খুঁজুন
                               
, ,
           

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে এআই ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের নীতিমালা, ৮২-১৬ ভোটে পাস ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট অ্যাক্ট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে এআই ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের নীতিমালা, ৮২-১৬ ভোটে পাস ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট অ্যাক্ট’

স্কুলশিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এখনো জাতীয় পর্যায়ে নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। এমন পরিস্থিতিতে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৯৮ জন কিশোর-কিশোরী একত্র হয়ে স্কুলে এআই ব্যবহারের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেছে।

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের এডওয়ার্ড এম কেনেডি ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে বিতর্ক করে। অংশগ্রহণকারীদের বেশির ভাগই উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আলোচনার পর শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট অ্যাক্ট’ ৮২-১৬ ভোটে পাস হয়। এটি অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত আইন নয়। তবে দেশটির প্রায় ১০ হাজার স্কুলনেতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন এএএসএ বিলটির সুপারিশগুলো তাদের সদস্যদের কাছে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, এআই ব্যবহারের কারণে যেন শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তা ও শেখার দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য স্পষ্ট সীমারেখা থাকা প্রয়োজন।

গ্রেড দেওয়া পরীক্ষায় এআই ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে অষ্টম শ্রেণি পার হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা সম্পাদনা, ধারণা তৈরি ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য এআই ব্যবহার করতে পারবে। সরাসরি এআই দিয়ে লেখা তৈরি করার অনুমতি থাকবে না।

এআই ব্যবহারের অনুমতি থাকলে শিক্ষার্থীদের কোথায় এবং কীভাবে এআই ব্যবহার করেছে, তা উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষা, হাতে লেখা পরীক্ষা বা আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বিষয়টি সত্যিই বুঝেছে কি না, তা যাচাইয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাজে এআই ব্যবহারের সন্দেহ হলে শুধু এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যারের ফলাফলের ভিত্তিতে ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, এমন অভিযোগ অন্তত দুজন স্কুল কর্মকর্তা পর্যালোচনা করবেন। শিক্ষার্থীদের যুক্তি, এআই শনাক্তকারী সফটওয়্যার সব সময় নির্ভুল নয়। তাই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে মানুষের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।

শ্রেণিকক্ষে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের এআই সম্পর্কে মৌলিক শিক্ষা দেওয়ার প্রস্তাবও করেছে তারা।

এর মধ্যে এআইয়ের মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য, পক্ষপাত, চৌর্যবৃত্তি, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, একাডেমিক কাজে এআই ব্যবহারের নিয়ম এবং পরিবেশের ওপর এআইয়ের প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার বিষয়গুলো রয়েছে।

শিক্ষকদের পাঠ পরিকল্পনা, অনুশীলনী তৈরি, শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক দেওয়া এবং পাঠদানের মান উন্নয়নে এআই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে, কোন কাজে এআই ব্যবহার করা যাবে এবং কোন কাজে তা ব্যবহার করা যাবে না।

স্কুলের এআই চ্যাটবটের মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী মানসিক সংকটের কথা জানালে কী করা হবে, তা নিয়েও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা হয়।

শেষ পর্যন্ত তাঁরা একমত হন, এমন পরিস্থিতিতে চ্যাটবটের নিজে থেকে পরামর্শ না দিয়ে স্কুলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে সতর্ক করা উচিত। অর্থাৎ সংকটের ক্ষেত্রে মানুষের হস্তক্ষেপকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের একজন এবং ডে অব এআইয়ের নির্বাহী পরিচালক জেফ্রি রাইলি বলেন, বড়রা এআই নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি। তাই এবার শিক্ষার্থীদেরই নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু স্কুলে এআই ব্যবহারের নিয়ম তৈরি করা নয়। এআইয়ের যুগে শিক্ষার্থীদের কীভাবে শেখানো হবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য তাঁদের কীভাবে প্রস্তুত করা হবে—সেই বড় প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজাও এর উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র: এনপিআর

কালের আলো/এসএ

অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নয়, সারা বছরই নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ জন্য ব্যবসায়ী সংগঠন, আমদানিকারক, উৎপাদক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে কয়েকটি শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পণ্য পরিবহনেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ঝড়-বৃষ্টিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে কিছু এলাকার বাজারে। তবে শীতকাল সামনে থাকায় নতুন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান। তার মতে, পণ্যের দামে সামান্য অস্বাভাবিক ওঠানামাও সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজার নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। তাই মূল্য স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের আস্থা ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, বাজার মনিটরিং জোরদারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যক্রম বাড়ানো হবে। পাশাপাশি আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে পণ্যের মজুত, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে ১ লাখ ৬ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া ভোজ্যতেলের কাঁচামাল বা সিড আমদানিও বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ে ২ লাখ ৭৩ হাজার টন সিড আমদানি হলেও চলতি বছরে তা বেড়ে ৩ লাখ ৮৬ হাজার টনে পৌঁছেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নিত্যপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের সরবরাহের বিভিন্ন ধাপ এ ব্যবস্থার আওতায় পর্যবেক্ষণ করা হবে। ডিম ও পোল্ট্রিসহ গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপণ্যকে প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) কেবল কথায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, কাজের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। রোগ নির্ণয় ও গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির তরুণ গবেষকরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

তাদের সক্ষমতা আরও বাড়াতে সরকার আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের উদ্যোগ নেবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহাখালীতে ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চে (আইইডিসিআর) ২য় বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’ শীর্ষক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা ও হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আইইডিসিআরে অবদান অনস্বীকার্য।

করোনা মহামারির সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই বাংলাদেশে মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় কম ছিল। এজন্য তিনি চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

সবার জন্য সুস্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ শুরু করেছে। এসব হাসপাতালে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সুবিধা, ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক কাজী আহমেদ জাকী।

এর আগে সরদার সাখাওয়াত হোসেন কলেজ অব নার্সিং, ঢাকায় বিশ্ব আলঝেইমার্স দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে অংশ নেন৷ এসময় আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী বাজেটে প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে এ রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রমে অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছোট্ট গবেষক জো নাগাইয়ের প্রজাপতি-রহস্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
ছোট্ট গবেষক জো নাগাইয়ের প্রজাপতি-রহস্য

জাপানের কিয়োটোতে আন্তর্জাতিক কীটতত্ত্ব সম্মেলনে মাত্র ১০ বছর বয়সে নিজের গবেষণা উপস্থাপন করে বিজ্ঞানীদের নজর কাড়ে জো নাগাই। তার গবেষণার প্রশ্ন ছিল—শুঁয়াপোকা প্রজাপতিতে রূপান্তরিত হওয়ার পরও কি আগের শেখা বিষয় মনে রাখতে পারে?

জো শুঁয়াপোকাকে ল্যাভেন্ডারের গন্ধের সঙ্গে হালকা বৈদ্যুতিক শকের অভিজ্ঞতা দেয়। পরে প্রজাপতিতে রূপান্তরের পর দেখা যায়, প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রায় ৭০ শতাংশ প্রজাপতি ল্যাভেন্ডারের গন্ধ এড়িয়ে চলছে। অর্থাৎ রূপান্তরের পরও আগের অভিজ্ঞতার প্রভাব আচরণে রয়ে যেতে পারে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রশিক্ষণ না পাওয়া তাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনেক প্রজাপতিও একই গন্ধ এড়িয়ে চলেছে। তৃতীয় প্রজন্মেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেলেও নমুনা কম হওয়ায় জো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

ছোটবেলা থেকেই পোকামাকড়ের প্রতি আগ্রহী জো নিজের পর্যবেক্ষণ লিখে রাখত, আগের গবেষণা পড়ত এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করত। তার গবেষণা এখনো প্রজাপতির স্মৃতি বা শেখা আচরণ বংশপরম্পরায় কীভাবে প্রভাব ফেলে—তার চূড়ান্ত উত্তর দেয়নি। তবে একটি শিশুর সাধারণ কৌতূহল কীভাবে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে রূপ নিতে পারে, জো নাগাইয়ের গল্প তারই অনন্য উদাহরণ।

কালের আলো/এসএ