খুঁজুন
                               
, ,
           

কেপ ভার্দে কি ঘুম ভাঙাল আর্জেন্টিনার?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
কেপ ভার্দে কি ঘুম ভাঙাল আর্জেন্টিনার?

মনে আছে সৌদি আরবের কথা! ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর লুসাইল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন ঘটিয়েছিল তারা। পিছিয়ে পড়েও আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। পরের দৃশ্য ভিন্ন।

একে একে সব বাধা ডিঙিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। ৩৬ বছরের খরা কাটায়। সেই ‘লজ্জাজনক’ হারের ভেন্যুতেই ফ্রান্সকে হারায় তারা। লিওনেল মেসি তার অধরা ট্রফি হাতে নেন।

প্রায় সাড়ে তিন বছর পর সৌদি আরবের কথা আসছে কেন? কারণ ওই হারের পর অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। বলা যায়, ঘুম ভেঙেছিল তাদের। ভাঙিয়ে দিয়েছিল সৌদি আরব। বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এসে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব পার করেছে কোনো বাধা ছাড়াই।

কোনো পরীক্ষাই দিতে হয়নি। আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডানকে পরাজিত করে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে তারা। সামনে পড়েছিল নবাগত কেপ ভার্দে। চলতি বিশ্বকাপে যাদের কোনো হার নেই। অবশ্য কোনো জয়ও নেই। কিন্তু স্পেন, উরুগুয়ে আর সেই সৌদি আরবকে রুখে দিয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে। যার পুরো প্রভাব পড়ল মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে।

প্রত্যাশিতভাবে আর্জেন্টিনা তাদের হারিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তারা যে এমন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে, তা হয়তো হাতে গোনা মানুষ আশা করেছিল। টুর্নামেন্টের নবাগত একটি দলের কাছে প্রায় হারের দ্বারপ্রান্তে যাওয়া। স্বাভাবিকভাবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের মনে নতুন কিছু সংশয় তৈরি হয়েছে।

কেপ ভার্দে দুই দুইবার ম্যাচে সমতায় ফেরে। দক্ষিণ আমেরিকান দলটির রক্ষণভাগের দুর্বলতাগুলো স্পষ্ট হয়েছে তাতে। অবশেষে ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর একটি হেডারে স্বস্তি ফেরে। কেপ ভার্দের ডিনি বোর্গেসের গায়ে লেগে আত্মঘাতী গোল হয়। তাতে ঘাম ছুটানো ম্যাচটি জেতে আর্জেন্টিনা।

কোচ লিওনেল স্কালোনি আগেই সতর্ক করেছিলেন। গ্রুপ পর্বে স্পেন ও উরুগুয়ের সাথে ড্র করা কেপ ভার্দে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে জানতেন। তবে এতটা তোপের মুখে পড়তে হবে তা হয়তো কল্পনাও করেননি।

গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে সহজ জয় নিয়ে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল আর্জেন্টিনা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ৩-২ গোলের এই কষ্টার্জিত জয় সেই ছন্দে পতন ঘটাল। আগামী মঙ্গলবার আটলান্টায় মিসরের বিপক্ষে শেষ ১৬-র ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিপক্ষে পারফরম্যান্স আর্জেন্টিনার ওপর চাপ ও সমালোচনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আগের তিন প্রতিপক্ষ কেমন ছিল তা নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্বেও তারা জুনে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিল। কিন্তু সেটি ছিল ২০২২ সালের বিশ্বকাপের পর কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে তাদের প্রথম খেলা। ফলে তাদের রক্ষণভাগকে এর আগে তেমন কঠিন কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়নি।

১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে খেলা রিভার প্লেটের সাবেক কোচ মার্সেলো গ্যালার্দো ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই ম্যাচটি একটি সতর্কবার্তা হতে পারে। ইএসপিএন আর্জেন্টিনাকে তিনি বলেন, ‘যা ঘটেছে তা ভালোই হয়েছে। এর একটি প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে, আর প্রতিক্রিয়া হওয়াটা জরুরি।’

প্রথমার্ধে বিশ্বকাপে নিজের রেকর্ড ২০তম গোলটি করা মেসি ম্যাচের ধকলের কথা স্বীকার করেছেন। ৩৯ বছর বয়সী এই অধিনায়ক জানান যে, মাঠের ওপরের দিকে বলের দখল ফিরে পেতে ভুগেছেন তিনি। তাতে ম্যাচ শেষে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন।

মেসি বলেন, ‘ওদের পায়ে বল ছিল এবং ওরা আমাদের প্রচুর খাটিয়েছে, কারণ আমরা ঠিকমতো প্রেসিং করতে পারছিলাম না। আমাদের রক্ষণ ও আক্রমণভাগের লাইনের মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি ছিল।’

তবে স্কালোনি দলের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতার ওপর জোর দিয়েছেন। ম্যাচের আগের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে তিনি বলেন, বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। কোচ বলেন, ‘উন্নতি করার সুযোগ সবসময়ই থাকে।

তবে কঠিন মুহূর্তে দল যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ভালো খেলেছি না খারাপ খেলেছি তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে এই দল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে কখনো পিছিয়ে যায় না।’

আর্জেন্টিনার এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন কারা? সম্প্রতি ইনজুরির ধাক্কা কাটিয়ে ফেরা দুই ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও রোমেরো।

২০২৫ সালের শুরুতে এসিএল ইনজুরিতে পড়া লিসান্দ্রো আর্জেন্টিনার হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন। জয়সূচক গোল করেন রোমেরো। অথচ টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে হাঁটুর সমস্যায় মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।

লিসান্দ্রো বলেন, ‘আমি যে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি তা সত্যিই খুব কষ্টের ছিল। তবে আমার ক্লাব ও জাতীয় দলকে ধন্যবাদ। আজ আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ডাক্তার ও কোচিং স্টাফদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে এখানে খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি এখন মেঘের রাজ্যে ভাসছি।’

মিসরের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা দল শনিবারই অনুশীলনে ফিরেছে। রক্ষণের ফাঁকফোকড় বের হয়েছে। বের করেছে কেপ ভার্দে। এখন সেগুলো সংশোধন করার পালা। নয়তো সামনে আরও বড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে। সৌদি আরবের মতো তাহলে কেপ ভার্দেও কি আর্জেন্টিনার ঘুম ভাঙাল?

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শনিবার (২৫ জুলাই) দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের, তুর্কি জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল মেটিন টোকেল এবং ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রেসেপ এরডিনক ইয়েটকিন-এর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন।

এছাড়াও তিনি তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। তার্কিশ ল্যান্ড ফোর্সের সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সফরকালে তুরস্কে সেনাবাহিনী প্রধান সেদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগ

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাঈন আহমেদের পদত্যাগপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া একই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নাজিফা জান্নাতকে ছাত্র ইউনিয়নের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ সম্প্রতি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় তারা ছাত্র ইউনিয়নের দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।

একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈততা বা স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হতে পারে, যা উভয় সংগঠনের কার্যক্রম ও দায়বদ্ধতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

ছাত্র ইউনিয়ন জানায়, তাদের পদত্যাগের কারণ ও বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটি পদত্যাগপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই ধরনের সাংগঠনিক বাস্তবতার কারণে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের আদর্শ, নীতি ও সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, একই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন সংগঠনের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ছাত্র ইউনিয়ন বিদায়ী নেতাদের সাংগঠনিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য কামনা করেছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার অধিকার, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং বৈষম্যহীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে আদর্শ নিয়ে তারা কাজ করে আসছে, ভবিষ্যতেও সেই লক্ষ্য অর্জনে একই দৃঢ়তা নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দিলেন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দিলেন নির্দেশনা

সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতোমধ্যে কেটে গেছে পাঁচ মাস। সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় সংগঠনের দিকে তেমন মনোযোগ দিতে পারেননি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবার তিনি মনোযোগ দিয়েছেন সাংগঠনিক কাজে। ধারাবাহিকভাবে বসছেন বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে।

ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে এবার রংপুর বিভাগের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, এটা  একটি ধারাবাহিক বৈঠক। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী রাখতেই এই মতবিনিময় সভা করছেন দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিচ্ছেন।

বৈঠকে রংপুর মহানগর, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট জেলার নেতারা অংশ নেন। দলের প্রধান তারেক রহমান তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বৈঠকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুদু, সহ-সাংগঠনিক সস্পাদক আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২০ জুলাই  দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এমন বৈঠক করেছিলেন তারেক রহমান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি