খুঁজুন
                               
, ,
           

ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি

বাংলাদেশসহ ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থাকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় ফুটবল কনফেডারেশন (কনকাকাফ)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটি সদস্য সংস্থার জন্য এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। চিঠিতে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি স্বাক্ষর করেছেন।

২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তহবিল নিয়ে প্রস্তাব

চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ মেয়াদ শেষে ফিফার নগদ তহবিল প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থ অনেক বেশি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

উয়েফা ও কনকাকাফের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ চক্রে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার করে এককালীন বরাদ্দ দেওয়া উচিত। অবকাঠামো নির্মাণ ও ফুটবলের উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।

এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ফিফাকে অতিরিক্ত প্রায় ২১১ কোটি ডলার ব্যয় করতে হবে। নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে এই অর্থ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

বিনিয়োগ পরিকল্পনার নথি প্রকাশের দাবি

এদিকে এর একদিন আগে ফিফার সহসভাপতি ও ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন ডেবি হিউইট ফিফার বাতিল হওয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার সব নথি প্রকাশের দাবি জানান। ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের সভার আগেই এসব নথি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফিফার বাণিজ্যিক ও টিকিটিং অধিকার পরিচালনার জন্য নতুন একটি কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর বিরোধিতার মুখে চার দিনের মধ্যেই সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।

এদিকে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি পদে চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

মিরপুর ও মধ্য বাড্ডায় ১ ঘণ্টায় তিন বাসে আগুন 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
মিরপুর ও মধ্য বাড্ডায় ১ ঘণ্টায়  তিন বাসে আগুন 

রাজধানীর মিরপুর ও বাড্ডায় একই সন্ধ্যায় পৃথক তিনটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মিরপুর-১১, মিরপুর-১ ও মধ্য বাড্ডায় এসব ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের পাশে শিকড় পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা জানা যায়নি।

এর কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে অভিজাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় বাসটির পেছনের অংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। স্থানীয়রা পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, কে বা কারা বাসটিতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাসটি পুরোপুরি পুড়ে যায়নি বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মধ্য বাড্ডা ইউ-লুপের নিচে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিপরীতে ‘আলিফ এন্টারপ্রাইজ’-এর একটি স্টাফ বাসে আগুন লাগে। বাসটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল।

বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসানুল জানান, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

সৌদির হাতে ৪৮ এফ-৩৫, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
সৌদির হাতে ৪৮ এফ-৩৫, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের এই প্যাকেজে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও ৪৯টি ইঞ্জিন রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ১৭ সেপ্টেম্বর এ অনুমোদনের কথা জানায়। তবে চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত বিক্রি নয়; মার্কিন কংগ্রেসের পর্যালোচনার ধাপও রয়েছে।

ওয়াশিংটনের ভাষ্য, এই বিক্রি সৌদি আরবের আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে—মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সামরিক প্রযুক্তিগত প্রাধান্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সৌদিকে এফ-৩৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে সামঞ্জস্য করা হবে।

কেন এফ-৩৫-এর দিকে রিয়াদের নজর
সৌদি আরব বহুদিন ধরেই এফ-৩৫ কেনার আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। এই যুদ্ধবিমান পেলে দেশটির বিমানবাহিনী এমন একটি প্ল্যাটফর্ম পাবে, যা প্রচলিত যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি স্টেলথ, উন্নত সেন্সর ও তথ্য সংযুক্তির সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগায়।

বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন সৌদি আরবের জন্য আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ সক্ষমতার গুরুত্ব বাড়িয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদের এফ-৩৫ চাওয়ার পেছনে সামরিক আধুনিকায়ন এবং ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনাও গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।

এফ-৩৫ আসলে কতটা আলাদা
লকহিড মার্টিনের তৈরি এফ-৩৫ লাইটনিং-২ মূলত স্টেলথ যুদ্ধবিমান। এর নকশার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো শত্রুর রাডার ও অন্যান্য শনাক্তকরণ ব্যবস্থার কাছে বিমানের দৃশ্যমানতা কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে এতে রয়েছে উন্নত সেন্সর ও কম্পিউটিং ব্যবস্থা, যা পাইলটকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি সম্পর্কে দ্রুত তথ্য দিতে এবং বিভিন্ন উৎসের তথ্য একত্রে ব্যবহার করতে সহায়তা করে।

এর তিনটি প্রধান সংস্করণ—এফ-৩৫এ, এফ-৩৫বি ও এফ-৩৫সি। সৌদির প্রস্তাবিত বিমানগুলো হলো প্রচলিত রানওয়ে থেকে ওঠানামা করতে সক্ষম এফ-৩৫এ সংস্করণ। প্যাকেজে ৪৮টি বিমানের জন্য ৪৮টি ইঞ্জিনের পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত ইঞ্জিনও রয়েছে।

তিন মডেল, তিন ধরনের যুদ্ধক্ষেত্র
এফ-৩৫এ সাধারণ বিমানঘাঁটি থেকে পরিচালনার জন্য তৈরি। এফ-৩৫বি-এর বিশেষত্ব হলো স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন ও প্রায় উল্লম্ব অবতরণের সক্ষমতা, যা সীমিত রানওয়ে বা ছোট ঘাঁটির জন্য কার্যকর। আর এফ-৩৫সি বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালনার উপযোগী করে তৈরি।

এই তিন সংস্করণের ভিন্নতা দেখায়, এফ-৩৫ কেবল একটি যুদ্ধবিমান নয়; ভিন্ন ধরনের সামরিক পরিবেশে ব্যবহারের জন্য একই প্রযুক্তি পরিবারের একাধিক সংস্করণ।

কেন বদলাল ওয়াশিংটনের অবস্থান
সৌদিকে এফ-৩৫ দেওয়ার পথে দীর্ঘদিন বড় প্রশ্ন ছিল ইসরাইলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’—অর্থাৎ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তুলনায় ইসরাইলের সামরিক প্রযুক্তিগত সুবিধা। সৌদি আরবকে একই শ্রেণির অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার ফলে সেই ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।

তবে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার পথে এগিয়েছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের মধ্যে বড় প্রতিরক্ষা প্যাকেজের ঘোষণার পর এফ-৩৫ চুক্তির উদ্যোগও সামনে আসে। এবার পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুমোদন সেই প্রক্রিয়াকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি শুধু ৪৮টি যুদ্ধবিমান কেনাবেচার ঘটনা নয়। সৌদি আরবের হাতে এফ-৩৫ পৌঁছালে দেশটির বিমান সক্ষমতায় নতুন প্রযুক্তিগত স্তর যুক্ত হবে। আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি হবে সৌদির সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্য নিয়ে নতুন সমীকরণ সামলানোর পরীক্ষা। চুক্তির চূড়ান্ত পরিণতি এখন কংগ্রেসের পর্যালোচনা ও পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।

এম/এএইচ

বঙ্গোপসাগরে নৌ কূটনীতির নতুন অধ্যায়, বাড়ছে সহযোগিতার পরিসর

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে নৌ কূটনীতির নতুন অধ্যায়, বাড়ছে সহযোগিতার পরিসর

বাংলাদেশে চীনের নৌবাহিনীর তিনটি যুদ্ধজাহাজের পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরকে ঘিরে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চীনা নৌবাহিনীর ‘থাং শান’ ও ‘দা ছিং’ জাহাজ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। চট্টগ্রাম বন্দরে আয়োজিত এই পরিদর্শনে বাংলাদেশের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বসহ দু’দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতি সফরটির গুরুত্বও বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

  • ‘থাং শান’ ও ‘দা ছিং’ পরিদর্শনে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও নৌবাহিনী প্রধান
  • প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়ায় গুরুত্ব

প্রযুক্তি ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ে জোর
জাহাজ পরিদর্শনের সময় আধুনিক নৌ সরঞ্জাম, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। পরে চীনা জাহাজ দুটির কমান্ডিং অফিসার, কর্মকর্তা ও নাবিকদের সঙ্গে তাঁর মতবিনিময়ে উঠে আসে দুই দেশের নৌবাহিনীর পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সহযোগিতার বিষয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—সহযোগিতাটি শুধু সৌজন্য সফরে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রশিক্ষণ, নৌ-নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মতো বাস্তব সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বিস্তৃত করার আলোচনা হয়েছে। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, এছাড়াও মতবিনিময়কালে আঞ্চলিক সামুদ্রিক সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ ও নৌ-সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বঙ্গোপসাগরে সহযোগিতার নতুন মাত্রা
চীনা নৌবাহিনীর ‘থাং শান’, ‘দা ছিং’ ও ‘থাই হু’ গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে আসে। পাঁচ দিনের এই সফরে পেশাগত যোগাযোগের পাশাপাশি দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সফর শেষে বাংলাদেশের জলসীমা ত্যাগের সময় প্যাসেক্স-এ অংশ নেওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে হচ্ছে। এই ধরনের মহড়া সাধারণত দুই নৌবাহিনীর যোগাযোগ, সমন্বয় এবং পারস্পরিক কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে।

নৌ কূটনীতিতে ঢাকার বহুমাত্রিক যোগাযোগ
বাংলাদেশের জন্য বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌ-সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যদিকে, চীনের নৌবাহিনীর এ ধরনের সফর দুই দেশের সামরিক যোগাযোগকে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ধরে রাখার একটি মাধ্যম। এই সফরের তাৎপর্যকে সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার পাশাপাশি কর্মকর্তা পর্যায়ের মতবিনিময়, প্রশিক্ষণ এবং যৌথ মহড়ার মতো কার্যক্রম নৌ কূটনীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এসবের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা ও যোগাযোগ বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চীনা দূতাবাসের পদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।।বিশ্লেষকরা বলেন, চীনা যুদ্ধজাহাজের এবারের সফর বাংলাদেশ-চীন নৌবাহিনীর মধ্যকার নিয়মিত যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও পেশাগত সহযোগিতার পরিসর আরও বিস্তারের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

কালের আলো/এমএএএমকে