খুঁজুন
                               
, ,
           

দুর্যোগে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
দুর্যোগে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা প্রশংসনীয়: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, যে কোনো দুর্যোগের কঠিন সময়ে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং দেশের ব্যবসায়ী সমাজের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতি যেভাবে দুর্গত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, তা মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

ব্যবসায়ীদের এই উদ্যোগ অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত সাতকানিয়া উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত খাদ্য ও জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সুখে-দুঃখে তামাকুমন্ডি লেইনের ব্যবসায়ীরা সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন এবং আছেন।

আগামীতেও যেকোনো সামাজিক ও মানবিক সংকটে এই সেবামূলক ধারা অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সভাপতি আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সিনিয়র সভাপতি ফারুক আজম, সহ সভাপতি সেলিম বজলুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, মাহবুবর রহমান, অ্যাডভোকেট শাহজাহান, মিনহাজ উদ্দিন, মিনহাজুল আবেদিন, নাজিম উদ্দীন, রেজাউল করিম, বোরহান উদ্দিন, মনসুর আলম, সাদ্দাম হোসেন, রফিকুল ইসলাম, নরুল ইসলাম বিপ্লব সহ নেতৃবৃন্দ।

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনই এখন অগ্রাধিকার

দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যায় প্রায় সাত লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে পুনর্বাসন কার্যক্রমও শুরু হয়েছে এবং তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রাথমিক হিসেবে প্রায় ৭ লাখ জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার পরিবারকে চাল, ৭৫ হাজার পরিবারকে চাল-ডালসহ শুকনা খাবার এবং ৪০ হাজার পরিবারকে রান্না করা খাবার দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এখন শুধু ত্রাণ নয়, পুনর্বাসন কার্যক্রমও একসঙ্গে চলছে। যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য টিন সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষকদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত চাষাবাদে ফিরতে পারেন। বন্যায় অনেক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগকে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল্যায়ন শেষে দ্রুত মেরামত কাজ শুরু হবে।

বন্যার কারণ প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী  বলেন, বিষয়টি নিয়ে সমন্বিতভাবে তদন্ত চলছে। কোথাও রেললাইন, কোথাও অপরিকল্পিত স্থাপনা কিংবা পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা বন্যার কারণ হতে পারে। একইসঙ্গে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাতও এ বন্যার অন্যতম কারণ। সব বিষয় পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষ বরাদ্দের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং ভবিষ্যতে বন্যার ক্ষতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৮ আসনের এমপি এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১২ আসনের এমপি এনামুল হক এনাম, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন প্রমুখ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো মেক্সিকো

ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে ভবন থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নেন অনেকে

মেক্সিকোর দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। কম্পনটি প্রতিবেশী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সময় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মেক্সিকোর চিয়াপাস অঙ্গরাজ্যের উপকূলের কাছে।

ভূমিকম্পের পর মেক্সিকো ও গুয়াতেমালার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের কিছু এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করে। পরে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জানায়, সমুদ্রের পানির উচ্চতা সীমিত পরিমাণে বাড়তে পারে এবং উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে বহু মানুষ ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

গুয়াতেমালার কয়েকটি এলাকায় ছোটখাটো ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু অঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে মূল ভূমিকম্পের পর ৫ থেকে ৬ মাত্রার একাধিক আফটারশকও রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি : শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের কার্যক্রম শুরু করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-  ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ এ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সাথে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।  বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

কালের আলো/এম/এএইচ