মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে আরও ১১১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হওয়ার কথাও বলেছে তারা।
বুধবার (১৭ জুন) অধিদপ্তরের হামসংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, সারাদেশে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫৬৮ জন।
এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, বুধবার সকাল ৮ থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১১ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন ৯৬৬ জন; এরমধ্যে ৮৭২ জনকে ভর্তি হতে হয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে; ৩১৫ জন। সবচেয়ে কম ২৫ জন ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগের হাসপাতালগুলোতে।
১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৮৯৫ জন। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৬৩৪ জনের শরীরে।
কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি
লুকোচুরি না করে সবার স্বীকার করা উচিত, মেসিই সর্বকালের সেরা: রোনালদো
ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি কখনো একে অপরের বিপক্ষে বা সতীর্থ হিসেবে মাঠে নামেননি। তবু দুইজনের মধ্যে রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহের সম্পর্ক। এবার সেই সম্পর্ক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল রোনালদোর খোলাখুলি স্বীকারোক্তিতে।
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদো নাজারিও অনেকদিন ধরে ক্লোসার পরে একক অবস্থানে ছিলেন। সম্প্রতি মেসি সেই রেকর্ড স্পর্শ করায় রোনালদো নিজেই উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।
রোনালদো বলেন, ‘মেসি যখনই মাঠে নামে, প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে ওঠে নান্দনিক ও ঐতিহাসিক। আর লুকোচুরি না করে এখন সবারই স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে, মেসিই সর্বকালের সেরা ফুটবলার। প্রতি মৌসুমে এবং বিশ্বকাপেও অসাধারণ পারফরম্যান্স করে যাচ্ছে সে। এটা সত্যিই অতুলনীয়।’
রেকর্ড ভাঙার বিষয়টি নিয়েও রোনালদো ছিলেন পুরোপুরি নিশ্চিত। তিনি যোগ করেন, ‘রেকর্ড তো গড়াই হয় ভাঙার জন্য। আর যে খেলোয়াড় আমার রেকর্ড ভেঙেছে, তাতে কেউ অবাক হয়নি। আর্জেন্টিনা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এবং তারা চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলছে।’ অন্যদিকে মেসি রেকর্ড নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়ে বলেছেন, এই ধরনের পরিসংখ্যান তাঁকে খুব একটা আকর্ষণ করে না। তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে এই রেকর্ড আমাকে খুব বেশি টানে না। অবশ্যই সম্মানের, কারণ ক্লোসা ও রোনালদোর পাশে নামটা দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু আমি এসব নিয়ে খুব বেশি ভাবি না। এমবাপেও দারুণ খেলছে, আজও দুই গোল করেছে। এগুলো শুধু সংখ্যা। আসল সম্মান হলো সবার সঙ্গে লড়াই করা। রোনালদো আমার দেখা অন্যতম সেরা ফুটবলার। তিনি এখন আর প্রথম সারিতে নেই, তবু তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা কখনো কমবে না।’
কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি
Oplus_131072
বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা বাতিলসংক্রান্ত জরুরি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কাতার সরকার। এখন থেকে কাতারে যেসব প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করা হবে, তাদের বাতিলের তারিখ থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় তাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজের।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ আয়োজিত নিরাপদ ভ্রমণবিষয়ক এক ওয়েবিনারে বিমানবন্দর পাসপোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আলি আহমেদ আলি আল কুয়ারি প্রবাসীদের জন্য এই নতুন নির্দেশনা ও নিয়মের কথা জানান। তিনি বলেন, রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের পর প্রবাসীদের কাতার ছাড়ার জন্য আগে যে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হতো, নতুন নিয়মে তা কমিয়ে দুই সপ্তাহ বা ১৪ দিন করা হয়েছে।
আল কুয়ারি প্রবাসীদের সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রবাসী নতুন নির্ধারিত ১৪ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করে কাতারে অবস্থান করলে, তাকে অতিরিক্ত প্রতি দিনের জন্য ১০ কাতারি রিয়াল হারে জরিমানা গুনতে হবে।
একই ওয়েবিনারে কাতার প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের পাসপোর্টে সংযুক্ত ভিসা স্ট্যাম্পে উল্লিখিত ভিসার বৈধতা এবং অবস্থানের মেয়াদ সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়। আল কুয়ারি বলেন, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি কেউ কাতারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল হারে ভারী জরিমানা দিতে হবে।
বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর যেকোনো ধরনের ভ্রমণের আগে ‘মেতরাশ’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিজেদের আইনি অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরা কাতার ছাড়ার আগে তাদের কোনো বকেয়া ট্রাফিক জরিমানা, অতিরিক্ত অবস্থানের জরিমানা কিংবা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা সহজেই পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।
এ ছাড়া যেসব প্রবাসী তাদের নতুন পাসপোর্টে রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা স্থানান্তর করতে চান, তারাও কোনো সরকারি দপ্তরে না গিয়ে এই মেতরাশ অ্যাপের মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
কালের আলো/এসএকে
আপনার মতামত লিখুন
Array