খুঁজুন
                               
, ,
           

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে জিতবে কে, জানাল সুপার কম্পিউটার

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ (৭ জুলাই) বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে মিশরের মোহাম্মদ সালাহর দল।

এই মহারণকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা এখন মহা তুঙ্গে। কে জিতবে এই তর্কে উত্তপ্ত মাঠের লড়াই শুরুর আগেই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের সম্ভাব্য একটি পূর্বাভাস দিয়েছে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক বিখ্যাত সংস্থা অপ্টা।

অপ্টার সুপারকম্পিউটার ম্যাচটি নিয়ে প্রায় ২৫ হাজারবার কৃত্রিম বিশ্লেষণ (সিমুলেশন) চালিয়ে জানিয়েছে, কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টাইনদের জয়ের সম্ভাবনা ৬৮.১ শতাংশ। বিপরীতে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে। শেষ ষোলোতে আসা মিশরের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২.৩ শতাংশ। আর ম্যাচ ড্র হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ১৮.৫ শতাংশ।

পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখলেও নকআউটের মঞ্চে যেকোনো অঘটন ঘটাতে প্রস্তুত সালাহ-বাহিনী। তা ছাড়া দুই দলই আগের রাউন্ডে চরম পরীক্ষা দিয়ে এসেছে।

আর্জেন্টিনা যেখানে নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের আত্মঘাতী গোলে ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় পায়, সেখানে মিশর ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে পেনাল্টি শুটআউটে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

নেইমারকে আবারও মাঠে ফেরার অনুরোধ করলেন তার বাবা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
নেইমারকে আবারও মাঠে ফেরার অনুরোধ করলেন তার বাবা

নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। সেই সঙ্গে শেষ হয়েছে নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার। তাই বিদায় বেলায় মাঠে বসে অঝোরেই কাঁদছিলেন এই তারকা ফুটবলার। তবে এবার নেইমারকে নতুন করে শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন তার বাবা সিনিয়র নেইমার।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ বার্তায় ছেলে নেইমারের ফুটবলজীবনের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত নানা স্মৃতি তুলে ধরেন তার বাবা।

তিনি লেখেন, ‘বাবা, কী অসাধারণ এক যাত্রা! কত সুন্দর একটি পথ; যেখানে ছিল চ্যালেঞ্জ, ছিল কষ্ট, কিন্তু ছিল ঈশ্বরের অশেষ আশীর্বাদও।’

নেইমারের বাবা জানান, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাদের পরিবার নিজেদের বিশ্বাস ও খ্রিস্টান ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়েছে। অনেক সময় প্রত্যাশার বিপরীতে গিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলেও তারা বিশ্বাস রেখেছেন, আর সেই বিশ্বাসের প্রতিদানও পেয়েছেন।

ছেলের ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, প্রথম গোল, প্রথম সাফল্য, পেশাদার ফুটবলে অভিষেক, বড় বড় স্টেডিয়াম, শিরোপা, ব্রাজিল জাতীয় দল এবং বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি; সবকিছুরই সাক্ষী তিনি। তবে তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন একজন বাবা হিসেবে প্রতিটি মুহূর্তে সন্তানের পাশে থাকতে পারা।

বার্তার একপর্যায়ে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে তিনি অনুরোধ করেন, বাবা, ফুটবল খেলা চালিয়ে যাও। আবারও বল পায়ে খেলার আনন্দ খুঁজে নাও, মাঠে হাসিমুখে ফিরে এসো। ঈশ্বর তোমাকে সুস্থ করে আরেকটি সুযোগ দিয়েছেন।

তিনি আরও লেখেন, সমালোচনা, প্রত্যাশা কিংবা জীবনের নানা চাপ নিজের কাঁধে বহন করো না। সব সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে থাকে না, কিছু সিদ্ধান্ত শুধুই ঈশ্বরের। আজকের একটি সিদ্ধান্ত তোমার পুরো জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে না। একটি স্বপ্ন পূরণ না হলেও তার মানে এই নয় যে সেটি শেষ হয়ে গেছে।

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে নেইমারের বাবা বলেন, সামনের দিনগুলোকে ভয় পেয়ো না। আজকে বাঁচো, অনুশীলন করো, খেলো, হাসো, সন্তানদের সময় দাও, পরিবারকে ভালোবাসো। বাকিটা ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দাও।

বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ট্রফি, গোল কিংবা খ্যাতির চেয়েও তিনি দেখেছেন ঈশ্বরের অলৌকিক আশীর্বাদ। তার বিশ্বাস, নেইমারের জীবনে আরও অনেক সুন্দর অধ্যায় এখনও লেখা বাকি। মনে রেখো, পৃথিবী তোমাকে ভালোবাসার আগেই ঈশ্বর তোমাকে ভালোবেসেছেন।

তিনি আরও বলেন, আর বাবা হিসেবে আমি সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত; প্রতিটি সফর, প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি দুশ্চিন্তা এবং প্রতিটি প্রার্থনা।

কালের আলো/এসএকে

সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহীর জেলা প্রশাসক

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা: রাজশাহীর জেলা প্রশাসক

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন, একটি সভ্য, অমানবিকতামুক্ত এবং উন্নত সমাজের প্রধান পূর্বশর্ত হলো নারী ও শিশুর নিরাপত্তা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা। নারী ও শিশুরা কেবল একটি পরিবারের সদস্য নয়, তারা রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায়  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, সম্প্রতি রামিসার মতো শিশুদের ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা পুরো সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে, যা নৈতিকতার ভিত্তিকে নাড়িয়ে দেয়। এমনকি খোদ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও অনেক ক্ষেত্রে নিজ নিজ সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের বিচার চাওয়ার বিষয়ে অনীহা বা শঙ্কা একটি এলার্মিং পরিস্থিতি তৈরি করছে, যদিও সরকার এক মাসেরও কম সময়ে বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কঠোর আইন, পাচার বিরোধী আইন এবং অ্যাসিড নিক্ষেপ বিরোধী আইনের মতো অনেক আইন রয়েছে। তবে কেবল রাষ্ট্রের পক্ষে বা এককভাবে আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। অ্যাসিড নিক্ষেপ প্রতিরোধের আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অপরাধটি এখন সমাজ থেকে প্রায় নির্মূল হয়েছে। একইভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের শুধু আইনের আওতায় আনলেই হবে না, তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে এবং ঘৃণিত অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে যৌথ পরিবারের সংখ্যা কমে গিয়ে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি বা একক পরিবারের আধিক্য বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের মনিটরিং বা সঠিক নির্দেশনার অভাব দেখা দিচ্ছে। এর পাশাপাশি মোবাইল প্রযুক্তির অপব্যবহার, ডিজিটাল আসক্তি এবং মাদকের বিস্তার এই সামাজিক সমস্যাকে আরও ঘনীভূত করছে। সামাজিক সম্মানের ভয়ে অনেক সময় নির্যাতনের ঘটনা চেপে রাখা হয়, যা অপরাধীকে পার পাওয়ার সুযোগ করে দেয়।

সরকার ইতোমধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহ. আনোয়ারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন  মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক ইসরাত জাহান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর হতে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে শেষ হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ক্যানসার আক্রান্ত জুলাই শহীদের ভাইকে চাকরির আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
ক্যানসার আক্রান্ত জুলাই শহীদের ভাইকে চাকরির আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

ক্যানসারে আক্রান্ত সন্তান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) দুপুরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ক্যানসারে আক্রান্ত সন্তান মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানকে নিয়ে এসে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।

এ সময়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিসানের বর্তমান শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে মা ফাতেমা তুজ জোহরাকে চাকরির আশ্বাস দেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন ফাতেমার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। এর ঠিক দুই সপ্তাহ পর জানতে পারেন তার এই ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসান ক্যানসারে আক্রান্ত। এর সাত মাস পর স্বামীকেও হারান তিনি।

স্বামী-সন্তান হারিয়ে একেবারে অসহায় হয়ে পড়েন ফাতেমা। এসময়, ক্যান্সারে আক্রান্ত সন্তানের চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তখন থেকেই আমরা বিএনপি পরিবারের আহবায়ক, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমানের তত্বাবধানে জিসানের চিকিৎসা চালানো হয়। তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি আমরা বিএনপি পরিবারের আহবায়ক আতিকুর রহমানের মাধ্যমে জিসানের চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতেন। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তত্বাবধানেই চলছে জিসানের চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থাপনা।

কালের আলো/এসএকে