খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাজশাহীতে তুচ্ছ ঘটনায় রেস্তোরাঁ ভাঙচুর,হাতবোমা  বিস্ফোরণে পুলিশ আহত

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
রাজশাহীতে তুচ্ছ ঘটনায় রেস্তোরাঁ ভাঙচুর,হাতবোমা  বিস্ফোরণে পুলিশ আহত

রাজশাহী নগরীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর ও হাতবোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নগরের বিনোদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ সদস্য মো. ফয়েজ ককটেল বিস্ফোরণে পায়ে আঘাত পান। ঘটনার পর তাকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে কয়েকজন তরুণ বিনোদপুর বাজারের বাংলা টিফিন রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে যান। এ সময় রেস্তোরাঁর কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ওই তরুণরা আরও লোকজন নিয়ে এসে রেস্তোরাঁটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে হামলাকারীরা পুলিশ ও রেস্তোরাঁর কর্মীদের লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের সময় পুলিশ সদস্য মো. ফয়েজ আহত হন।

বিনোদপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আহসান হাবিব বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পরে জানতে পেরেছেন, রেস্তোরাঁয় খেতে আসা এক ব্যক্তিকে কর্মচারীদের একজন চাপ্পড় দেখিয়েছেন। এর জের ধরেই তার স্বজন ও পরিচিতরা এসে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির বলেন, সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন থেকে চারটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। তবে রাত সাড়ে ১০টার মধ্যেই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি রেস্তোরাঁর মালিকও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা দায়েরের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ৬ জন। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৭ জন।

শনিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৮৪ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ১০ হাজার ৯৪৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৯১ হাজার ৭৮৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০৪ জন ও আক্রান্ত ৪৯ হাজার ৭৮৩ জন।

এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২০ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে তায়কোয়ানডো দোজাং এর ২৬ তম বেল্ট বিতরণী আগামীকাল

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তায়কোয়ানডো দোজাং এর ২৬ তম বেল্ট বিতরণী আগামীকাল

রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং এর আয়োজনে আগামীকাল রোববার ( ২১ জুন)   বিকাল ৫ টায় রাজশাহীর শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে ২৬তম বেল্ট বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন  রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন

শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান সরকারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা: আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর  ও  রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো: মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক  ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ সাইফুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং এর সভাপতি মোঃ শরফুজ্জামান শামীম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রায় ২০০ জন তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষনাথী, অভিভাবকবৃন্দ, রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং-এর কার্যনির্বাহী কমিটির  সদস্যবৃন্দ এবং রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে উসকানির আভাস পাচ্ছি: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে উসকানির আভাস পাচ্ছি: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দুটি বিদেশ সফরকে ঘিরে দেশে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর রমনায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ন্যাশনালিস্ট আইসিটি ফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আইসিটি শিল্প ২০৩০: চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও কৌশলগত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘বহুদিন সংগ্রামের মধ্যদিয়ে নির্বাচিত সরকার এসেছে। মানুষের প্রত্যাশা অনেক এ সরকারের কাছে। সরকারের যে রাজনৈতিক দল, তার নামের আগে একটি জাতীয়তাবাদী শব্দ আছে। অর্থাৎ যে শব্দটির সঙ্গে মিশে আছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র। অর্থাৎ এ সরকার এমন কিছু করবে না, যেখানে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন হয়। এ জাতীয়তাবাদী শব্দ থাকার কারণে এই সরকারের প্রকৃতিটা এমনই— এমন কিছু করবে না, যাতে আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল হয়। সে কাজ তো করবে না। সুতরাং এ সরকারকে অনেক চক্রান্ত, অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই এগোতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে বর্তমান সরকার তার প্রথম বিদেশসফরে যাচ্ছে। হয়তো আজকেই যাত্রা শুরু করবেন। এর মধ্যে একটি দেশে আগামীকাল যাবে। তো এর সঙ্গে দুই-একটি দেশসফর করবেন। কিন্তু এ সফরকে কেন্দ্র করে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে, দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের উসকানি এবং এক ধরনের নেতিবাচক পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করার প্রচেষ্টা চলছে। এটা কিন্তু খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে, কল্যাণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে আমাদের কেউ শত্রু নেই, আবার কেউ প্রভুও নেই। সবাই আমাদের বন্ধু। এটি হচ্ছে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি ঘোষিত নীতি। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকারপ্রধান তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলা এবং আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ— সবকিছু ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়িয়ে তোলার জন্য একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি থাকতে হবে। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন দেশে আমাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে। তারই অংশ হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল দুটি দেশ সফরে যাচ্ছেন। এটা আমি আগেই বলেছি।’

রিজভী বলেন, ‘কেন জানি আমার কাছে মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে নানাভাবে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি। বিভিন্ন কথাবার্তায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে। যাই হোক, আমি ওই প্রসঙ্গে যাব না। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে এবারের বাজেটে আমি যেটা দেখলাম, একটি ঘোষিত নীতি নেওয়া হয়েছে সফটওয়্যার এবং আইটি খাতকে কেন্দ্র করে। সেটা হচ্ছে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’ এবং ‘ওয়ান ডিজিটাল, ওয়ান ওয়ালেট’। এটি সরকারের একটি ঘোষিত নীতি। সেখানে বলা হয়েছে যে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের মডেল থেকে নয়, বরং আমরা পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাটাকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসব। এটাই ঘোষিত নীতি।’

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন এনসিএফটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাফায়েল কবির, উপদেষ্টা ডা. মারুফ মল্লিক, ডা. শাহ জেড মিয়া প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ