খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

মহাখালীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে কড়াইল বস্তির আনসার ক্যাম্প মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এ কর্মসূচি আয়োজন করে। দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে ২০০ থেকে ২৫০ জনের হৃদরোগ-সংক্রান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ বিতরণ করা হয়। জুবাইদা রহমান কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলেন।

পরে জুবাইদা রহমান ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ (জেডআরএফ) কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নারীদের বিভিন্ন চিকিৎসা সমস্যা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ড্যাবের সভাপতি ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুল সালাম, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আলীম নকি, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোমিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং বনানী থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি শাজাহান সরকার।

কালের আলো/এসএকে

ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তিনি। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাম্পাসে তারেক রহমানের আগমনে উৎসুক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্লোগান ছিল ‘ক্যাম্পাসের বড় ভাই, ক্যাম্পাসে স্বাগতম’। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের কৌতূহল জাগে, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কখন কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তারেক রহমান। তবে তিনি আইন বিভাগে দুই মাস ক্লাস করার পর বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন।

দুই বিভাগে পড়ার সময় তারেক রহমানের সহপাঠী (ক্লাসমেট) ছিলেন ১২২ জন। এর মধ্যে আইন বিভাগে ৭৭ জন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ছিলেন ৪৫ জন। ঢাবির নিয়ম অনুযায়ী শুধু যারা একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে সনদ নিয়ে বের হন, তাদের তালিকা সংরক্ষিত থাকে। ঢাবির রেজিস্ট্রার ভবনের পুরাতন শিক্ষার্থীদের তথ্যে দেখা যায়, তারেক রহমান স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম বা এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

আইন বিভাগের ৭৭ জন:
১. শিরীন শারমিন চৌধুরী

২. ফারাহ মাহবুব

৩. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

৪. তাহমিনা আহমেদ

৫. মালেকা বাহার শামসী

৬. আজিজ আহমদ

৭. শামিমা আওশর রহমান

৮. মুবিনা আসাফ

৯. ফাহমিদা মারিয়াম

১০. জাহান আরা রহমান

১১. সানাইয়া ফাহীম আনসারী

১২. এহসানুল হাবীব

১৩. মুফাসসিল মুহাম্মদ মাজহার

১৪. আহমেদ ফয়সাল

১৫. শেখ আবু তাহের

১৬. মাহবুবা নাসরীন

১৭. পল্ট‍ু কুমার সিকদার

১৮. স্মৃতি কর্মকার

১৯. মো. শফিকুর রহমান

২০. মো. ইমাম হোসেন

২১. সাবেরা সোবহান

২২. সুফিয়া খাতুন

২৩. আব্দুন নাসের খান

২৪. মো. রফিকুল ইসলাম

২৫. জামিলা খাতুন

২৬. মো. মাহবুব-উল-আলম

২৭. মো. হেলাল উদ্দিন

২৮. কনিকা নারী সরকার

২৯. সুলতানা লিজা

৩০. সানিয়া সুলতানা

৩১. নাসরীন ফেরদৌস

৩২. অপূর্ব কুমার কর

৩৩. জাকিয়া পারভিন

৩৪. জওহর লাল দাশ

৩৫. মাহফুজা আহমেদ

৩৬. শফিকুল কবীর খান

৩৭. নারায়ন চন্দ্র মন্ডল

৩৮. সৌরেন্দ্র নাথ মন্ডল

৩৯. মো. মফিজুর রহমান ভূঞা

৪০. সায়কা তুহীন

৪১. ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী

৪২. গোলক চন্দ্র বিশ্বাস

৪৩. পারভীন আফরোজ

৪৪. মনজুর মোরশেদ

৪৫. নরেশ চন্দ্র সরকার

৪৬. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ

৪৭. লিয়াকত আলী মোল্লা

৪৮. শেখ মফিজুর রহমান

৪৯. আ ন ম আনিসুর রহমান পাটোয়ারী

৫০. মো. ইকবাল কবির

৫১. মো. কায়সার আহমেদ

৫২. ফারিহা হুদা

৫৩. মো. জাহাঙ্গীর আলম

৫৪. মো. রেজা আলী

৫৫. আবু বকর সিদ্দিক

৫৬. গগাঙ্ক শেখর সরকার

৫৭. আসমা জাহান

৫৮. নাহিদা সুলতানা

৫৯. মো. হাবিবুল্লাহ শিকদার

৬০. সাহানা কাদের চৌধুরী

৬১. শাহনাজ বেগম

৬২. মো. আব্দুস সামাদ আজাদ

৬৩. সুফিয়া খাতুন

৬৪. মো. হুমায়ুন কবির

৬৫. মো. জাকির হোসেন

৬৬. মো. আব্দুল মান্নান

৬৭. মো. হুমায়ুন কবির

৬৮. মো. দেলোয়ার হোসেন

৬৯. মো. আাবু সাঈদ

৭০. মো. তৈয়ব আনোয়ার

৭১. নাজির আহম্মেদ

৭২. কাজী মিজানুর রহমান

৭৩. এ,টি,এম, এমরুল আহমেদ

৭৪. মো. ওসমান গনি ভূঁঞা

৭৫. মো. আজমীর ফকির

৭৬. মো. নুরুল ইসলাম

৭৭. মো. মোস্তাফিজুর রহমান

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪২ জন:
১. মো. এনায়েত মাওলা

২. মুহা. রুহুল আমীন

৩. মো. জসীম উদ্দিন

৪. সৈয়দ মাহমুদ আক্তার

৫. দেলোয়ার হুসেন

৬. স্বপ্না জুলিয়েট কেরোলীনা

৭. মো. ফুয়াদ রেজা

৮. পলিন মেরী কুইয়া

৯. ফজলে ইলাহি মাহমুদ

১০. মো. রুহুল আমিন

১১. তাহসীন মাহবুব

১২. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী

১৩. শাহীন আক্তার

১৪. ফারহানা আমীন

১৫. শারমিন নছিমা বানু

১৬. এস.এম. মাহমুদ হাসান

১৭. স্নিগ্ধা চক্রবর্ত্তী

১৮. ফৌজিয়া আহমেদ

১৯. জি. এম. আবুল কালাম

২০. কানিজ সাইয়েদা হায়দার

২১. বি.এম. বেনজীর আহমেদ

২২. গোলাম ফারুক

২৩. মো. সামছুদ্দোহা

২৪. কাজী জাহিদ হোসেন

২৫. ফারহানা জাহান

২৬. রহিমা হক

২৭. জিনাত আরা চৌধুরী

২৮. মো. বদিউজ্জামান

২৯. গোলাম মোহাম্মদ

৩০. মো. এবাদুর রহমান

৩১. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন

৩২. ফারহানা

৩৩. মো. আলমগীর হোসেন

৩৪. আফরোজা আক্তার

৩৫. সাহিদা শিকদার

৩৬. মো. মাজহারুল হক

৩৭. শায়লা পারভীন

৩৮. উম্মে সালমা

৩৯. রাহী রহমান

৪০. আসমা ভূঁইয়া

৪১. দিলরোজ বেগম

৪২. মো. রেফাতুল ইসলাম

৪৩. এলিজাবেথ ডি. কস্তা

৪৪. মো. বদরুল ইসলাম

৪৫. মো. শামসুদ্দীন হোসেন

আইন বিভাগে তারেক রহমানের সিনিয়র ছিলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। গত বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। তারা হলেন, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারক ফারাহ মাহবুব। তখন এরশাদ ক্ষমতায় ছিল। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাবির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এক বছরে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
এক বছরে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ

বাংলাদেশে ২০২৫ সালে নিট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ এফডিআই জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশের নিট এফডিআই প্রবাহ ছিল ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ প্রবৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে পুনঃবিনিয়োগকৃত আয় এবং আন্তঃকোম্পানি ঋণ। ২০২৪ সালে পুনঃবিনিয়োগকৃত আয়ের পরিমাণ ছিল ১০৩ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালে তা ৩১৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ৪৩৪ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে আন্তঃকোম্পানি ঋণ ৬২১ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার থেকে ২৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ৭৮১ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ইক্যুইটি মূলধনও ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে ৫৫৪ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

বিডা জানায়, ২০২৫ সালে বৈশ্বিকভাবে নতুন শিল্প প্রকল্প ঘোষণার সংখ্যা ১৬ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের এ বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এফডিআই পরিস্থিতিকে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, বৈশ্বিক ধাক্কা এবং অভ্যন্তরীণ অনিশ্চয়তার মধ্যেও ২০২৫ সালে বাংলাদেশে এফডিআই বেড়ে ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

এ বিষয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী ২০২৫ সালে নতুন বিনিয়োগ প্রকল্পের ঘোষণা কমেছে এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো এ চাপ বেশি অনুভব করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিট এফডিআই প্রবাহে ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক সংকেত।

তিনি বলেন, বিনিয়োগের পরিমাণ এখনো দেশের সম্ভাবনার তুলনায় কম। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে এ প্রবৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত থাকলেও বাংলাদেশ নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করছে, যেন ভবিষ্যতে বড় বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যেতে পারে।

বিডা আরও জানায়, ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে, মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং -এর সঙ্গে যৌথভাবে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ সহায়তা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ উদ্বোধন

প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) সহসভাপতি ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য গড়ে তোলা বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্টল পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। সহসভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

এ ছাড়া ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ বিষয়ক সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্ট্যানলি গোয়াভুয়া, রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় জরুরি। ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি মানবিক ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ