খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। তাই আমরা সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের দুর্বলতা রাখা যাবে না। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই। আমাদের এটিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষা নয়; প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটা অর্থবহ পুরস্কার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলো। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন এই সম্মাননা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (খুশিলি) পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) পরিদর্শনকালে তিনি শিপইয়ার্ডের বিভিন্ন স্থাপনা এবং চলমান জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পসমূহ পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

খুশিলি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক ও বেসামরিক জাহাজ নির্মাণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। উপদেষ্টা খুশিলি এর সক্ষমতা, উৎপাদন দক্ষতা এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে মেড ইন বাংলাদেশ নীতির আলোকে খুশিলি এর গুরুত্ব অপরিসীম বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশে প্রতিষ্ঠানের অবদান এবং এর পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় এলসিটি, ড্রেজার, টাগ বোট, ক্রেন বোট, পাইলট ভেসেল, সার্ভে ভেসেল এবং সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ভেসেলসহ বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, নির্মাণমান এবং কারিগরি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পসমূহের সফল বাস্তবায়নে খুশিলির কর্মপরিকল্পনায় গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

এছাড়াও, উপদেষ্টা খুলনা শিপইয়ার্ডের বিভিন্ন উৎপাদন ও সহায়ক স্থাপনা- প্লেটার শপ, মেশিন শপ, কার্পেন্ট্রি শপ, রাবার ফ্যাক্টরি, ডকিং শাখা এবং বিদ্যুৎ শপ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁকে প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক উৎপাদন অবকাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরিদর্শনশেষে তিনি খুশিলি এর সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দেশীয় জাহাজ নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে প্রতিষ্ঠানটির অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল
আশপাশে কান পাতলেই মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিকের প্রশংসা শোনা যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে অন্য আরেকটা আলোচনাও আছে। প্রশ্ন উঠেছে মেসির করা একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে। তাঁকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল?

লাল কার্ড তো আর চাইলেই রেফারি কাউকে দিতে পারেন না! সে জন্য সেই খেলোয়াড়ের কিছু করতে হয়। মেসি কি তেমন কিছু করেছেন? ম্যাচের ৩১ মিনিটে মেসি একটা ঘটনা মেসি ছিলেন তাঁর পেছনে, ওই পজিশন থেকে মেসির পক্ষে বল কেড়ে নেওয়ার সুযোগও তেমন ছিল না। এমন সময়ে মেসির পেছন থেকে করা চ্যালেঞ্জ মান্দির ডান পায়ের কাফ ও অ্যাকিলিস টেন্ডনে গিয়ে লাগে। লুটিয়ে পড়েন আলজেরিয়ার অধিনায়ক! এর জন্য মেসিকে হলুদ কার্ডও দেখাননি পোলিশ রেফারি সাইমন মার্চিনিয়াক।

কেউ কেউ বলছেন, এ ঘটনায় মেসিকে লাল কার্ড দেখানো দরকার ছিল। এই যেমন ভেনেজুয়েলার আলেহান্দ্রো মরেনো ইএসপিএনে বলেছেন, মেসিকে লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেছেন এভাবে, ‘এটা লাল কার্ড ছিল। মেসিকে অবশ্যই কার্ড দেওয়া উচিত ছিল। আর এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।’

এমন ফাউল কেউ করলে তাঁর মাঠ থেকে বের হয়ে যাওয়া উচিত বলেও মনে করেন মরেনো, ‘আপনি যদি ঘটনাটি সরাসরি দেখেন, তবে সঙ্গে সঙ্গেই এটিকে ফাউল মনে হবে। এরপর যখন রিপ্লে দেখলেও মনে হবে, এটি নিশ্চিত ফাউল। এটাকে ভিএআর দিয়ে পুনরায় দেখার মতো ঘটনা ছিল। সাইমন মার্চিনিয়াককে কেন রিপ্লে দেখার জন্য মনিটরের কাছে ডাকা হলো না? মেসির এটি লাল কার্ড পাওয়া উচিত ছিল। আমি মেসিকে যতই ভালোবাসি না কেন, সত্যি বলতে, ওটা খুব মারাত্মক এবং বাজে একটি ট্যাকল ছিল। আপনি যখন পেছন থেকে কারও হাঁটুর নিচ থেকে শুরু করে গোড়ালি পর্যন্ত কাফের ওপর ওভাবে বুট চালিয়ে দেবেন, তখন আপনাকে অবশ্যই মাঠ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’

একই অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক ফুটবলার নেদুম ওনুওহা বলেছেন, ‘আমার মতে, ওটি সম্ভবত একটি লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল। যখন আলজেরিয়ার খেলোয়াড়টি মাঠে পড়ে গেলেন, তখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল মেসি বেশ চিন্তিত। তিনি নিজেই বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি এমন কিছু করে ফেলেছেন যা তাঁকে বিপদে ফেলতে পারত।’

নেদুম ওনুওহা আরও বলেছেন, ‘আমি ধরে নিচ্ছি রেফারি ঘটনাটি খেয়াল করেননি। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ঘটনাটি পুনরায় দেখে যখন বললেন, “না, সব ঠিক আছে, সেখানে তেমন কিছুই হয়নি”… ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি, ওই ফাউলটি লাল কার্ড পাওয়ার মতোই ছিল।’

কালের আলো/এসআর/এএএন

আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

সিলেটের চা বাগানের নারী শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ব্যাপারে নিজের দেওয়া কথা রাখতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সিলেট অঞ্চলে ভোটের প্রচারে গিয়ে সব নারী চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সে কথা মনে করে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেছেন, ‌‘আমি আমার কথা আজকে রাখতে পেরেছি। চা-বাগানের যারা নারী শ্রমিক আছেন, তাদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। হ্যাঁ, হয়তো আজকে সবাইকে দিতে পারিনি, কিন্তু ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা প্রায় সকল নারী শ্রমিকের কাছে, চা-বাগানের সকলের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো।’

অনুষ্ঠানে ১০টি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারের বোতাম চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। সেইসঙ্গে চা শ্রমিক আবাসন সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের দুই লক্ষ টাকার করে অনুদান, চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেক দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সাহায্য করা না গেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে কারণেই আজকে শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, এই যে চা-বাগানের শ্রমিক নারী শ্রমিক যারা, তাদের ৫০ জন শ্রমিককে ঘর বানানোর জন্য ২ লক্ষ টাকা আমরা দিয়েছি। চা-শ্রমিকরা অত্যন্ত কষ্টে থাকে আমরা জানি, ধীরে ধীরে তাদেরকে একটু ভালো অবস্থায় যাতে আনা যায়, সেই জন্য আমরা ২ লক্ষ টাকা করে দিয়েছি। এর বাইরেও চা-শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে কয়েকজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশের কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে বাজেট অর্থ বরাদ্দ রাখার কথা, আগামী এক বছরে দেশের ৪০ লাখ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা। আমাদের একটাই কাজ, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। আসুন, এদেশ আমাদেরকেই গড়তে হবে। এ দেশ আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করতে হবে। তাহলেই আমরা এই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবো।

সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমিন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের অতিরিক্তি সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস এবং ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীদের মধ্যে শিউলী রানী দাস ও ওয়াজেদা বেগম প্রমুখ।

কালের আলো/এসএকে