খুঁজুন
                               
, ,
           

শাপলা চত্বরে ২ লাখ গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছিল: গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বরে ২ লাখ গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছিল: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, শাপলা চত্বরে নৃশংসভাবে সব বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে প্রায় ২ লাখ গোলাবারুদ, আর্মস-অ্যামুনিশন ব্যবহার করা হয়েছিল।

শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে জাতীয় জাদুঘরে শাপলা স্মৃতি সংসদ আয়োজিত শাপলার স্মৃতি শহীদগাঁথা- শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তখনকার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- কেউ মরে নাই, হুজুররা সব গায়ে লাল রং মাখিয়ে শুয়ে আছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী কী পরিমাণ মিথ্যা কথা বলতে পারে! আজ অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে, ধীরে ধীরে তদন্তে ৭২ জনের বেশি হত্যার প্রমাণই পাওয়া গেছে, নিখোঁজ আছে। এজন্য আমরা মনে করি, এটা কোনো সাধারণ ঘটনা ছিল না, দীর্ঘকালের ইসলামি জনতার প্রতি যে কর্তৃত্ববাদী সরকারের জুলুম, নির্যাতনের বা বিস্ফোরণের একটা আউটবার্স্ট হিসেবে সেদিন সর্বস্তরের জনগণ দাঁড়িয়েছিল।

তিনি বলেন, ২৪ এর জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান আর ২০১৩ সালের ৫ মে এর ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। একটির সঙ্গে আরেকটি ফলোআপ হয়ে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে এদেশের ১৮ কোটি মানুষের সংগ্রামের একটি বিজয় হয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, যে কারণে মানুষ জীবন দিয়েছিল, সেই আদর্শ, সেই সংগ্রাম, সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য আমরা যেন জাতির কাছে দেওয়া ওয়াদা থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেই। জাতির কাছে যেন অপরাধী হিসেবে বিবেচিত না হই। এই ব্যাপারে নিজেদের বিবেকের কাছে যেন আমরা বিশ্লেষণ করে, বোঝাপড়া করে আমরা সবাই যেন আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের সেই সংগ্রামকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ভ্যাপসা গরমের পর ঢাকায় বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিতে ভিজেছে রাজধানী ঢাকা। সকাল থেকেই ঢাকার কোথাও ভারী, কোথাও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে রাজধানীবাসীর। বৃষ্টির এ ধারাবাহিকতা দুপুর পর্যন্ত থাকতে পারে। এ সময়ে ঢাকায় থেমে থেমে গুঁড়িগুঁড়ি অথবা মাঝারি বৃষ্টি

এদিকে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ দুপুর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে দিনের তাপমাত্রা হালকা কমে গরমের তীব্রতা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বৃষ্টি ও কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়েছে, আজ দুপুর পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে দিনের তাপমাত্রা হালকা কমতে পারে। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়, সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯২ শতাংশ। সোমবার রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে।

 

অন্যদিকে, সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রকাশিত পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৫

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৫

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার পাশাপাশি জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা কয়েকজন নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় ওই ছবিগুলোর কয়েকটি নিয়ে আপত্তি তোলে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ছাত্রদলের নেতারা দাবি করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিতর্কিত ভূমিকা থাকা কয়েকজন ব্যক্তির ছবি প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

তারা এসব ছবি অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানান।

অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

তাদের বক্তব্য, প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত ছবি ও তথ্য তারা সরাবেন না। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

এ সময় ইট-পাটকেল ও চেয়ার নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিসোঁটা দিয়েও একে অপরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে রাত পর্যন্ত তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। রাত ১২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’

এ বিষয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোকে ‘বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা নাকচ করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সব অভিযোগ এরই মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যথাযথ প্রমাণ ছাড়াই ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানোর বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল’ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং দেশের বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো যৌথভাবে সেগুলো সমাধান করেছে।

তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে সে বিষয়ে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

একই সাথে বিভাগটি সতর্ক করে বলেছে, বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি প্রমাণ ছাড়াই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং বিচ্ছিন্নভাবে কিছু গ্রাহকের পক্ষ থেকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে এই স্পষ্টীকরণ দিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কেন এমন জটিলতা তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তারা ইতিপূর্বে বেশ কিছু কারণ জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে: মিটারে না দেখে আনুমানিক রিডিং দেওয়া, মিটারের তথ্য সিস্টেমে আপডেট করতে বিলম্ব, বিলিং চক্রের সমন্বয় অথবা গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে বিল বেশি আসা।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছে, যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে কোনো দাবি না তুলে প্রকৃত অভিযোগ থাকলে গ্রাহকদের উচিত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।

কালের আলো/এম/এএইচ