খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বাধ্যতামূলক অবসরে ঊর্ধ্বতন আরও ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বাধ্যতামূলক অবসরে ঊর্ধ্বতন আরও ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার। রোববার (৩ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮–এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী তাদের এ অবসর দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন- ডিআইজি পদমর্যাদার একাধিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার।

তাদের মধ্যে রয়েছেন- এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, সিআইডির ডিআইজি হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, এনএসআইয়ের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান।

এছাড়া অবসরে পাঠানো হয়েছে- পিটিসি নোয়াখালীর কমান্ড্যান্ট হায়দার আলী খান, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি রুহুল আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রফিকুল হাসান গনি, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলী।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি গোলাম রউফ খান, পিটিসি রংপুরের কমান্ড্যান্ট রেজাউল হায়দার, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানম এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদা) ফারহাত আহমেদও অবসরপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন।

এর আগে গত ২২ এপ্রিল পুলিশের ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় সরকার। তারা হলেন– পুলিশ স্টাফ কলেজ ঢাকার ডিআইজি ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানী, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাখাওয়াত হোসেন, রংপুর পিটিসির কমান্ড্যান্ট মো. আশরাফুজ্জামান, এন্ট্রি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি এ জেড এম নাফিউল ইসলাম, নৌ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মো. মনিরুল ইসলাম, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মাহফুজুর রহমান, এপিনিএন হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি মো. মুনিবুর রহমান, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ইকবাল হোসেন, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি শামীমা বেগম, শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিআইজি মো. আবু কালাম সিদ্দিক, পুলিশ টেলিকমের ডিআইজি মো. আমিনুল ইসলাম ও এপিবিএন এর ডিআইজি সালমা বেগম।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
আবারও মনুষ্যত্ববোধ ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত তথ‍্য প্রতিমন্ত্রীর 

তিনি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছকে বাঁধা নয় মোটেও। সবার উর্ধ্বে দায়িত্ব ও মানবিকতাকে স্থান দিয়ে মন্ত্রীত্বের পুরাতন সব রীতি ভেঙে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। সব সময় নিজ নির্বাচনী এলাকার ‘মাটির মানুষ’ হিসেবে মানুষের কাছাকাছি তিনি। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এই সংসদ সদস্য এলাকার সাধারণ মানুষের শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজের কাঁধেই তিনি লাশ বহন করেছেন। দাফন কাজে নিজের সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি কবরে শায়িত করতে নেমে গেছেন। প্রকৃত মনুষ্যত্ববোধের পরিচয় দিচ্ছেন।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ থেকে ২৯ মে। দেখতে দেখতে কেটে গেছে দু’মাস। এ সময়ে নিজ কাঁধে খাটিয়া বহন করে দুটি মরদেহ দাফন কাজে অংশ নিয়ে অনন্য মানবিক নজির স্থাপন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমটি উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে ২৭ মার্চ। অন্যটি গত ২৯ মে নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায়। প্রটোকলের চিরায়ত প্রথা ভেঙেছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর এলাকায় মরহুম আব্দুল হামিদের জানাজায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় তিনি নিজ কাঁধে খাটিয়া তুলে নেন এবং অন্যদের সঙ্গে মরদেহ বহন করেন। কোনো দ্বিধা বা সংকোচ না করে নিজেই কবরে নেমে পড়েন। মরদেহ খাটিয়া থেকে নামিয়ে কবরে শায়িত করার কাজে সরাসরি শরিক হন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

মৃতের স্বজনদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিকতা ও উদারতা অপার বিস্ময়ে উপভোগ করলেন। মুহুর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লো সোশ্যাল হ্যাণ্ডেলে। নেটিজেনরা সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন অনন্য মানবিকবোধ নিয়ে মেতে উঠলেন প্রশংসায়। কেউ কেউ বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতোই তার এই প্রতিমন্ত্রীও অতি সাধারণ। যোগ্য ব্যক্তিই ক্যাবিনেটে স্থান পেয়েছে।’

সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে দেখে সবাই অভিভূত। অতীতে কোন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে দেখেনি মানুষ। জনতার নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের প্রতি তার এই শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নান্দাইলবাসীর কাছে এক বিমুগ্ধ বিস্ময়।

স্থানীয়রা বলছেন, এখনও অনেক রাজনীতিকের ভেতরে দয়া-মায়া, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আছে। মনুষ্যত্ববোধ যে টিকে আছে তার বড় এক উদাহরণ প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই মানবিকবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
স্কটল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে বাংলাদেশ করে ১৩৩ রান। জবাবে খেলতে নেমে ২৬ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্কটিশরা।

এডিনবার্গে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ওপেনিং জুটিতে আসে ১৬ রান। ১৩ বলে ১২ রান করে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার আউট হওয়ার আগে করেন ১১ রান। আর শারমিন আক্তারের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১০ রান।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন দলনেতা নিগার সুলতানা জ্যোতি। এছাড়া ২২ রান করে করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণ আক্তার। ২ রান করেন রাবেয়া খান।

রান তাড়া করতে নেমে কোনো চাপই নেয়নি স্কটিশরা। দলনেতা ক্যাথরিন ব্রাইসের ফিফটিতে সহজ জয় পেয়ে যায় তারা। সর্বোচ্চ ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্যাথরিন। ২৮ রান করেন ওপেনার ক্যাথেরিন ফ্রেশার। এছাড়া ডার্সি কার্টার ও সারাহ ব্রাইস ২৩ রান করে করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
বর্জ্য অপসারণ ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ: সেলিম উদ্দিন

মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

পশুর হাটে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেও সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে দাবি তার।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সেলিম উদ্দিন বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই। রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনো পশুর বর্জ্য পড়ে আছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে এবং বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, পশুর হাটগুলোতে টোকেনের নামে চাঁদাবাজি হয়েছে। কিন্তু এসব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাগুলোতেও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

জামায়াত নেতা বলেন, ‘জুলাইকে অস্বীকার করা মানে ফ্যাসিবাদকে মেনে নেওয়া। যারা এমন অবস্থান নেবে, তাদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর জরুরি।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ