খুঁজুন
                               
, ,
           

সোমবারও ঢাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
সোমবারও ঢাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তি

রাজধানীতে রোববারের টানা বৃষ্টিতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন নতুন করে আরও একদিন ভারী বর্ষণের সতর্কতা দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সোমবারও ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকবে এবং দিনের বিভিন্ন সময়ে দমকা হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে জলাবদ্ধতা ও নগরবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সোমবারের (১৩ জুলাই) পূর্বাভাস অনুযায়ী, সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এর মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

এরপর সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টাতেও রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রাও প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

টানা ভারী বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক স্থানে এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এ সময় রংপুর ও রাজশাহীর কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন পরও দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক

Oplus_131072

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিয়মিত খাল ও নালা পরিষ্কার এবং আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক  শফিকুল ইসলাম খান। আকস্মিক অতি ভারী বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

রোববার (১২ জুলাই) বার্তায় ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন, জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে কাজ করছি। জনগণের ভোগান্তি কমানোই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টার অতি ভারী বর্ষণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ায় কিছু কিছু এলাকায় পানি জমে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা যার যার অবস্থান থেকে নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেবেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। কোথাও কোনো জরুরি সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট টিমকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করছি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। যেসব এলাকায় পানি জমে আছে, সেখানে দ্রুত পানি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। ওয়াটার পাম্পগুলো সচল রাখা হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।

তিনি আরও বলেন, অতিবৃষ্টির সময়ে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— স্বল্প সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, নগরায়নের ফলে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, অনেক জায়গায় ড্রেন ও খাল ভরাট বা সংকুচিত হওয়া, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলার কারণে পানি চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং দীর্ঘদিনের পুরোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
টেলিটকের নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে সরকার কাজ করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর নেটওয়ার্কের পরিধি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কাজ করছে সরকার।

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের উত্তরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এই সংসদ সদস্য জানতে চান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক-এর নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে এবং বেসরকারি অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে রাখতে কোনো বিশেষ বরাদ্দ বা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে কি কিনা?

জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, সরকারি মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সারাদেশে টেলিটকের উন্নত নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে বিশাল অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। তবুও বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করছে। ধীরে ধীরে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারাদেশে টেলিটকের নেটওয়ার্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বর্তমানে টেলিটকের মোট ৩,৫১১ কোটি টাকার ৩টি ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ৭,৭৫৪ কোটি টাকার ৯টি প্রকল্পের প্রস্তাব সম্ভাব্যতা সমীক্ষা যাচাই এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

পানিবন্দী মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
পানিবন্দী মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুম (Zoom) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি, আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ, পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ সুবিধা সচল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষভাবে নারী, শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র যেন চুরি, ডাকাতি, মজুতদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এসময় চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানকার জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং রংপুর বিভাগে নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব তথ্য জানার পর প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ, প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং জনগণের পাশে থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন।

কালের আলো/এসএকে