।

নিজেদের পেশাগত দক্ষতা, বুদ্ধিদীপ্ত বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং নিষ্ঠার দ্বারা এই কোরের এটিও এবং এটি’রা দেশে এবং বিদেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে। অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই গুরুদায়িত্ব আজ তোমাদের ওপর অর্পিত হল।’

সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা সৈনিক জীবনের মূলমন্ত্র
‘সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা হতে হবে তোমাদের সৈনিক জীবনের মূলমন্ত্র’ গুরুত্বের সঙ্গেই উচ্চারণ করেন মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নিয়মিত অধ্যয়ন, শরীরচর্চা, কঠার প্রশিক্ষণ এবং নিরলস অনুশীলনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তোমাদের পেশাগত দক্ষতা অর্জন ও শারীরিক যোগ্যতার মান বজায় রাখতে হবে। সর্বদা স্মরণ রাখবে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আগ্রহ, প্রচেষ্টা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের কোন বিকল্প নেই।

মনে রাখতে হবে একজন চৌকষ সেনাসদস্য হতে হলে তোমাদের আগে সৎ, সুশৃঙ্খল ও ভালো মানুষ হতে হবে। একজন ভাল সন্তান, ভালো ভাই/বোন, ভালো পিতা/মাতা হওয়ার গুণাবলী নিজেদের মাঝে বজায় রাখলেই তোমরা এই সেনাবাহিনীর মূল্যবোধ ও চেতনাকে ধারণ করে হয়ে উঠতে পারবে নিবদিতপ্রাণ দেশকর্মী।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সববিষয়ে শ্রেষ্ঠ রিক্রুট তপু রায়হান, দ্বিতীয় সেরা রিক্রুট মো: হৃদয় হোসাইন এবং তৃতীয় সেরা রিক্রুট মো: মাইদুল ইসলামকে অভিনন্দন জানান। সাফল্যের এই ধারায় তাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনেও অব্যাহত রাখার শুভ কামনা জানান তিনি।

কালের আলো/জিকেএম/এমকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে