খুঁজুন
                               
, ,
           

কৃষক শক্তিশালী হলে দেশও শক্তিশালী হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
কৃষক শক্তিশালী হলে দেশও শক্তিশালী হবে: কৃষিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পুনরুদ্ধারে সরকার জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলনকক্ষে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভারীবর্ষণ ও বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটির অধিক টাকা এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৭৭ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বন্যায় ব্যাপক বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের পুনর্বাসনে ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ প্রয়োজন হবে। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুত রয়েছে। যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বীজ সরবরাহ করা হবে। আর যাদের জমি এখনও প্রস্তুত হয়নি, তাদের জন্য সরকারি খালি জমিতে জরুরি ভিত্তিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেখান থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পর গবাদিপশুর খুরা রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলায় ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হবে। আগামীকাল থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্যার কারণে খড় ও অন্যান্য পশুখাদ্য নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এসব গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আরো সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোতে তথ্য সংগ্রহ করেছে। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি বা খামারি যাতে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রামের জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এসএকে

৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে ভবন থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেন অনেকে

মেক্সিকোর দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। কম্পনটি প্রতিবেশী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সময় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মেক্সিকোর চিয়াপাস অঙ্গরাজ্যের উপকূলের কাছে।

ভূমিকম্পের পর মেক্সিকো ও গুয়াতেমালার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কিছু এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করে। পরে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জানায়, সমুদ্রের পানির উচ্চতা সীমিত পরিমাণে বাড়তে পারে এবং উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে বহু মানুষ ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

গুয়াতেমালার কয়েকটি এলাকায় ছোটখাটো ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু অঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে মূল ভূমিকম্পের পর ৫ থেকে ৬ মাত্রার একাধিক আফটারশকও রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সাথে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।  বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

কালের আলো/এম/এএইচ