খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সরকারের সিদ্ধান্তে নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
সরকারের সিদ্ধান্তে নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বস্তি

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করায় নিম্ন আয়ের লাখো মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও শ্রেণি-পেশার গ্রাহকরা।

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমাতে গত ৩ জুন গণশুনানির মাধ্যমে সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে খুচরা পর্যায়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়। এর ফলে আবাসিক গ্রাহকদের লাইফলাইন ও প্রথম ধাপ বা শ্রেণির বিদ্যুতের মূল্যহারও পরিবর্তন করা হয়।

পরিবর্তিত হার অনুযায়ী, লাইফলাইন গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে ৬৯ পয়সা বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। একইভাবে প্রথম ধাপের গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়।

গাইবান্ধা, ফেনী ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লাইফলাইন অর্থাৎ ৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা মূলত নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক পরিবারের সদস্য। তাদের মাসিক বিদ্যুৎ বিল সাধারণত ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে থাকে। অন্যদিকে প্রথম ধাপের, অর্থাৎ ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের মাসিক বিল গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। মূল্য সমন্বয় কার্যকর হলে উভয় শ্রেণির গ্রাহকের বিল বেড়ে যেত।

পরে সরকারের পক্ষ থেকে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে বিইআরসির কাছে এই দুই শ্রেণির গ্রাহকের দাম না বাড়ানোর আবেদন জানায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো)। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মূল্য সমন্বয়ের একদিন পর লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য আগের মূল্যহার বহাল রাখে বিইআরসি। ফলে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহক মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব থেকে মুক্ত থাকছেন।

এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং দেশের বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে রেখেছে সরকার।

তিনি জানান, দাম সমন্বয়ের পরও বিদ্যুৎ খাতে সরকারকে বছরে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী গ্রামের পল্লি বিদ্যুৎ গ্রাহক মাইদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতি মাসে আমার প্রায় ৩০০ টাকার মতো বিদ্যুৎ বিল আসে। দাম বাড়লে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করা কঠিন হতো। আগের মূল্যহার বহাল রাখায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন টেলিফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের বাড়িতে কয়েকটি বাতি, ফ্যান, একটি ফ্রিজ ও পানির মোটর রয়েছে। মাসে প্রায় ৫০০ টাকা বিল আসে। দাম বাড়লে বিল আরও বেড়ে যেত। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে আমরা উপকৃত হয়েছি।

যশোরের ঝিকরগাছার বিদ্যুৎ গ্রাহক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, আমাদের মতো সীমিত আয়ের পরিবারের জন্য বিদ্যুতের দাম না বাড়ানো ভালো সিদ্ধান্ত। এতে মাসিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য আগের মূল্যহার বহাল রাখাকে যৌক্তিক বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন।

তিনি বলেন, পুরো চাপ শুধু গ্রাহকদের ওপর দেওয়া ঠিক নয়। নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক। তবে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ খাতকে টেকসই করতে সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সচেতনভাবে বিদ্যুতের ব্যবহার এবং সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা অতিরিক্ত ব্যয় কিছুটা হলেও কমাতে পারেন।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়কে ‘অপরিহার্য’ উল্লেখ করে ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দাম সমন্বয়কে আমি মূলত সমর্থন করি, কারণ এটি অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে মূল্য সমন্বয় হয়নি। তবে দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ তুলে ধরা উচিত ছিল। বাসস

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

জেএফএ অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় যুব নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার রাজশাহী ভেন্যুর ম্যাচে জয় পেয়েছে জয়পুরহাট জেলা।

শনিবার (২০ জুন) রাজশাহী  মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে জয়পুরহাট  জেলা ৩-১ গোলে নওগাঁ জেলাকে পরাজিত করে।

জয়পুরহাট জেলার খালকো ম্যাচের ১৪ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। আর্জিনা ম্যাচের ৬০ মিনিটে গোল করলে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ২-০। দলের পক্ষে ৭৪ মিনিটে রিয়া গোল করলে জয়পুরহাট ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮১ মিনিটে নওগাঁর মরিয়ম দলের পক্ষে একমাত্র গোলটি করলে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩-১।

ম্যাচে রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন সুমাইয়া আফরিন শাহীন। তাকে সহযোগিতা করেন আইরিন আকতার, সরেন ও লিজা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, কয়েক কোটি টাকার অলঙ্কার লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, কয়েক কোটি টাকার অলঙ্কার লুট

রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকায় একটি জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা দেয়াল কেটে দোকানে প্রবেশ করে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ অর্থ নিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মালিকপক্ষ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহীর জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাশাপাশি অবস্থিত আফিয়া জুয়েলার্স ও কারুশ্রী জুয়েলার্সের মধ্যে সংযোগকারী দেয়াল কেটে চোরেরা কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে। এর আগে তারা আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ভেতরে ঢোকে। পরে দুই দোকানের মাঝের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, রুপার অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। আফিয়া জুয়েলার্সে কোনো মালামাল না থাকায় সেখান থেকে কিছু নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম অপু বলেন, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ ২০ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজশাহীর সব জুয়েলার্সের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকরা বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি ও বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিচারকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনে অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তারও দাবি করেন তারা।

শনিবার (২০ জুন) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সব জেলা থেকে আগত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা এমন দাবি করেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি অভিভাষণ দেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য বরাদ্দ ৩৪৭ কোটি টাকা, আর দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দ মাত্র ২৯১ কোটি টাকা।

বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেখানে আদালত, সেখানে বিচার বিভাগের জন্য এমন সীমিত বরাদ্দ রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ