খুঁজুন
                               
, ,
           

বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিগত ছয় মাস বা ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সন্তুষ্টির বিষয়টি দেশের জনগণই মূল্যায়ন করবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এটিকে আরও সুসংহত করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমাদের এখন মাত্র ৬ মাস পার হলো। এর মধ্যে আমরা অনেক সংস্কার কাজ করেছি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন প্রশংসনীয় উদ্যোগ আপনারা দেখেছেন। বিগত ১৮০ দিনে সরকারের নেওয়া ও বাস্তবায়িত বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচি জনগণের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপরেখার আলোকেই প্রথম ১৮০ দিনে একাধিক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সরকার একের পর এক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ সংকটের মুখোমুখি হলেও তা অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে।

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের ধাক্কা বিশ্বব্যাপী অনুভূত হলেও সরকার তাৎক্ষণিকভাবে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি। বোরো মৌসুমে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রায় এক মাস পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি স্থগিত রাখে এবং পরে সহনীয় মাত্রায় সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। অথচ ওই সময়ে বিশ্ববাজারসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দীর্ঘদিনের গ্যাস ও জ্বালানি সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এ সংকট উত্তরণে কাজ করছে। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আকৃষ্ট করা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন শেষে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যমান সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে প্রায়শই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সমস্যা নিরসনে একাধিক এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার স্থান নির্বাচনে বর্তমানে জরিপ কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করতে দেশের অভ্যন্তরে এবং অফশোর ও অনশোরে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যার ফলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এ সমস্যার টেকসই সমাধান অর্জিত হবে।

সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপের বিবরণ দিয়ে মন্ত্রী জানান, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুমোদিত ও বাস্তবায়িত হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় কর্মকর্তা এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দেশের ক্রীড়াবিদ ও সংস্কৃতিবিদদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানসহ একাধিক কল্যাণমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংক্রান্ত জাতীয় প্রকিউরমেন্ট কমিটির প্রধান হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের সঠিক নীতি ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে খাদ্যের একটি মজবুত ও নিরাপদ মজুত গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া সরকারের ১৮০ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অর্জিত সামগ্রিক অগ্রগতির সমন্বিত বিবরণী শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং অথবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/দপ্তর থেকে গণমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে পুলিশের প্রস্তুতি সভা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে পুলিশের প্রস্তুতি সভা

আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের সিএমপি সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

সভায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নানা দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, অনুষ্ঠানটি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন সিএমপি কমিশনার।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া।

এ ছাড়া, সভায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ওয়াসা ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন পরিষদের নেতারা অংশ নেন।

সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং আসন্ন ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের চাপ, নতুন নীতিমালা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের চাপ, নতুন নীতিমালা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। নতুন নীতিমালায় কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মিলন বলেন, এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এত বিপুলসংখ্যক আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এ কারণে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সহজে বাংলাদেশের ভিসা পেতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এছাড়া অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন এবং কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান বক্তব্য দেন। কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মূল সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
মূল সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর মূল সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তবে হকারদের জীবিকা বন্ধ না করে নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে তাদের পুনর্বাসনের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার মতো দ্রুত বর্ধনশীল শহরে নাগরিকদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সুশৃঙ্খল হকার ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। হকারদের জীবিকা বন্ধ করা যেমন আমাদের উদ্দেশ্য নয়, তেমনি সারাদেশের ভাসমান মানুষকে ঢাকায় এনে হকার হিসেবে পুনর্বাসন করাও সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ‘ঢাকা শহরের হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬’ অনুযায়ী নিবন্ধন, নির্ধারিত ফি প্রদান এবং নির্দিষ্ট সড়ক ও সময়ে ব্যবসা করার নিয়ম মানতে হবে।

আবদুস সালাম বলেন, মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। প্রশস্ত ফুটপাত রয়েছে, এমন সড়কে পথচারীদের চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা উন্মুক্ত রেখে নির্দিষ্টসংখ্যক নিবন্ধিত হকারকে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হবে। অন্যদের জন্য হলিডে মার্কেট ও নাইট মার্কেট চালু করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, হকারদের এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা, বার্ষিক নবায়ন ফি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্থান ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাবদ মাসে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে।

নিবন্ধিত হকারদের বারকোড বা কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। ফুটপাথে পথচারী চলাচলের জন্য ন্যূনতম ১ দশমিক ৫ মিটার জায়গা খোলা রাখা বাধ্যতামূলক। নারী ও প্রতিবন্ধী হকারদের জন্য ৩০ শতাংশ স্থান সংরক্ষণের বিধানও রাখা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিনে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত স্থানে হলিডে মার্কেট এবং বাণিজ্যিক এলাকায় অফিস সময়ের পর সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নাইট মার্কেট পরিচালনা করা যাবে।

লাইসেন্স ছাড়া বা নির্ধারিত সীমানা লঙ্ঘন করে ব্যবসা করলে উচ্ছেদসহ নিবন্ধন বাতিল করা হবে। হকারদের নিজ দায়িত্বে ব্যবসাস্থল পরিষ্কার রাখা এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার নির্দেশনাও রয়েছে।

সভায় ডিএসসিসি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হকার সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ