খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি: শিশির মনির

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি: শিশির মনির

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে পূর্বে যে প্রক্রিয়ায় ঐকমত্য হয়েছিল, নির্বাচনের পর সরকার সেই কাঠামো পরিবর্তন করেছে। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, যেখানে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে জনগণের মতামত নেওয়া হবে। গণভোটে যদি অধিকাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দেয়, তাহলে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে এবং সংসদ সদস্যরাই সেই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘জুলাই চেতনা থেকে রাষ্ট্র সংস্কার: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে বাকৃবি ছাত্রশিবিরের অফিস কক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

শিশির মনির বলেন, নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ গঠনের পরিকল্পনা ছিল। এই সময়ের পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে সংসদই পরবর্তী সাড়ে চার বছর দায়িত্ব পালন করবে এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে ক্ষমতা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে হস্তান্তর করবে। তবে নির্বাচনের পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ না করায় কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি এবং পুরো প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি সংবিধান সংশ্লিষ্ট এবং ৩৭টি সংবিধানের বাইরের বিষয়। সংবিধান সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ৩০টিতে ঐকমত্য থাকলেও ১৭টিতে মতভেদ রয়েছে। অন্যদিকে সংবিধানের বাইরের বিষয়গুলোর মধ্যে গুম প্রতিরোধ, বিচার বিভাগীয় সচিবালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য অধিকার সংশোধনসহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব অধ্যাদেশের অনেকগুলোই সংসদে উপস্থাপন না করে বাতিল করা হয়েছে, ফলে সংস্কারের উভয় ধারায় অসঙ্গতি সৃষ্টি হয়েছে। জুলাই সনদের বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো সমস্যা নেই, মূল সমস্যা হচ্ছে বাস্তবায়নে।

শিশির মনির বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। এর অংশ হিসেবে একজন ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি বা মোট ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না- এমন বিধান থাকা উচিত। পাশাপাশি পারিবারিক রাজনীতির বাইরে এসে সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে নেতৃত্ব তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। দলের প্রধান এবং সরকারের প্রধান একই ব্যক্তি হওয়া উচিত নয়। কারণ একজনের পক্ষে একই সঙ্গে দলীয় সভাপতি, সংসদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করা কঠিন।

বাকৃবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবু নাছির ত্বোহার সভাপতিত্বে সেমিনারে বাকৃবির ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়েদুল ইসলাম, এগ্রিকালচারিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ ড. শহীদুল্লাহ শরীফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার

চারদিকে পোড়া গন্ধ। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা টিন, কাঠ, কাপড় আর ভাঙাচোরা ঘরের সামগ্রী। কেউ পোড়া ঘরের ভেতর থেকে খুঁজছেন বেঁচে থাকা কোনো জিনিস, কেউ আবার পোড়া টিন কুড়িয়ে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করছেন। আর একদিন পরই ঈদুল আজহা। যখন সারা দেশে ঈদের প্রস্তুতি, তখন রাজধানীর কালশীর বাউনিয়াবাঁধ বস্তির শত শত মানুষের মাথার ওপর নেই কোনো ছাদ।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার বাউনিয়াবাঁধ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে স্থানীয়রা জানান, বস্তির অন্তত ১০০ থেকে ১৫০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোড়া ঘরের ভেতর থেকে মূল্যবান কিছু খুঁজে পাওয়ার আশায় ঘুরছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। বিভিন্ন সংগঠনকে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে খাবার বিতরণ করতেও দেখা গেছে।

সুনামগঞ্জের বাসিন্দা বকুলা বেগম প্রায় সাত বছর ধরে পরিবার নিয়ে এই বস্তিতে থাকেন। আগুনে তার দুটি ঘর পুড়ে গেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘দুইটা রুমে ৯ জন মানুষ থাকতাম। পুলিশের অভিযানের পর ভাবছিলাম ঈদের পরে এই জায়গা ছাড়মু। আমরা গরিব মানুষ, ঈদের সময় বাসায় বাসায় গিয়ে মাংস টুকাই। ওই মাংস দিয়া দুই দিন ভালোভাবে খাই। এবার তো সব শেষ। মাংস আইনা রান্না করমু কই? মাথার ওপর কোনো ছাদ নেই। এবারের ঈদ আমাগো আসমানের নিচে।’

আগুন লাগার মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বিধবা ভাতার টাকা আনছিলাম, খরচও করতে পারি নাই। হঠাৎ আগুন লাগছে। পরনের একটা কাপড় পরে ঘরের সবাই বাইর হইছি।’

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মো. নবাব জানান, তার ১৫টি ঘর ও একটি মুদি দোকান পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, এই শহরে ২০ বছর ধইরা যা কামাইছি, সব এক আগুনে শেষ। দোকানে কয়েক লাখ টাকার মাল ছিল, সব পুড়ে গেছে। কতো কষ্ট কইরা ঘর তুলছিলাম, আজ কিছুই নাই।

ঈদের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতি বছর কোরবানি দেই। কয়েকজন মিলে আজ গরু আনার কথা ছিল। কিন্তু এখন থাকার জায়গাই নাই। ঈদের দিন রাস্তায় ঘুমাইতে হইবো। আমাদের এবারের ঈদ নেই।

কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা শাহীন আলম স্ত্রী-সন্তান নিয়ে পাঁচ বছর ধরে এই বস্তিতে ভাড়া থাকেন। ভাঙারির দোকানে কাজ করে সংসার চালানো শাহীন সমিতি থেকে কিস্তিতে টাকা তুলে ঈদের পর একটি রিকশা কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু আগুনে ঘরের মালামালের সঙ্গে তার ৪২ হাজার টাকাও পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘ভাবছিলাম ঈদের পরে একটা রিকশা কিনমু, আর ভাঙারির দোকানে কাজ করমু না। এই জন্য কিস্তি থেকে টাকা তুলছিলাম। কিন্তু আগুনে সব শেষ। সামনে ঈদ, বউ-পোলা লইয়া কোথায় দাঁড়ামু জানি না। মানুষ ঈদ পালন করবো আর আমরা কোথায় থাকমু এই চিন্তায় ঘুমাইতে হইবো।’

এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বস্তির বাসিন্দারা পোড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করেছেন। কেউ পোড়া টিন, কেউ ঘরের ভাঙা সরঞ্জাম বের করছেন। পরে সেগুলো ভাঙারির দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব সংগ্রহ করতে বিভিন্ন ভ্যান, অটোরিকশা ও মিনি ট্রাককে বস্তিতে ঢুকতে দেখা যায়।

মোহাম্মদ সবুজ নামের এক বাসিন্দা জানান, আগুনে তার ১১টি ঘর পুড়ে গেছে। ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পোড়া টিন বিক্রি করছেন তিনি। ‘যা পাই, তা দিয়াই আবার শুরু করতে হইবো’, বলেন তিনি।

মোতালেব নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার একটা ভাঙারির দোকান, গোডাউন আর তিনটা ঘর পুড়ে গেছে। আগুন লাগার পর এক কাপড়ে পরিবার নিয়ে বাইর হইছি। আগুনের তাপে কেউ বস্তিতে থাকতে পারে নাই। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সবাইরে বের হয়ে যেতে বলছিল।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

রংপুরে বিশেষ অভিযানে এক মাসে ৪৪২ জন গ্রেফতার

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
রংপুরে বিশেষ অভিযানে এক মাসে ৪৪২ জন গ্রেফতার

মাদক, ছিনতাই, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ রংপুর মহানগরীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক মাসে ৪৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। এসময় মাদকদ্রব্য উদ্ধারপূর্বক জব্দ করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তিনি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগদানের পর থেকে পুলিশিং স্পিরিট বেড়েছে। নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেই অভিযানে গত এক মাসে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ১১০ জন, মাদক মামলার আসামি ৮৭ জন, অন্যান্য মামলায় ২৪৫ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৪৪২ জন কে গত এক মাসে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণায় গত এক মাসে মাদক মামলা হয়েছে ২ শতাধিক। এই বিশেষ অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, ১৪৭৫ পিস ইয়াবা, ৮৮টি ফেনসিডিল, ৩.২ গ্রাম হিরোইন, মফিন ইনজেকশন, ২৫ পিস, চোলাই মদ ৩১ লিটার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, নগরীর আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। তা ছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে, এটি চলমান থাকবে। এসময় তিনি রংপুরবাসী ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে একমাস আগে যোগদান করেন মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। যোগদানের পর থেকেই তিনি এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সকল গণমাধ্যমকর্মী, সম্পাদক ও সংবাদপত্র শিল্পের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, জাতির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গণমাধ্যমকর্মীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রতিটি ধাপে তাদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান যুগে প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে তথ্যপ্রবাহ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, বিকৃত ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের অপতৎপরতা রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও সত্য যাচাইয়ের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

বার্তায় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, আপসহীন নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, তাদের অবদান দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তথ্যপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহা ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। এই পবিত্র উৎসবের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা যদি সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পথে অবিচল থাকতে পারি, তবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি দেশের সকল গণমাধ্যমকর্মী ও তাদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ সবার জীবনে বয়ে আসুক-এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ