ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি
বাংলাদেশসহ ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থাকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় ফুটবল কনফেডারেশন (কনকাকাফ)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটি সদস্য সংস্থার জন্য এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। চিঠিতে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি স্বাক্ষর করেছেন।
২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তহবিল নিয়ে প্রস্তাব
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ মেয়াদ শেষে ফিফার নগদ তহবিল প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থ অনেক বেশি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
উয়েফা ও কনকাকাফের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ চক্রে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার করে এককালীন বরাদ্দ দেওয়া উচিত। অবকাঠামো নির্মাণ ও ফুটবলের উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ফিফাকে অতিরিক্ত প্রায় ২১১ কোটি ডলার ব্যয় করতে হবে। নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে এই অর্থ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
বিনিয়োগ পরিকল্পনার নথি প্রকাশের দাবি
এদিকে এর একদিন আগে ফিফার সহসভাপতি ও ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন ডেবি হিউইট ফিফার বাতিল হওয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার সব নথি প্রকাশের দাবি জানান। ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের সভার আগেই এসব নথি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ফিফার বাণিজ্যিক ও টিকিটিং অধিকার পরিচালনার জন্য নতুন একটি কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর বিরোধিতার মুখে চার দিনের মধ্যেই সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।
এদিকে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি পদে চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
কালের আলো/এমএসআইপি



আপনার মতামত লিখুন
Array