খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নির্বাচন নিয়ে অবস্থান পাল্টেছে জামায়াত!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
নির্বাচন নিয়ে অবস্থান পাল্টেছে জামায়াত!

কালের আলো রিপোর্ট:

‘আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন’ বরাবরই এমন কথা বলে আসছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এমনকি নির্বাচন নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, এমন মন্তব্যও করেছিল দলটি। গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে কোন কথা না হলেও আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা সেটি আগেই বলেছি, নির্দিষ্ট কিছু সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি আগেই জানিয়েছি।’

তবে শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মী সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান ‘যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার শেষ করে’ নির্বাচনের দাবি জানান। তাঁর এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রশ্ন ওঠেছে, তবে কী গত তিন মাস যাবত নির্বাচন প্রশ্নে জামায়াতের অবস্থান পাল্টে যাচ্ছে? ওই কর্মী সম্মেলনে জামায়াতের অন্যতম এই শীর্ষ নেতা বলেছেন, ‘আমি বর্তমান উপদেষ্টা সরকারকে বলব, আপনারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংস্কার কাজ শেষ করে তারপরে নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন। এটা যদি না হয়, তাহলে এ নির্বাচন তো নির্বাচন হবে না।’

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলটির পক্ষ থেকে নির্বাচন প্রশ্নে এই বক্তব্য একেবারেই নতুন। এতদিন তারা নির্বাচনের চেয়ে সংস্কারকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। এমনকি আগস্টের মাঝামাঝি সময় থেকে বিএনপি নির্বাচন চাইতে থাকলে তার সমালোচনাও করেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। এরপর বিএনপি ক্রমাগতভাবে জামায়াতকে আক্রমণ করেছে। যদিও শেষ পর্যন্ত জাতীয় ঐক্যের পাশাপাশি নির্বাচনের বিষয়েও বিএনপি’র সঙ্গে অভিন্ন মত পোষণ করলো বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক দলটি।

জানা যায়, আগস্টের চতুর্থ সপ্তাহে ঢাকায় এক রুকন সম্মেলনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এখন জাতি বহুমুখী সংকটে, একদিকে শহীদ পরিবারগুলো আহাজারি করছে, আহতরা হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে, পা হারা, হাত হারা, চোখ হারা, কী কষ্টের মধ্যে তারা আছে। আবার ইতিমধ্যে বন্যার ভয়াবহতা শুরু হয়েছে। যারা জনগণের জন্য রাজনীতি করেৃ রাজনীতি তো জনগণের জন্য তাদের তো উচিত এই বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এই সময়টায় ওখানে না দাঁড়িয়ে যদি নির্বাচন, নির্বাচন, নির্বাচন জিকির করলে জাতি তা কবুল করবে?’

বিএনপি চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করছে অভিযোগ এনে দলটির সঙ্গে আর জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দেন জামায়াতের আমির। এর প্রতিক্রিয়ায় ২৮ অক্টোবর জামায়াত আমিরকে আক্রমণ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যারা ভোটে জিততে পারবে না, সরকার চালাতে পারবে না, তারা এসব কথা বলে।’

নির্বাচন প্রশ্নে জামায়াত ও বিএনপির বিপরীতমুখী অবস্থান দেখা যায় গত ৫ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপেও। সেই সংলাপে বিএনপির পক্ষ থেকে দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানানো হয়। তবে সেই সংলাপেও জামায়াত জোর দিয়েছিল ‘সংস্কারে’।

জামায়াত আমির সেদিন সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘এই সরকার দেশ শাসনের জন্য আসেনি, দেশ শাসনের সুষ্ঠু পথ বিনির্মাণের জন্য তারা এসেছে। তাদের কাজ হচ্ছে, গত তিন নির্বাচনে জাতি যা ‘বঞ্চিত’ হয়েছে একটা গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা। এজন্য কিছু মৌলিক বিষয়ে তাদের সংস্কার করতেই হবে। কী কী মৌলিক বিষয়ে তারা সংস্কার করবেন আমরা সেই বিষয়ে কথা বলেছি।’

প্রায় দুই মাস পর জামায়াতের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের বক্তব্যে নির্বাচন প্রশ্নে দলটির অবস্থান পরিবর্তনেরই বিষয়টিই ফুটে উঠে। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা সরকারের একটি মাত্র কাজ নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে প্রস্থান করা। এটা ইউনিভার্সাল ট্রুথ। এটাই কাজ তাদের, অন্য কোনো কাজ নয়।’

জামায়াত প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ৪১ দফা প্রস্তাব দিয়েছে জানিয়ে সংস্কার কেন দরকার, সেই বিষয়েও একটা ব্যাখ্যা দেন জামায়াত নেতা। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন নিয়ে ‘ডাকাতি’ করেছে। দিনের ভোট রাতে হয়েছে। ২০২৪ সালে ডামি নির্বাচন করেছে, কাউকে না পেয়ে নিজেদের মধ্যেই খেলার আয়োজন করেছিল। চুরি-ডাকাতি করে এরা ‘দানবে’ পরিণত হয়েছে। আপনি যে নির্বাচন করবেন, দেশে সে ব্যবস্থাটা যদি থাকে তাহলে তো নির্বাচন করবে। যদি নির্বাচনি ব্যবস্থা না থেকে থাকে তাহলে তো ব্যবস্থাটা চালু করতে হবে। এর জন্য সংস্কার দরকার হচ্ছে।’

মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কেন তারা পাকিস্তানের পক্ষে লড়াই করেছেন, তার একটি ব্যাখ্যাও দেন। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হলে দেশটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, এই ভেবে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নেন। গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ‘প্রকৃত স্বাধীনতা’ অর্জন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে

ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরারপথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছে বরযাত্রীদের বহনকারী মাইক্রোবাস। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুট করা হয় নগদ টাকা, অলংকার, গহনাসহ সব। শুক্রবার (৮ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপজেলার নূনাছড়া এলাকায় পাশে এ ঘটনা ঘটেভুক্তভোগীদের একজন জনি বণিক (২৯) জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে তারা মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নূনাছড়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে গাড়িচালক গাড়িটি থামালে তারা কয়েকজন নিচে নেমে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি থেকে কিছু পড়ে গেছে কি না তা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।এ সময় হঠাৎ মহাসড়কের পাশের জমি থেকে ৫ থেকে ৬ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত বেরিয়ে আসে। তাদের হাতে রামদা, কিরিচ ও ছুরি ছিল। দুর্বৃত্তরা ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে ৫টি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টাকা, নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। তিনি আরও জানান, গাড়ির বাইরে থাকা তিনজনকে ধাওয়া করলে তারা প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি মসজিদে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে মসজিদের ভেতর থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা সীতাকুণ্ড মডেল থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সকালে কুমিরা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।এ বিষয়ে কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রব্বানী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/এসআইপি

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির বিবৃতিতেই সর্বপ্রথম শাপলা ট্র্যাজেডিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, বলে দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে শাপলা স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘শাপলার শহীদগাঁথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপি সাহসিকতার সঙ্গে এটিকে গণহত্যা হিসেবে তুলে ধরেছিল। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার অভিযোগ, সে সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার সত্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলে।

একই অনুষ্ঠানে ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারাও বক্তব্য দেন। তারা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ‘ফ্যাসিবাদের নির্মম উদাহরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বিচার দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শাপলা চত্বরে অভিযান চালানোর সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত তদন্তে ৭২ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র ঘটনা এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান একই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার অংশ, যা কর্তৃত্ববাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিফলন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাদক পাচার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
মাদক পাচার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক সই

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই দেশ মাদক পাচার, মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচার এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে তথ্য আদান-প্রদান ও কারিগরি সহযোগিতা জোরদার করবে। পাশাপাশি মাদক পাচারে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী চক্র এবং নতুন পাচার কৌশল ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা হবে।

সমঝোতা অনুযায়ী, উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধের ভিত্তিতে যৌথ গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এছাড়া ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত অভিযান পরিচালনার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে।

চুক্তিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একইসঙ্গে লুকানো মাদক শনাক্তে আধুনিক প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স (এএনএফ) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আদান-প্রদানকৃত সব তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে তা প্রকাশ করা হবে না।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ আরও বাড়ানো যাবে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই আশা প্রকাশ করেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ