খুঁজুন
                               
, ,
           

ঢামেক ক্যাম্পাসে হাস্যোজ্জ্বল সেলফি প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
ঢামেক ক্যাম্পাসে হাস্যোজ্জ্বল সেলফি প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান। সেই সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল সেলফি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে পৌঁছান তিনি।

এরপর বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ২০ হোস্টেল প্রকল্পের আওতায় ঢামেকে নির্মিতব্য দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পরে শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়াম সংলগ্ন লনে বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।

এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তারেক রহমান। সেই সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল সেলফি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এই অনুষ্ঠান থেকে স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

কালের আলো/এসএকে

৫ আগস্ট সেনাবাহিনী চুপ থাকলে গৃহযুদ্ধ ঘটতে পারত: আব্দুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
৫ আগস্ট সেনাবাহিনী চুপ থাকলে গৃহযুদ্ধ ঘটতে পারত: আব্দুল হক

রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক, পিএসসি (অব.) বলেছেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট সেনাবাহিনী কোনো ভূমিকা না রেখে নীরব থাকলে দেশে বৃহত্তর সংঘাত বা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারত। দেশের সেই সংকটময় সময়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ এবং রাষ্ট্র গঠনে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর রাওয়া হেলমেট হলে ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম (অব.)। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।

কর্নেল আব্দুল হক বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদান সম্পর্কে জাতিকে সঠিক তথ্য জানানো সময়ের দাবি। এ বাহিনী গঠিত না হলে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের নেতৃত্ব কে দিত? মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

কর্নেল আব্দুল হক ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলার নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা থেকেই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে এই বাহিনীর সদস্যরাই ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। পাশাপাশি চেরিয়াপাড়ায় সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক, মুক্তিবাহিনী গঠন এবং প্রবাসী সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও স্বাধীনতা যুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে সহায়তা করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সামরিক শিক্ষা, চিকিৎসা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ দেওয়া সেনাসদস্যদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

কর্নেল আব্দুল হক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শতব্যস্ততার মধ্যেও মন্ত্রী নির্ধারিত সফর পিছিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান এবং আয়োজনে কোনো ত্রুটি থেকে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টই মুক্তিবাহিনীর ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টই মুক্তিবাহিনীর ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। সেই প্রতিরোধই পরবর্তীকালে মুক্তিবাহিনীতে রূপ নেয় এবং সাধারণ মানুষ, ছাত্র-যুবক ও বিভিন্ন পেশার মানুষের অংশগ্রহণে একটি সর্বজনীন মুক্তিযুদ্ধে পরিণত হয়। তাই ইতিহাসের সত্য হলো, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টই মুক্তিবাহিনীর ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর রাওয়া হেলমেট হলে ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেজর হাফিজ উদ্দিন বলেন, কখনোই তার পরিকল্পনা ছিল না সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার। তিনি তখন পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় ছিলেন, জগন্নাথ কলেজে শিক্ষকতার সুযোগ পেয়েছিলেন এবং সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু পাকিস্তান আর্মির কর্মকর্তা মেজর মোহাম্মদ মালিকের উৎসাহে শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রথমে এডুকেশন কোরে কমিশন পেলেও পরে নিজের আগ্রহে ফাইটিং আর্মে যাওয়ার আবেদন করেন এবং নানা প্রক্রিয়া শেষে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেওয়ার সুযোগ পান।

তিনি বলেন, কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণের সময় তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান তাকে ডেকে বলেছিলেন, পাসিং আউটের পর তিনি যেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। সেই কথাই তার মনে গেঁথে যায়। অনেকের পরামর্শ ও চাপ উপেক্ষা করে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকেই নিজের প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন। ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বরে যশোরে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের সেই স্মৃতি আজও তার কাছে অমলিন।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, এই রেজিমেন্ট গঠনে মেজর আব্দুল গণির অবদান ছিল অসামান্য। কিন্তু ইতিহাসে তার নাম খুব বেশি উচ্চারিত হয় না। একইভাবে ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকারী ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের ভূমিকাও যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি। স্বাধীনতার প্রস্তুতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও পরে পাকিস্তানে বন্দি হওয়ায় তার অবদান অনেকটাই আড়ালে থেকে গেছে।

মেজর হাফিজ উদ্দিন আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করলে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়ন দেশের পাঁচটি ভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে অবস্থান করছিল। তারা কেউ কারও সঙ্গে যোগাযোগ না রেখেই পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জনগণকে সংগঠিত করে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায়। এই প্রতিরোধই পরবর্তীকালে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার আগে রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের কাঠামোর মধ্যে বাঙালিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু ২৫ মার্চের গণহত্যার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যায়। সেই ভয়াবহ মুহূর্তে যদি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ গড়ে না তুলত, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এত সহজ হতো না। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের মাধ্যমে এই রেজিমেন্টই মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি রচনা করে।

স্পিকার বলেন, মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সাহস জুগিয়েছিল। সেই ঘোষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে হাজার হাজার ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, রিকশাচালক, দোকানদারসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যসংখ্যা ছিল মাত্র চার হাজারের মতো। কিন্তু তাদের নেতৃত্বেই প্রায় এক লাখ সদস্যের মুক্তিবাহিনী গড়ে ওঠে এবং নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ পরিচালিত হয়।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইতিহাস রচনায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের এই অবদান যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। অথচ মুক্তিযুদ্ধ ছিল কোনো একক রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ নয়, এটি ছিল সমগ্র বাঙালি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ। পাকিস্তান সেনাবাহিনী একটি জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে পরাজিত হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত ৯০ হাজারের বেশি সেনা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিটি সদস্য স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। সেই কারণেই এই রেজিমেন্ট বাংলাদেশের মানুষের কাছে শুধু একটি সামরিক ইউনিট নয়, বরং স্বাধীনতার প্রতীক। আজও ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের দেখলে তার হৃদয় গর্বে ভরে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শুধু স্থলযুদ্ধ নয়, নৌ ও বিমান অভিযানে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধারাও অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। কর্ণফুলী নদীতে লিমপেট মাইন ব্যবহার করে পাকিস্তানি জাহাজ ধ্বংস করা কিংবা সীমিত সক্ষমতা নিয়ে বিমান হামলা পরিচালনা করা ছিল বাঙালির অদম্য সাহসের অনন্য উদাহরণ। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, বাঙালি কখনোই দুর্বল জাতি ছিল না।

মেজর হাফিজ উদ্দিন বলেন, ১৯৭১ সালে মাত্র ২৫ জন সেনা কর্মকর্তা, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়ন এবং ইপিআরের বিদ্রোহী সদস্যদের নেতৃত্বেই মুক্তিবাহিনীর সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। পরবর্তীকালে এই বাহিনীর সঙ্গে লাখো সাধারণ মানুষ যুক্ত হয়ে স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামকে সফল করে তোলে। ইতিহাসের এই সত্য নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবগাথা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়, এটি সমগ্র জাতির ঐতিহ্য। এই ইতিহাস রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী সব সময় জনগণের বাহিনী হিসেবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ৩ নারীকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ৩ নারীকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে দিয়ে তিন নারীকে বাংলাদেশে পুশইনের (ঠেলে পাঠানো) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে, তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে উপজেলার ধবলসূতি বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) সীমান্তের ৮৩৩/৯-এস নম্বর পিলারের কাছে ঘটনাটি ঘটে।

বিজিবি সূত্র জানায়, ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে ভারতের ৯৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের খরখড়িয়া ক্যাম্পের সদস্যরা কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুলে  তিন নারীকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা চালায়।

সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বিজিবির তীব্র বাধার মুখে বিএসএফের পুশইনচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বর্তমানে ওই তিন নারী সীমান্ত পিলার ৮৩৩/৯-এস থেকে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।

৬১ বিজিবির (তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতির পর বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে।

সীমান্তে অবস্থান করা ওই নারীদের দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য বিএসএফকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি ও সতর্কতা জারি রয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি