খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কমল স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কমল স্বর্ণের দাম

টানা দুই দফা বাড়ানোর পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। সংগঠনটি জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।

এর আগে, সবশেষ গত ৭ মে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বেড়েছে ৩৬ দফা, আর কমেছে ২৮ দফা। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; সেখানে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল, আর কমেছিল ২৯ বার।

কালের আলো/এসআর/এএএন

জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আরো আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও দর্শনার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে পশুপাখির নিরাপদ আবাস, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি চিড়িয়াখানার সার্বিক পরিবেশ, পশুপাখির পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, খাদ্য সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও শিক্ষা কেন্দ্র। তাই পশুপাখির জন্য প্রাকৃতিক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও পশুপাখির কল্যাণ নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শনিবার চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
শনিবার চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

দীর্ঘ ২২ বছর পর শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই রাষ্ট্রীয় সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। এরই মধ্যে সম্ভাব্য বিভিন্ন কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন করেছেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরিদর্শন করবেন। এর মধ্যে খাল পুনর্খনন কার্যক্রম উদ্বোধন, নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি তিনি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নিয়ে আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দলীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।

পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত সম্ভাবনাময় জেলা চাঁদপুর। নদী, ইলিশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত এ জেলা সম্ভাবনায় ভরপুর হলেও দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে নদীভাঙন চাঁদপুরবাসীর অন্যতম বড় দুর্ভোগ। শিক্ষা খাতেও রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। বহু প্রত্যাশার চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনও স্থায়ী ক্যাম্পাস না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ছাড়া জেলায় একটি ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার দাবিও দীর্ঘদিনের।

এমন বাস্তবতায় দীর্ঘ ২২ বছর পর তারেক রহমানের চাঁদপুর সফর ঘিরে নতুন আশায় বুক বাঁধছেন জেলার মানুষ। তাদের বিশ্বাস, তার হাত ধরেই পিছিয়ে পড়া চাঁদপুরে উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। নদীভাঙন রোধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের মতো দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ আসবে বলেও আশা করছেন তারা।

জানা গেছে, ১৬ মে (শনিবার) সকালে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টায় শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোদ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। পরে দুপুর পৌনে ২টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুগী গ্রামের ঘোষের হাট সংলগ্ন বিশ্ব খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সবশেষে বিকেল ৫টায় চাঁদপুর ক্লাবে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ করবেন দলের প্রধান।

চাঁদপুরের একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চাঁদপুর সফরকে ঘিরে জেলার তরুণদের মধ্যে নতুন আশা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা করেন, শিক্ষার্থী ও বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়ক চার লেনে উন্নীত করা, জেলাকে পর্যটন শিল্পে বিকশিত করা এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানান।

দুটি খাল পুনর্খনন কর্মসূচির পাশাপাশি জেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে ৩৭০ জনের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে জানান চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও জানান, চাঁদপুর থেকে দেশের ২২ জেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমরা আশাবাদী খুব ভালোভাবে আয়োজনটি সমাপ্ত করতে পারব। তার জন্য সবার সহযোগিতা চাচ্ছি।

অনেক দাবি-দাওয়ার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইপিজেড আমাদের অন্যতম চাওয়া বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

সাংসদ শেখ ফরিদ আরও জানান, আমরা গর্বিত চাঁদপুরকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সময় দেবেন। আশা করি জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে আসবেন। চাঁদপুর একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এখানে সড়কপথ, নৌপথ ও রেলপথ যোগাযোগব্যবস্থা খুবই ভালো। চাঁদপুরে ইপিজেড করার মতো চমৎকার একটি জায়গা। এখানে ইপিজেড হলে চাঁদপুরের পাশাপাশি আশপাশের জেলার মানুষও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

কালের আলো/এসএকে

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়, চেতনা ও সভ্যতার ভিত্তি বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘যে জাতি তার সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে পারে না, সে জাতি ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় টিকে থাকতে পারে না। হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, সহনশীলতা ও মুক্তচিন্তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তাদের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে সেই চেতনাকেই বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকে রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিস্তৃত করা, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং শিল্পী-সংস্কৃতি কর্মীদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য বিশেষ কল্যাণ কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যাতে তারা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসতে পারেন। পাশাপাশি দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। কারণ, ঐতিহ্য রক্ষা মানেই জাতির শেকড়কে সুরক্ষিত রাখা।’

ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাধে।

অনুষ্ঠানে নৃত্যশিল্পী শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপার নির্দেশনায় ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর শিল্পীরা নৃত্যগীতি পরিবেশন করেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক চেতনাকে কেন্দ্র করে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ রেজা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ