খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

বিরোধী দলের গঠনমূলক সমালোচনা গণতন্ত্রের জন্য জরুরি: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
বিরোধী দলের গঠনমূলক সমালোচনা গণতন্ত্রের জন্য জরুরি: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের সরকার তার কাজ করবে আর বিরোধী দল সমালোচনা করবে, এটাই স্বাভাবিক। সেই সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক এবং এটি গণতন্ত্রের জন্য জরুরি।’

তবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরকারকে বিপদে ফেলতে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কর্মসূচি দেওয়া হলে, সেটি ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে দাঁড়ায় বলেও মনে করেন বিএনপির সিনিয়র এই যুগ্ম মহাসচিব।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে শনিবার (৯ মে) বিএনপি এবং এর তিনটি অঙ্গসংগঠন—যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য মতবিনিময় সভার প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানান রিজভী। এছাড়া দলের মহাসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি।

রিজভী বলেন, সারাদেশের জেলা পর্যায়ের নেতারা এ সভায় বক্তব্য দেবেন। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতারা সাংগঠনিক বিষয় এবং সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন। পাশাপাশি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দুই-তিন মাসে যেসব কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং যেগুলো বাস্তবায়নের পথে রয়েছে, সেসব বিষয়ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করবেন।

বিএনপি নেতা বলেন, আমাদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল অনেক ভালো কর্মসূচি রয়েছে।

সরকারবিরোধী আন্দোলন ও সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য আমরা ১৬ বছর লড়াই করেছি। কত জীবন চলে গেছে, শিশু, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক। গণতন্ত্র মানেই সরকার তার কাজ করবে আর বিরোধী দল তার সমালোচনা করবে। এটাই মূল এবং এটাই হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল বিভিন্ন সমালোচনা করতেই পারে। তবে সমালোচনাটা যেন গঠনমূলক হয়। সরকারের ভুল থাকলে সেই ভুলগুলো দেখিয়ে দিলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। রাষ্ট্র আরও কার্যকর ও কর্মক্ষম হয়।

রিজভী বলেন, যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি নিই এবং মিথ্যা কথা বলে যাই, তাহলে সেটা ষড়যন্ত্র। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থেকে এবং ক্ষমতার বাইরেও অনেক মিথ্যা কথা বলেছেন। যদি সেই ধরনের রাজনীতি হয়, তাহলে সেটা ষড়যন্ত্রের মধ্যেই পড়ে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল গঠনমূলক থাকলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। জনগণ যদি মনে করে বিরোধী দলের কথা ইতিবাচক, তাহলে জনগণই সেটার মূল্যায়ন করবে। জনগণই হচ্ছে চূড়ান্ত বিচারক। সামনের নির্বাচনে জনগণই বিবেচনা করবে, সরকার সঠিক কাজ করেছে কি না।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

থমকে গেল থালাপতি বিজয়ের শপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
থমকে গেল থালাপতি বিজয়ের শপথ

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় নিয়েছে সরকার গঠনের সমীকরণ। সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত শপথ নিতে পারছেন না অভিনেতা থালাপতি বিজয়। শনিবার (৯ মে) তার শপথ অনুষ্ঠান হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

শুক্রবার (৮ মে) রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজয়। টানা তিন দিনের আলোচনার পরও তাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রাজ্যপাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজয়ের নেতৃত্বাধীন টিভিকে জোট এখনও পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে পারেনি।

তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট আসন ২৩৪টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ আসন। গত ৪ মে ঘোষিত নির্বাচনি ফলাফলে বিজয়ের দল টিভিকে পায় ১০৮টি আসন। এরপর সরকার গঠনের লক্ষ্যে কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সমর্থন আদায়ে তৎপরতা শুরু করেন তিনি।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, অন্তত চারটি দল টিভিকেকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে। সে হিসাবে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছাতে পারে বলেও আলোচনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণে জটিলতা দেখা দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বাস্তবে বিজয়ের জোটের নিশ্চিত আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে এখনও দুই আসন পিছিয়ে রয়েছে টিভিকে।

জানা গেছে, ভিসিকে ও আইইউএমএল নামে দুটি দলের সমর্থন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রাজ্যপালের কাছে ওই দুই দলের আনুষ্ঠানিক সমর্থনপত্র দেখাতে পারেননি বিজয়। পরে আইইউএমএল এক বিবৃতিতে জানায়, তারা টিভিকেকে সমর্থন দেবে না।

এদিকে টিটিভি নামের আরও একটি দলও সরকার গঠনে বিজয়কে সমর্থন না করার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে নতুন করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অচলাবস্থার মুখে পড়েছে তামিলনাড়ু।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শনিবার (০৯ মে) যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

চিকিৎসকের পরামর্শে অস্ত্রোপচারের ফলো-আপ হিসেবে কেমব্রিজের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরোয়ার আলম শুক্রবার (০৮ মে) এ তথ্য জানান।

সরোয়ার আলম জানান, মো. সাহাবুদ্দিনকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট শনিবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

রাষ্ট্রপতির সহধর্মীনি ড. রেবেকা সুলতানাসহ পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রপতির চিকিৎসক ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সফরে তার সফরসঙ্গী হবেন।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আগামী ১৮ মে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরারপথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছে বরযাত্রীদের বহনকারী মাইক্রোবাস। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুট করা হয় নগদ টাকা, অলংকার, গহনাসহ সব। শুক্রবার (৮ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপজেলার নূনাছড়া এলাকায় পাশে এ ঘটনা ঘটেভুক্তভোগীদের একজন জনি বণিক (২৯) জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে তারা মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নূনাছড়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে গাড়িচালক গাড়িটি থামালে তারা কয়েকজন নিচে নেমে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি থেকে কিছু পড়ে গেছে কি না তা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।এ সময় হঠাৎ মহাসড়কের পাশের জমি থেকে ৫ থেকে ৬ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত বেরিয়ে আসে। তাদের হাতে রামদা, কিরিচ ও ছুরি ছিল। দুর্বৃত্তরা ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে ৫টি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টাকা, নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। তিনি আরও জানান, গাড়ির বাইরে থাকা তিনজনকে ধাওয়া করলে তারা প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি মসজিদে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে মসজিদের ভেতর থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা সীতাকুণ্ড মডেল থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সকালে কুমিরা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।এ বিষয়ে কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রব্বানী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/এসআইপি