খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, হাসপাতালে ব্যবহৃত কোনো ওষুধের মেয়াদ যেন কোনোভাবেই উত্তীর্ণ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণী চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষের অন্যতম ভরসার প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল।

দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি পোষা প্রাণীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ বাস্তবতায় প্রাণিসম্পদ খাতের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রাণী চিকিৎসাসেবাকে আরও যুগোপযোগী, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পোষা প্রাণীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

সে বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের শাখা সম্প্রসারণ এবং সেবার পরিধি বাড়াতে হবে, যাতে দেশের সব অঞ্চলের প্রাণী সহজেই উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা পায়।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল আজিজ আল মামুন, কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের পরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, টক্সিকোলজি ও জুরিসপ্রুডেন্স অনুবিভাগের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্রয় করা ওষুধ, কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও শল্যচিকিৎসা-সংক্রান্ত সরঞ্জাম মাঠপর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় মাঠপর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলোতে বিতরণের জন্য ৯০ ধরনের ওষুধ ও কেমিক্যাল এবং ৪০ ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি ও শল্যচিকিৎসার সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলকার গ্রিড সবস্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনটির মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রাতে হঠাৎ করে ওই সাবস্টেশনটির ভেতরে একটি বিকট শব্দ হয়। এর পরপরই স্টেশনটির ৬ নম্বর ফিডারে আগুন লেগে যায়। আগুনের স্থায়িত্ব মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট হলেও স্টেশনের ভিতরে থাকা অন্য ফিডার, বিভিন্ন তারের সংযোগ পুড়ে যাওয়াসহ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে বিকট একটা শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।

আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়েগেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা  অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভ্যান্তরীন ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না কেনো এ ঘটনা ঘটেছে৷

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

স্পেন-পর্তুগালের শুরুর একাদশে রয়েছেন যারা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
স্পেন-পর্তুগালের শুরুর একাদশে রয়েছেন যারা

বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। কোয়ার্টার ফাইনাল উঠার লড়াইয়ে শক্তিশালী একাদশই সাজিয়েছে দুদল।শুরুর একাদশে রয়েছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। অন্যদিকে স্পেনের জার্সিতে নামবেন লামিনে ইয়ামাল।

পর্তুগালের একাদশে আক্রমণভাগে রোনালদোর সঙ্গী হিসেবে থাকছেন জোয়াও ফেলিক্স ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ। অন্যদিকে, স্পেনের মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগ সাজানো হয়েছে রদ্রি, পেদ্রি ও তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে।

পর্তুগালের শুরুর একাদশ:

দিয়োগো কস্তা (গোলরক্ষক), জোয়াও কানসেলো, রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, পেদ্রো নেতো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও ফেলিক্স, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

স্পেনের শুরুর একাদশ:

উনাই সিমন (গোলরক্ষক), পেদ্রো পোরো, পাও কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, পেদ্রি, দানি ওলমো, লামিন ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারসাবাল, আলেক্স বায়েনা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি