খুঁজুন
                               
, ,
           

ইতিহাস ব্রাজিলের বিপক্ষে  সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী কার পক্ষে?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
ইতিহাস ব্রাজিলের বিপক্ষে  সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী কার পক্ষে?

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। আর্লিং হালান্ডের দলের সামনে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে সেলেসাওদের। ডেটা বিশ্লেষণকারী ওয়েবসাইট ‘অপ্টা অ্যানালিস্ট’ এই ম্যাচ নিয়ে তাদের ভবিষ্যদ্বাণী করেছে।

শেষ রাউন্ডে জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল। হিউস্টনে কাইশু সানোর গোলে পিছিয়ে পড়ার পর কাসেমিরো সমতা ফেরান। তারপর শেষ দিকে জয়সূচক গোল করেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি।

তাকে এই গোল বানিয়ে দিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান ব্রুনো গিমারায়েস। চারটি অ্যাসিস্ট তার। এক আসরে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করা ব্রাজিলিয়ানের তালিকায় তার উপরে কেবল পেলে (১৯৭০ সালে ৬টি)।

কিন্তু আনচেলত্তির উদ্বেগের জায়গা তার আক্রমণভাগ নিয়ে। এখনও আসল রূপে দেখা যায়নি এই পজিশনের খেলোয়াড়দের। ৪ ম্যাচে ৬০ শট নিয়েছে ব্রাজিল। ১৯৯৮ সালের (১৪.৪) পর এক আসরে তাদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রেকর্ড।

অবশ্য ব্রাজিল টানা চার জয়ে ভালো অবস্থানে আছে। ২০০২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে টানা ১১ ম্যাচের পর এটাই তাদের সর্বোচ্চ ধারাবাহিক জয়ের রেকর্ড।

এছাড়া শেষ ষোলোর পরিসংখ্যানও তাদের পক্ষে। শেষ ষোলোতে ১০ ম্যাচে তারা কেবল একবার হেরেছে। ১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। নরওয়েও দারুণ ফর্মে আছে।

আইভরি কোস্টের বিপক্ষে শেষ ৩২ এর ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে তারা জেতে। ৮৬তম মিনিটে আর্লিং হালান্ডের গোলে এটি ছিল বিশ্বকাপে তাদের প্রথম নকআউট ম্যাচ জয়।

এর আগে তারা ১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে দুইবার নকআউট খেলেছিল। কিন্তু দুবারই ইতালির কাছে হেরে যায়। ব্রাজিলের জন্য হালান্ডকে সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করা হচ্ছে।

নিজের শেষ ১৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। মোট ২৫ গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে আরেকটি গোল পেলে অনন্য রেকর্ড গড়বেন তিনি। অষ্টম ইউরোপিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম চার ম্যাচে গোলের কীর্তি।

তাছাড়া পরিসংখ্যান নরওয়ের বিপক্ষে। এনিয়ে পঞ্চমবার মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। চার ম্যাচে কোনো জয় নেই ব্রাজিলের। দুটি জিতেছে নরওয়ে, ড্র দুটি। তাছাড়া ২০০২ সালের ফাইনালে জার্মানিকে হারানোর পর থেকে নকআউটে কোনো ইউরোপিয়ান দলের বিপক্ষে জয় নেই।

ইতিহাস নরওয়ের পক্ষে থাকলেও অপ্টা সুপারকম্পিউটার ভিন্ন কথা বলছে। তাদের হিসাবনিকাশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় মানে ৯০ মিনিটের মধ্যে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৩.৬ শতাংশ। আর নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ২২.৪ শতাংশ। ৯০ মিনিটে সমতা শেষে অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচটি গড়ানোর সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ।

সব মিলিয়ে ব্রাজিলের শেষ আটে পৌঁছানোর হার ৬৫.৬ শতাংশ। নরওয়ের দিকে সম্ভাবনার হার ৩৪.৫ শতাংশ। যে দল জিতবে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে পাবে ইংল্যান্ড অথবা মেক্সিকোকে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় বিদ্যুৎ স্থাপনা ও রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে ইরানের বিভিন্ন স্থানে কয়েক শ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং আরও ৩০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

হামলার পাশাপাশি ইরানের ওপর আবার নৌ–অবরোধও আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনী ইরানের দক্ষিণ উপকূল ও হরমুজ প্রণালির আশপাশের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এদিকে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বিমান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

একই সময়ে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দিতে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, যুদ্ধ শুরুর আগে যেমন ছিল, হরমুজ প্রণালি আর কখনো সেই অবস্থায় ফিরবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ কার্যকর করতে ওমান উপসাগরে একটি জাহাজে অভিযান চালিয়ে সেটিতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মঞ্চে সারজিস-পাটওয়ারী, ‘জয়বাংলা’ বলে বক্তব্য শেষ করলেন এনসিপি নেতা

গাইবান্ধা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
মঞ্চে সারজিস-পাটওয়ারী, ‘জয়বাংলা’ বলে বক্তব্য শেষ করলেন এনসিপি নেতা

গাইবান্ধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক পথসভায় সমাপনী বক্তব্যের শেষে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করেছেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও এনসিপির সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শফিজল ইসলাম। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা সদরের শহীদ মিনার চত্বরে এনসিপির জেলা শাখার আয়োজিত পথসভায় এ ঘটনা ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, বক্তব্যের শেষ দিকে শফিজল ইসলাম বলেন, ‘আমি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন মানুষের পাড়া-মহল্লায় গিয়ে কথা বলছি। অত্যন্ত সাড়া পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আপনারা যদি সহযোগিতা করেন, আশা করি আমাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। এখান থেকে আধা কিলোমিটার দূরে জামালপুর ইউনিয়ন। আপনারা সহযোগিতা করলে চেয়ারম্যান পদে কেউ আমাকে ঠেকাতে পারবে না। এই বলে আমার বক্তব্য শেষ করছি। খোদা হাফেজ, জয়বাংলা।’

‘জয়বাংলা’ উচ্চারণের পর মঞ্চে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ফিসফাস শুরু হয়। এরপর শফিজল ইসলাম মঞ্চ থেকে সরে যান।

পথসভায় বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় নেতা নাজমুল হাসান ও সুমাইয়া ফারজানা এবং গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলামসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জে তার কবর জিয়ারত শেষে ঢাকায় ফেরার পথে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা এ পথসভায় অংশ নেন।

‘জয়বাংলা’ কেন বলেছিলেন—এ বিষয়ে জানতে শফিজল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে এনসিপির গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘শফিজল ইসলাম আগে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এলাকায় তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাই তাকে এনসিপির সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক করা হয়েছে। তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। বড় জনসমাগমে বক্তব্য দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় অসাবধানতাবশত তিনি ‘জয়বাংলা’ বলে ফেলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘মঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বিষয়টি শুনে বিস্মিত হন।’

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধের হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধের হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারির পর এবার জ্বালানি পণ্য পরিবহনের অপর গুরুত্বপূর্ণ রুট লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পানা নিয়েছে ইরান। ইয়েমেনে নিজেদের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীকে এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশও ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে তেহরান থেকে।

ইতোমধ্যে কূটনৈতিক সূত্রে তেহরানের এই পরিকল্পনার তথ্য সৌদির কাছে পৌঁছেছে এবং রিয়াদ এই হুমকিকে অত্যন্ত গুরত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

ইরানের দু’টি উচ্চপর্যায়ের সূত্র এবং একটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে— সেক্ষেত্রে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হবে।

সূত্রের বরাতে আরও জানা গেছে যে কয়েক দিন আগে হুথি গোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ইরানি, মধ্যপ্রাচ্যীয়, এশীয় বা পশ্চিমা কোনো সংবাদমাধ্যমে আসেনি এ তথ্য।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং হুথি গোষ্ঠীর মুখপাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, কিন্তু কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, তেহরান থেকে নির্দেশ আসার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কাজ শেষ করে এনেছে হুথি গোষ্ঠী। ইতোমধ্যে লোহিত সাগারের প্রবেশ পথ হিসেবে পরিচিত বাব এল-মান্দেব প্রণালির চারপাশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা শেষ করার পর আগামী সপ্তাহেই দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা শুরু করা হবে।

মার্কিন বাহিনী এই নীতিতে হামলা করলে পাল্টা ব্যবস্থা কী হতে পারে— তা জানা গেল রয়র্টার্সের এ প্রতিবেদনে।

যদি সত্যি হুথি গোষ্ঠী বাব এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তাহলে তা হবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতের জন্য বড় দুর্যোগ। কারণ হরমুজ প্রণালি এবং লোহিত সাগর— এই দু’টি পথ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পণ্য এশিয়া এবং পশ্চিমা বিশ্বে পৌঁছানোর জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দু’টি প্রধান পথ হলো হরমুজ প্রণালি এবং লোহিত সাগর। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের ২৫ শতাংশ হরমুজ দিয়ে এবং ৭ শতাংশ লোহিত সাগর দিয়ে পরিবাহিত হয়।

দু’দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারির পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান।

যদি সত্যিই হুথি গোষ্ঠ বাব এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তাহলে বিপদে পড়বে সৌদি আরব। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই তেল উত্তোলনকারী দেশ বৈশ্বিক বাজারে যে পরিমাণ জ্বালানি রপ্তানি করে, তার ৭০ শতাংশ চালান যায় লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর থেকে।

আর হুথি বিদ্রোহীরা বাব এল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের পাশাপাশি লোহিত সাগর এলাকার সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে যে হামলা করবে— এমন আশঙ্কা ব্যাপকভাবে আছে।

কারণ কয়েক দিন আগে হুথি গোষ্ঠীর নেতা ও মুখপাত্রদের বহনকারী একটি উড়োজাহাজকে ধ্বংস করতে ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা হয়েছিল। এই হামলার জন্য সৌদিকে দায়ী করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল হুথি গোষ্ঠী।

সৌদি আরবকে এক নম্বর বা শীর্ষ পর্যায়ের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে হুথি। ২০১৫ সালে এই গোষ্ঠী সানা দখল করার পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে আনতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি সেনাবাহিনী। সে অভিযান এখনও চলছে।

বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে, বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে এই সরকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিও পেয়েছে। সৌদি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে পুরো ইয়েমেন হুথিরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারত।

সূত্র : রয়টার্স

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি