খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সীমান্তে পাকিস্তানের অভিযানে ২৯ আফগান নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সীমান্তে পাকিস্তানের অভিযানে ২৯ আফগান নিহত

আফগানিস্তান সীমান্তে যৌথ অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনা-পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। রোববার (২৮ জুন) রাতে পরিচালিত সেই অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

এক্সবার্তায় তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান এবং সিন্ধ প্রদেশে আফগান সন্ত্রাসীদের সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার জবাব দিতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

নিহত এই সন্ত্রাসীরা সবাই পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির সদস্য ছিল। আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনীর আদর্শে আড়াই দশক আগে পাকিস্তানে গঠিত এই দলটিকে বেশ কয়েক বছর আগে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তানের সরকার।

সরকারিভাবে এই গোষ্ঠীকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ বলা হয় পাকিস্তানে। আতালউল্লাহ তারারও তার এক্সবার্তায় নিহতদের ফিৎনা আল খারিজির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন।

আগের দিন শনিবার রাতে সিন্ধ রাজ্যের রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল, এতে নিহত হয়েছিলেন রেঞ্জার্সের তিন কর্মকর্তা।

সেই হামলার পরেই রোববার এ অভিযান পরিচলনার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাক সেনাবাহিনীর আন্তঃবিভাগ সংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সন্ত্রাসীরা হামলার করলে পাল্টা হামলা শুরু করেন রেঞ্জার্স সদস্যরা।

তাদের হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১ জন। আহত সেই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা ‘জামাতুল আখবার’ নামে একটি পৃথক গোষ্ঠীর সদস্য। এই গোষ্ঠীটি টিটিপিরই একটি শাখা গোষ্ঠী।

পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য খাইবার পাখতুনখোয়ার ৪০টি জেলার মধ্যে যে ৯টি জেলার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের; বাজউর সেসবের মধ্যে অন্যতম।

তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের এক্সবার্তা থেকে জানা গেছে, রোববারের অভিযানে বাজাউর জেলার সীমান্তের ওপারে টিটিপি ওরফে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ এবং জামাতুল আহরারের জঙ্গিদের আস্তানা এবং স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।

নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে টিটিপির উচ্চপর্যায়ের কমান্ডার খান ফারোশ আকা জাবাল নিহত হয়েছেন বলে এক্সবার্তায় জানিয়েছেন তারার। খান ফারোশ আকা জাবাল জামাতুল আহরারের শীর্ষ সংগঠক ছিলেন বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নারায়ণগঞ্জে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সক্ষমতার প্রশংসা করলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সক্ষমতার প্রশংসা করলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পের সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত এইচ ই মি. মাইকেল মিলার।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মাহমুদনগর এলাকায় অবস্থিত কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড (কেএসবিএল) এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড (ডিইডব্লিউ) পরিদর্শন শেষে তিনি এ প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং পেশাদার কর্মপরিবেশ বাংলাদেশের এই শিল্পকে সম্ভাবনাময় অবস্থানে নিয়ে গেছে। ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি বিনিময় এবং অভিজ্ঞতা আদান-প্রদানের মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশে স্পেনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই মি. গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মি. জোরিস ভ্যান বোমেল, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (প্রাইভেট সেক্টর, সার্কুলার ইকোনমি ও ট্রেড) হুবার্ট ব্লম এবং ট্রেড অ্যাডভাইজার আবু সাইয়েদ বেলাল।

প্রতিনিধি দলটি ডিইডব্লিউ ও কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কার্যক্রম, উৎপাদন ব্যবস্থা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং কর্মপরিবেশ ঘুরে দেখেন।

এ সময় তাদের স্বাগত জানান ডিইডব্লিউর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর ফয়েজ (সি), এনজিপি, এনডিসি, পিএসসি, বিএন এবং কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রশিদসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে প্রতিনিধি দলটি বন্দর উপজেলা ত্যাগ করে রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো টাটকি এলাকায় অবস্থিত আরবিডি ফাইবার্স লিমিটেড পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দারুণ প্রত্যাবর্তনে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
দারুণ প্রত্যাবর্তনে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

প্রথমার্ধে গোল খাওয়া ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেছে। দলে পরিবর্তন এনেছে তারা। পাকেতার বদলে এন্দ্রিককে মাঠে নামানো হয়েছে। বিরতির পর ব্রাজিল ছন্দে ফেরে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর ৫৬ মিনিটে কাসেমিরো গোল শোধ দেন।

এর আগে হাইড্রেশন ব্রেকের পরপর জাপান ব্রাজিলকে গোল দেয়। মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে লুজ বল পান সানো। তিনি কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে এগিয়ে যান এবং বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটটি নিখুঁতভাবে পোস্টের নিচের বাম কোণ দিয়ে ভেতরে ঢুকে যায়। ২৯ মিনিটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় জাপান।

অথচ হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ব্রাজিল বেশ আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। তারা পানি পানের বিরতির আগে প্রায় ৭৫ শতাংশ বল দখলে রেখে চারটি শট নিলেও গোল পায়নি। জাপানের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও স্কোরে কোনো ব্যবধান তৈরি করতে পারেনি।

৩ মিনিটে ব্রাজিল আক্রমণের সুযোগ পায়। বক্সের প্রান্ত থেকে গিমারায়েসের শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। পাঁচ মিনিটে ওপর দিয়ে বল বাড়ায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে বল পড়ার আগেই জাপানি গোলকিপার সুজুকি সামনে এগিয়ে এসে দুই হাত দিয়ে পাঞ্চ করে বল ক্লিয়ার করেন। সম্ভবত এটি ম্যাচের শুরুর দিকের স্নায়ুচাপের লক্ষণ, কারণ তিনি চাইলেই সেখানে বলটি সহজেই ধরে ফেলতে পারতেন।

জাপান তেমন কিছুই করে উঠতে পারেনি শুরুর দিকে। তারা নিজেদের অর্ধেকের মধ্য থেকে বের হতেই হিমশিম খাচ্ছিল। ব্রাজিল একটি সুযোগের খোঁজে বল পাস করে খেলছে, তবে জাপানের রক্ষণভাগ বেশ সুসংগঠিত দেখাচ্ছে।

১০ মিনিটে দানিলো বাইলাইনে পৌঁছে বক্সের ভেতর বল বাড়ান। বলটি একজন ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের পায়ে পড়ে, যিনি সজোরে শট মেরে বসেন তারই সতীর্থের মুখে। চার মিনিট পর কুনহা বক্সের বাইরে থেকে  শট নেন। সুজুকি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে কর্নার বানান। দ্রুত কর্নার নেয় ব্রাজিল। পাকেতার শট ডানপাশের পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।

১৬ মিনিটে বিপদজনক জায়গা থেকে ফ্রি কিক পায় জাপান। জুনিয়াকে ফাউল করেন কাসেমিরো। ডি বক্সের বাঁ পাশ থেকে কামাদার শট রক্ষণদেয়ালে লেগে মাঠের বাইরে যায়। ব্রাজিল সহজেই কর্নার কিক ফিরিয়ে দেয়।

প্রথম গোল হজমের পর সমতা ফেরাতে মরিয়া ছিল ব্রাজিল। কিছুক্ষণ পর বাম পাশ থেকে পাকেতার ফ্রি কিকে মারকুইনহোসের হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। এরপর কিছুটা দূর থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট সহজেই হাতে নেন সুজুকি। ৩৯ মিনিটে কুনহার দূর থেকে নেওয়া শটও লুফে নেন জাপান কিপার।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্রাজিলকে আক্রমণে তটস্থ করে রেখেছিল জাপান। রিতসু দোয়ান ডানপ্রান্ত দিয়ে বেশ ভালোই ভোগান্তিতে ফেলেছেন তাদের। ৪৪ মিনিটে তিনি জুনিয়া ইতোকে খুঁজে নেন, যিনি বক্সের ভেতর একটি বিপজ্জনক বল বাড়ান। সেটি ক্লিয়ার করতে ব্রাজিলকে বেশ বেগ পেতে হয়।

এরপর বামপ্রান্ত থেকে হিরোকি ইতো ভেতরের দিকে একটি বাঁকানো ক্রস বাড়ান। তবে ব্রাজিল কোনোমতে সেটিও সামাল দিয়ে নেয়। এটি জাপানের জন্য বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আরও একটি ভালো সময়।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। সুযোগও তৈরি করে একাধিকবার। ৫০ মিনিটে একটি দূর থেকে বাড়ানো বল ধরে এন্দ্রিক তার রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার পাসটি ভুল জায়গায় চলে যায় এবং সুজুকি সামনে এগিয়ে এসে বলটি গ্লাভসবন্দি করেন।

৫২ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো একটি ক্রস থেকে গিমারেস বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে জোরালো হেড করেন, তবে সুজুকি দারুণভাবে ডাইভ দিয়ে সেটি রুখে দেন। ৫৫ মিনিটে কাসেমিরো খুব কাছ থেকে হেড করার পর তোমিয়াসু গোললাইনের ওপর থেকে বলটি প্রতিহত করেন এবং এরপর গোলপোস্টের সামনে জটলার সৃষ্টি হলে তিনি আবারও বল ব্লক করেন। জাপান পাল্টা আক্রমণে উঠলেও তাদের ক্রসটি একটু বেশি জোরে হয়ে যায়, যার ফলে সবাই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার সুযোগ পায়!

কিছুক্ষণ আগের সুযোগ মিস করার খেসারত চুকিয়ে ব্রাজিলের হয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন কাসেমিরো! তার ৩ মিনিট পর ভিনিসিয়ুস বামপ্রান্ত থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দারুণ গতিতে তোমিয়াসুকে নাটমেগ করেন। বক্সের ভেতরে তিনি জাপানের আরেকজন খেলোয়াড়কে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে ড্রিবল করে কাটিয়ে এগিয়ে যান এবং ডাইভ দেওয়া সুজুকিকে ফাঁকি দিয়ে শট নেন; কিন্তু বলটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং জাপানের রক্ষণভাগ বলটি ক্লিয়ার করে বিপদ মুক্ত করে।

৭৫ মিনিটে জাপানি কয়েকজন খেলোয়াড়কে ড্রিবলিংয়ে বোকা বানিয়ে ফাঁকি দিয়ে বামপ্রান্তের উইংয়ে থাকা ভিনিসিয়ুসকে বল বাড়ান এন্দ্রিক। ভিনিসিয়ুস গতি বাড়িয়ে বক্সের ভেতর ঢুকে তার ডান পায়ে বল নেন, কিন্তু তার পাসটি ভুল জায়গায় চলে যায় এবং জাপানের রক্ষণভাগ বলটি ক্লিয়ার করে।

এর কিছুক্ষণ পরেই গ্যাব্রিয়েল ব্যাক পোস্টে আরও একটি ডিপ ক্রস বাড়ান। এবার রায়ান হেডের মাধ্যমে বলের নাগাল পেলেও সুজুকির গায়ে লেগে বলটি পোস্টের বাইরে চলে যায় এবং ব্রাজিল একটি কর্নার পায়।

তবে জাপানের দৃঢ় রক্ষণের কারণে কর্নার থেকে কোনো সুযোগ তৈরি হতে পারেনি এবং তারা ব্রাজিলকে পেছনে হটে যেতে বাধ্য করে।

৮৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের একটি শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে কর্নার হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের একাদশ ঘোষণা ব্রাজিলের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের একাদশ ঘোষণা ব্রাজিলের

হেক্সা মিশনের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে ব্রাজিল। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের দৌড়ে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে খেলবে সেলেসাওরা। শেষ বত্রিশে ভিনিসিয়ুসদের প্রতিপক্ষ এশিয়ার পরাশক্তি জাপান। রোববার (২৮ জুন) রাত ১১টায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচের জন্য শুরুর একাদশ ঘোষণা করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে রক্ষণে পরীক্ষিত চার তারকার উপরই ভরসা রাখছেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আনচেলত্তি। গোলপোস্টের নিচে যথারীতি থাকবেন অ্যালিসন বেকার। এরপর ৪-২-৩-১ ফরমেশনে রক্ষণে থাকছেন দানিলো, মার্কিনিয়োস এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালেয়াস এবং ডগলাস সান্তোস।

মাঝমাঠের খেলা নিয়ন্ত্রণে থাকছে একপাশে ক্যাসেমিরো এবং অপরপাশে ব্রুনো গিমারেস। এ দুজনের সঙ্গে থাকবেন লুকাস পাকেতাও।

আর আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে থাকবেন মাথেউস কুনিয়া এবং তরুণ রায়ান। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশ থেকে কোনো পরিবর্তন আনেননি আনচেলত্তি।

এদিকে জাপানের বিপক্ষে শুরুর একাদশে থাকছেন না নেইমার জুনিয়র। যথারীতি আজও তিনি বেঞ্চে থেকেই খেলতে নামবেন। স্কটিশদের বিপক্ষে ১৫ মিনিট খেললেও আজ সময় বেশি পেতে পারেন তিনি।

ব্রাজিলের একাদশ:
আলিসন; দানিলো, মার্কিনিওস, গাব্রিয়েল মাগালাইস, দগলাস সান্তোস; কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেস, লুকাস পাকেতা; রায়ান, মাথিয়াস কুনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ