খুঁজুন
                               
, ,
           

নেপালে বন্যা

ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, অবশেষে জীবিত মিলল দুই শ্রমিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, অবশেষে জীবিত মিলল দুই শ্রমিক

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের নয় দিন পর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ওই টানেলে আরও কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন সঞ্জয় শাহ ও কবির মহার্জন। সঞ্জয় শাহ প্রকল্পটিতে যান্ত্রিক ফোরম্যান এবং কবির মহার্জন যান্ত্রিক সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে সঞ্জয় শাহকে টানেল থেকে বের করে আনা হয়। পরে কবির মহার্জনকেও জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া একজনকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় শাহকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর কাছে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কবির মহার্জনকেও চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বরফ, পাথর ও কাদার স্রোতে নেপালের ত্রিশূলী নদী উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। এতে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক আটকা পড়েন।

উদ্ধারকারীরা টানেলের ভেতর মানুষের কণ্ঠস্বর শোনার পর অভিযান আরও জোরদার করেন। নেপালি সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছেন।

দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় টানেলে আটকে থাকা অন্যদেরও জীবিত উদ্ধারের আশা তৈরি হয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো ৪ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা আরও বেশি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা ‘চিকেনস নেক’ সুরক্ষায় ভারতের নতুন মহাসড়ক প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা ‘চিকেনস নেক’ সুরক্ষায় ভারতের নতুন মহাসড়ক প্রকল্প

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ভারতের ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত, সেই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের অবকাঠামো প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত। এ প্রকল্পে ২ হাজার ৭৭ কোটি ১৮ লাখ রুপি ব্যয়ে একটি মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভারতের কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকড়ি এ প্রকল্পের অনুমোদনের কথা জানান।

প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার ৩১ দশমিক ০২ কিলোমিটার দীর্ঘ বাগডোগরা-পানিট্যাঙ্কি-খড়িবাড়ি-গলগলিয়া অংশের জাতীয় মহাসড়ক-৩২৭ চার লেনে উন্নীত করা হবে। মহাসড়কটিতে তিনটি বড় সেতু, একটি রোড ওভারব্রিজ, পাঁচটি হাতি চলাচলের আন্ডারপাস এবং দুই পাশে সার্ভিস রোড নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নেপাল সীমান্তের গলগলিয়া থেকে শুরু হয়ে সড়কটি বাগডোগরায় গিয়ে জাতীয় মহাসড়ক-২৭-এর সঙ্গে যুক্ত হবে। একই এলাকায় বাগডোগরা বিমানবন্দরের নতুন যাত্রী টার্মিনালও নির্মাণ করা হচ্ছে।

নিতিন গডকড়ি বলেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোরের ওপর দিয়ে যাওয়া এ প্রকল্প উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাগডোগরা, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও পানিট্যাঙ্কি এলাকার যানজট কমার পাশাপাশি বাগডোগরা বিমানবন্দরের যোগাযোগব্যবস্থাও উন্নত হবে। স্থানীয় কৃষি, চা, উদ্যানপালনসহ বিভিন্ন পণ্য দ্রুত বড় বাজারে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরিবেশগত বিষয়ও প্রকল্পে গুরুত্ব পাচ্ছে। হাতির চলাচলের জন্য সন্ন্যাসীঠান, আতল, পানিট্যাঙ্কি ও দেওমানির দুটি স্থানে মোট পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা প্রকল্পটির অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার মতে, নতুন মহাসড়কটি জাতীয় মহাসড়ক-২৭-এর বিকল্প পথ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং পানিট্যাঙ্কি থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ফুলবাড়ী পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক করিডোরকে আরও শক্তিশালী করবে।

ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ শিলিগুড়ি করিডোর। এ করিডোরের যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মাণ, বিদ্যমান রেলপথ সম্প্রসারণ এবং উচ্চগতির রেলপথ নির্মাণের মতো আরও কয়েকটি পরিকল্পনাও রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে জমিতে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, আহত নারী

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে জমিতে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, আহত নারী

বগুড়ার শিবগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের জমিতে নেমে গেছে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীর গাড়ি। এ ঘটনায় ফিরোজা নামে এক নারী পথচারী আহত হয়েছেন। তবে দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কিচক ব্রিজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঢাকা থেকে জয়পুরহাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। তার গাড়িবহর কিচক ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা নামে এক নারী পথচারী হঠাৎ গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের জমিতে নেমে যায়।

এ সময় পথচারী ফিরোজা আহত হন। দুর্ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী ও তার স্ত্রী অন্য একটি গাড়িতে করে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা হন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান জানান, জয়পুরহাট যাওয়ার পথে কিচক এলাকায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের জমিতে নেমে যায়। এতে প্রতিমন্ত্রীর কোনো ক্ষতি হয়নি। তিনি সুস্থ অবস্থায় জয়পুরহাটে পৌঁছেছেন। তবে দুর্ঘটনায় এক পথচারী আহত হয়েছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে

ভিসা পেতে দালালের দ্বারস্থ না হওয়ার পরামর্শ ভারতীয় হাইকমিশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
ভিসা পেতে দালালের দ্বারস্থ না হওয়ার পরামর্শ ভারতীয় হাইকমিশনের

ভিসা প্রত্যাশীদের অননুমোদিত দালাল ও এজেন্টদের থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ভিসা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে থাকে দালালরা। তারা ‘নিশ্চিত ভিসা’, ‘দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ’ এবং ‘নিশ্চিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট’-এর মতো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবেদনকারীদের আকৃষ্ট করে।

হাইকমিশন সতর্ক করে জানায়, এসব প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করলে অর্থের পাশাপাশি ভিসা আবেদন ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

সতর্কবার্তায় কোনো অননুমোদিত এজেন্ট বা ব্যক্তির কাছে টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য হস্তান্তর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভারতের ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদনকারীদের নির্ধারিত সরকারি ভিসা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সরাসরি আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি