খুঁজুন
                               
, ,
           

তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সাড়া

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশে ‘রাজসিক’ প্রত্যাবর্তন’ কেবল দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই। ব্যাপক সাড়া ফেলে আন্তর্জাতিক মহলেও। বিশ্বের বড় বড় সংবাদমাধ্যমগুলো তার ফিরে আসার খবর অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা তার এই ফিরে আসাকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। তারা তাকে ‘সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবেও আখ্যায়িত করছেন। বিশেষ করে ভারতীয় ও পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো তারেক রহমানের জনভিত্তি ও জনপ্রিয়তা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

বিএনপির দাবি, তারেক রহমানকে এক নজর দেখতে এবং বরণ করে নিতে সেদিন সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৫০ লাখের বেশি মানুষ ঢাকার রাজপথে অবস্থান নিয়েছিল। এই বিশাল জনস্রোত সামাল দেওয়া ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা। বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত পুরোটা সড়ক ছিল লোকে লোকারণ্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমানের প্রতি মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ মূলত দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু এই বিপুল জনসমাগম যখন কোনো নির্দিষ্ট প্রটোকল মানে না, তখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো কোনো রাজনৈতিক নেতার জন্য এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যায়নি। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে শুরু করে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন পর্যন্ত প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ নজরদারিতে। নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, ডগ স্কোয়াড, ডিএমপি, এপিবিএন এবং আনসারের সমন্বিত একটি শক্তিশালী দল। এছাড়া ছিল তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী ‘চেয়ারপারসনস সিকিউরিটি ফোর্স’ (সিএসএফ)।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, কেবল পুলিশেরই ৪ হাজার ৬৪৯ জন সদস্য সরাসরি এই ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন। বিশেষ নজরদারিতে ছিল মিরপুর সেনানিবাসের এয়ার ডিফেন্স (এডি) আর্টিলারি ইউনিট এবং ৪৬ ব্রিগেডের সেনাসদস্যরা। এক্সপ্রেসওয়ের সুউচ্চ ভবনগুলোতে অবস্থান নিয়েছিলেন স্নাইপার ও বিশেষায়িত বাহিনীর সদস্যরা। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে তারেক রহমানকে যে পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে, তা ইঙ্গিত দেয় যে তার জীবনের ওপর ঝুঁকির মাত্রা অত্যন্ত বেশি। বিশেষ করে এডি আর্টিলারি বা এয়ার ডিফেন্স ইউনিটের অন্তর্ভুক্তি প্রমাণ করে যে, ড্রোন বা আকাশপথের আক্রমণ থেকেও তাকে সুরক্ষার পরিকল্পনা ছিল। এটি কেবল একটি সংবর্ধনা ছিল না, এটি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ সিকিউরিটি অপারেশন।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে তারেক রহমানকে নিয়ে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছিল, এই বিপুল জনসমর্থন সেই বয়ানকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় এখন দেখছে যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির চাবিকাঠি কার হাতে রয়েছে। এই বিপুল জনসমর্থন যেমন তাকে শক্তিশালী করছে, তেমনই আন্তর্জাতিক মহলের নজরদারিতে থাকাও তার নিরাপত্তার জন্য একটি অতিরিক্ত রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে একই সঙ্গে বিরুদ্ধ শক্তির জন্য তিনি এখন প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএএইচ/এইচএন

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সময়ের জন্য জেলার সব ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ সময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সর্বসাধারণের ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি