সোয়াদ ফিলিং স্টেশনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার দাবি, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিএনপিনেতার
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অবস্থিত সোয়াদ ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত সাময়িক স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা হাফেজ আজিজুল হক। গত ১২ এপ্রিল যমুনা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকা বিভাগীয় সহকারি ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) সৈয়দ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বরাবরে তিনি এই আবেদন করেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকালে সোয়াদ ফিলিং স্টেশনের মালিক ও বিএনপি নেতা হাফেজ আজিজুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিজেকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে এই বিএনপি নেতা বলেন, দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় কাজ করছে বর্তমান সরকার। কিন্তু একটি মহল চলমান এই সঙ্কটকে সুযোগ হিসাবে ব্যবহার করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে বর্তমান সরকারকে বিভ্রত করতে চায়। এরই অংশ হিসাবে গত ৭ এপ্রিল রাতে ওই ষড়যন্ত্রকারী মহলের ইন্ধনে আমার মালিকানাধীন সোয়াদ ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। কিন্তু অভিযানকালে ভ্রাম্যমান আদালত আমার ফিলিং স্টেশনে কোন ধরনের তেল মজুদ পায়নি।
তবে ঘটনার সময় অভিযানকারী দল বিগত ১ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত আমার পাম্পে শুধুমাত্র ৯ হাজার লিটার পেট্রোল উত্তোলনের কথা বললেও ডিজেল উত্তোলনের কথা উল্লেখ না করেই হিসাবের গড়মিল অভিযোগে আমার এক কর্মচারিকে (নজেলম্যান) আটক করে। একই সঙ্গে তারা স্টেশনের কার্যক্রমে সাময়িক স্থগিতাদেশ আরোপ করে।
কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে যমুনা ওয়েল কোম্পানির রেকর্ড অনুযায়ি আমার পাম্পে ৫৮ হাজার ৫ শত লিটার ডিজেল এবং ৪০ হাজার ৫ শত লিটার পেট্রোল উত্তোলন করে বিক্রয় করা হয়। যার প্রমাণ ডিপোর ইনভয়েজের চালান কপিতে রয়েছে। কিন্তু ভ্রাম্যমান আদালত এসব কাগজপত্র যাছাই-বাছাই না করেই অভিযান সমাপ্ত করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় বলে দাবি ভুক্তভোগী বিএনপি নেতার।
এছাড়াও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে ভুক্তভোগী দাবি করেন- আমার মালিকানাধীন মেসার্স ফিলিং স্টেশনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে যে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ ও সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে আমার প্রতিষ্ঠানের নামে যে পরিমাণ জ্বালানি উত্তোলন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং মিডিয়ার উপস্থিতিতে জ্বালানি বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, যা বিভিন্ন ডিজিটাল ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে এবং তার সকল হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষিত আছে।
তবে এবিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূর হুদা মনির কোন বক্তব্য জানা যায়নি।
কালের আলো/এম/এএইচ


আপনার মতামত লিখুন
Array