খুঁজুন
                               
, ,
           

ভিসা পেতে দালালের দ্বারস্থ না হওয়ার পরামর্শ ভারতীয় হাইকমিশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
ভিসা পেতে দালালের দ্বারস্থ না হওয়ার পরামর্শ ভারতীয় হাইকমিশনের

ভিসা প্রত্যাশীদের অননুমোদিত দালাল ও এজেন্টদের থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ভিসা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে থাকে দালালরা। তারা ‘নিশ্চিত ভিসা’, ‘দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ’ এবং ‘নিশ্চিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট’-এর মতো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবেদনকারীদের আকৃষ্ট করে।

হাইকমিশন সতর্ক করে জানায়, এসব প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করলে অর্থের পাশাপাশি ভিসা আবেদন ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

সতর্কবার্তায় কোনো অননুমোদিত এজেন্ট বা ব্যক্তির কাছে টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য হস্তান্তর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভারতের ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদনকারীদের নির্ধারিত সরকারি ভিসা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সরাসরি আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

নেপালে বন্যা

ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, অবশেষে জীবিত মিলল দুই শ্রমিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, অবশেষে জীবিত মিলল দুই শ্রমিক

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের নয় দিন পর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ওই টানেলে আরও কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন সঞ্জয় শাহ ও কবির মহার্জন। সঞ্জয় শাহ প্রকল্পটিতে যান্ত্রিক ফোরম্যান এবং কবির মহার্জন যান্ত্রিক সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে সঞ্জয় শাহকে টানেল থেকে বের করে আনা হয়। পরে কবির মহার্জনকেও জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া একজনকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় শাহকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর কাছে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কবির মহার্জনকেও চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বরফ, পাথর ও কাদার স্রোতে নেপালের ত্রিশূলী নদী উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। এতে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক আটকা পড়েন।

উদ্ধারকারীরা টানেলের ভেতর মানুষের কণ্ঠস্বর শোনার পর অভিযান আরও জোরদার করেন। নেপালি সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছেন।

দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় টানেলে আটকে থাকা অন্যদেরও জীবিত উদ্ধারের আশা তৈরি হয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো ৪ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা আরও বেশি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে জমিতে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, আহত নারী

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে জমিতে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, আহত নারী

বগুড়ার শিবগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের জমিতে নেমে গেছে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীর গাড়ি। এ ঘটনায় ফিরোজা নামে এক নারী পথচারী আহত হয়েছেন। তবে দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কিচক ব্রিজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঢাকা থেকে জয়পুরহাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। তার গাড়িবহর কিচক ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা নামে এক নারী পথচারী হঠাৎ গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের জমিতে নেমে যায়।

এ সময় পথচারী ফিরোজা আহত হন। দুর্ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী ও তার স্ত্রী অন্য একটি গাড়িতে করে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা হন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান জানান, জয়পুরহাট যাওয়ার পথে কিচক এলাকায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের জমিতে নেমে যায়। এতে প্রতিমন্ত্রীর কোনো ক্ষতি হয়নি। তিনি সুস্থ অবস্থায় জয়পুরহাটে পৌঁছেছেন। তবে দুর্ঘটনায় এক পথচারী আহত হয়েছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে

কম্বল-ডায়েরিতে শত কোটি, প্রশ্নের মুখে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
কম্বল-ডায়েরিতে শত কোটি, প্রশ্নের মুখে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

কম্বল কেনায় ১১০ কোটি টাকা, ডায়েরি ও ক্যালেন্ডারে ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ, আবার নিরাপত্তা ও সফটওয়্যার ব্যবস্থার নামে কোটি কোটি টাকার কার্যাদেশ—মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির বিভিন্ন খাতে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের হিসাব এখন প্রশ্নের মুখে। এসব ব্যয়ের পেছনে স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা, ভুয়া বিল ও কাগজপত্র ব্যবহার এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ সংরক্ষণেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন দল তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রতিবেদনের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের পর মার্কেন্টাইল ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জবাব সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

১৮৭ কোটি টাকার ব্যয়ের হিসাব
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে পরিচালক হওয়ার পর মোহাম্মদ আব্দুল আওয়ালের বিরুদ্ধে ব্যাংকের বিভিন্ন ক্রয় কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। সিএসআর খাতের আওতায় কম্বল কেনার নামে প্রায় ১১০ কোটি টাকা এবং ব্যবসা উন্নয়ন খাতে ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার কেনার নামে ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ের অভিযোগ তদন্তে নেয় পরিদর্শন দল। দুটি খাতে মোট ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা। এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং অর্থের প্রকৃত ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিদর্শন দল। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে।

সিএসআর তহবিলে বড় ধাক্কা
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সিএসআর তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বড় অঙ্কের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ১১০ কোটি টাকার কম্বল কেনার হিসাব দেখানো হলেও এর মধ্যে কমপক্ষে ৮৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সাত পরিচালকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষ সিএসআর ও অন্যান্য ক্রয় খাতের অর্থ প্রভাবশালী পরিচালক এবং রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরোক্ষ আর্থিক সুবিধা দিতে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ডায়েরি, ক্যালেন্ডার, কম্বল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সফটওয়্যার ও আসবাবপত্র—বিভিন্ন পণ্যের কেনাকাটায় বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন।

কর্মীদের পাওনা নিয়েও অভিযোগ
ব্যাংকের আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতের পদ্ধতি নিয়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাপস চন্দ্র পালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পেশাগত হিসাববিদ্যার সনদ না থাকলেও দীর্ঘদিন ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিভিশন (এফডিএ) ও সিএফও অফিসে দায়িত্ব পালনের সুযোগে আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতিতে প্রভাব বিস্তার করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কর্মীদের গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও কল্যাণ তহবিলের জন্য প্রয়োজনীয় প্রভিশন না রেখেই আর্থিক বিবরণী তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরি ছেড়ে দেওয়া অনেক কর্মী দীর্ঘদিন ধরে তাদের আইনগত পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকাকালে এসব সুবিধা গ্রহণ করলেও অন্য কর্মীদের পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অর্থসংকটের অজুহাত দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় কিছু নিয়ন্ত্রক পরিদর্শকের নীরব সহযোগিতার অভিযোগও রয়েছে।

বোর্ড সভার ফিতেও ‘অস্বাভাবিক’ বিল
পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটির সভার ফি পরিশোধ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত ৮ হাজার টাকার পরিবর্তে প্রতিটি বোর্ড ও ইসি সভায় ১ লাখ টাকা করে বিল দেওয়া হয়েছে। এমডি মতিউল হাসান কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম শুহিনের সহযোগিতায় এ সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অর্থ ব্যাংকের একটি সাসপেন্স হিসাবে সমন্বয়ের বিষয়টিও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ভুয়া বিল ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে এ ধরনের অর্থ সমন্বয় করা হয়ে থাকলে সেটি গুরুতর আর্থিক অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

টেন্ডার ছাড়াই সাড়ে তিন কোটি টাকার কাজ
ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের নামে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে এমডি মতিউল হাসানের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রকৌশলী মো. রেজা হোসেনের সহায়তায় স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ওই কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় ডিএমডি আদিল রাইহানকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। একই সময়ে আইটি বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মাহমুদ হাসানকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অনিয়মে সহযোগিতা করতে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে।

সফটওয়্যার কেনাকাটাতেও কোটি টাকার প্রশ্ন
২০২৫ সালের ২২ অক্টোবরের একটি সফটওয়্যার-সংক্রান্ত কার্যাদেশ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করে একটি সফটওয়্যার ল্যাবকে প্রথমে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে এমডি মতিউল হাসানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী রেজা হাসানের সহায়তায় রেইনবো অ্যারের অনুকূলে ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার মাধ্যমে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

পদোন্নতির ধারাবাহিকতাও আলোচনায়
তাপস চন্দ্র পাল রূপালী ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করার পর মার্কেন্টাইল ব্যাংকে জুনিয়র অফিসার হিসেবে যোগ দেন। এরপর ২০১৮ সালে ভিপি, ২০২১ সালে এসভিপি, ২০২২ সালে ইভিপি এবং ২০২৪ সালে এসইভিপি হন। ২০২৬ সালে তিনি ডিএমডি পদে উন্নীত হন। অভিযোগকারীদের দাবি, পরিচালকদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকার কারণেই ধারাবাহিকভাবে পদোন্নতি পেয়েছেন তিনি।

ব্যাংকের বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মুখপাত্র আশিম কুমার শাহ্ বলেন, এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি ব্যাংকের কোন বিভাগ দেখছে, তা জেনে পরে বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, পরিদর্শনে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। ব্যাংকের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রশ্নের জবাবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক কী ব্যাখ্যা দেয় এবং পরবর্তী পদক্ষেপে কার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কারণ অভিযোগগুলোর ব্যাপ্তি শুধু একটি-দুটি ক্রয় কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যাংকের সিএসআর, আর্থিক বিবরণী, কর্মীদের তহবিল এবং অভ্যন্তরীণ ক্রয়ব্যবস্থার ওপরই বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে।

কালের আলো/এম/এএইচ