খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

শ্রীলংকা-নেপাল দাঁড়িয়ে গেছে, গণ্ডগোলের মধ্যে আছি শুধু আমরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
শ্রীলংকা-নেপাল দাঁড়িয়ে গেছে, গণ্ডগোলের মধ্যে আছি শুধু আমরা

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা একটি ‘ছোঁয়াচে রোগের’ মতো, যা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ বাড়লে তার প্রভাব ভারতেও পড়বে। সম্প্রতি যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতাটা একটা রোগ, করোনার মতো। এটার কাছে যাওয়া যায় না, এটা ছোঁয়াচে রোগ। এই সাম্প্রদায়িকতা যখন, যেখানেই শুরু হইছে ওখান থেকে ছড়িয়ে গেছে।’ফজলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ হয় ভারতেও হবে। ওরা এরকম করে আমরা কি ছেড়ে দেব নাকি? জিনিসটা এরকম হয়ে গেছে।’

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে তিনি সভ্য রাষ্ট্র হিসেবে মনে করেন। তবে এই অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক শক্তির কারণেই অস্থিরতা বাড়ছে।তিনি বলেন, ‘শ্রীলংকায় আন্দোলনের পরে এখন সুন্দরভাবে আবার দাঁড়িয়ে গেছে। আজকে ১৮ বছর যাবৎ নেপালে গণতন্ত্র নিয়ে অস্থিরতা চলছে, কিন্তু অর্থনীতি নিয়ে কোনো অস্থিরতা নাই। গণতন্ত্র নিয়ে আন্দোলনের পরে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে, সরকার চালাচ্ছে। ভুটানও সুন্দরভাবে চলছে। কিন্তু গণ্ডগোলের মধ্যে শুধু আছি আমরা। আর আমরা শুধু আছি ভারত নিয়া, আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে।’এ পরিস্থিতির জন্য সব জায়গাতেই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে দায়ী করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘শুধু ভারত পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িকতা করতেছে, আমরা খুব ভালো মানুষ—এটা বলার কোনো অর্থ নেই।’বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘এখানে যা হচ্ছে, জঙ্গিবাদ-সাম্প্রদায়িকতা কল্পনার বাইরে হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের দেশে তো এরকম হওয়ার কথা ছিল না। আমাদের ব্যর্থতা আছে।’ ভারতবিরোধী মনোভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এইটা ৭২ সাল থেকে শুরু হইছে। ভারতবিরোধিতাটা অনেক গোপনে আস্তে আস্তে, পরে সোচ্চার অবস্থায় শুরু হইছে—ভারত আমাদের সব নিয়ে গেল। আমি জানি না কতটুকু নিয়েছে।’

কালের আলো/এসআইপি

মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ আদালতের

সিরাজগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ আদালতের

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামী বিদ্বেষ মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ জারি করেছেন আদালত।

রোববার (১৭ মে) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার এই নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী ও সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। ওই দিনই আদালত আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

আজ রোববার আদালতে আমির হামজার ফের হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আদালতে আসেননি। এজন্যই তাকে গ্রেফতার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে একটি বক্তব্য দেন। সেই বক্তব্যকে ঘিরে পরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে আলোচনায় তাকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী বলে মন্তব্য করেন সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ডুয়েট

গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ডুয়েট

গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।

রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ মে ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে। প্রজ্ঞাপন জারির পর রাত সাড়ে ৯টা থেকে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

এরই অংশ হিসেবে রোববার চতুর্থ দিনের মতো সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। একপর্যায়ে নবনিযুক্ত ভিসির ক্যাম্পাসে আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে তালা দেন।

এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ডুয়েট। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নবনিযুক্ত ভিসির পক্ষে কিছু বহিরাগত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে সংঘর্ষ তীব্র হয়। এ সময় ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ডুয়েট একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এর একাডেমিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে অভ্যন্তরীণ অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া উচিত বলে তারা মনে করেন। একই দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতারাও।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ডুয়েটের ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আজ দু’পক্ষের মধ্যে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

Oplus_131072

সাবেক প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

রোববার ( ১৭ মে ) এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর দুঃখ প্রকাশ ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

গত শুক্রবার রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমান সিনহা ইন্তেকাল করেন। তার পিতা ছিলেন বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ ও একমি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হামিদুর রহমান সিনহা।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৯০ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন দলের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপির মনোনয়নে মুন্সীগঞ্জ-২ (টঙ্গিবাড়ী-লৌহজং) আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তাকে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে