খুঁজুন
                               
, ,
           

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের বাঁধে ৪০ মিটার ধস, ঝুঁকিতে বসতবাড়ি

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের বাঁধে ৪০ মিটার ধস, ঝুঁকিতে বসতবাড়ি

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস দেখা দিয়েছে। এতে আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে বসতবাড়ি, আবাদি জমি, গাছপালা ও স্থানীয় সড়ক।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে বিকট শব্দে বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ধসে যাওয়া অংশ দিয়ে তীব্র স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙন আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ধসে যাওয়া অংশের পাশ দিয়ে তীব্র স্রোত বয়ে যাচ্ছে। নদীর ঢেউ আছড়ে পড়ছে বাঁধের ওপর। এ ছাড়া বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে যেকোনো সময় বাঁধের আরও অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল হক, জব্বার আলী ও শেখ শামীম বলেন, রাতে হঠাৎ বিকট শব্দে বাঁধ ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এখন বাড়িঘর ও ফসলি জমি নিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে পুরো এলাকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এদিকে শুক্রবার বিকেলে ধসে যাওয়া বাঁধের এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি ফজলুল হক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকল কেডিওয়ারী এলাকার ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ তীর সংরক্ষণের জন্য একটি ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) জমা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হয়ে বাস্তবায়িত হলে ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, আপাতত ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

রাতের নীরবতা ভেঙে হঠাৎ তছনছ হয়ে গেল রাজধানীর ইসিবি চত্বরের একটি কর্মস্থল। কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ব্রাউনফিশে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে সিসি ক্যামেরা, নষ্ট করা হয়েছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও আসবাব। স্টুডিও থেকে কিছু জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিউগ্রিন প্রপার্টিজের কার্যালয়ে অবস্থিত স্টুডিওটিতে এ ঘটনা ঘটে। তবে হামলায় স্টুডিওর কোনো কর্মী আহত হননি বলে জানিয়েছেন সালমান মুক্তাদির।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান। রাত ১টা ৩৩ মিনিটে দেওয়া ওই ভিডিওতে ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি উঠে আসে তার উদ্বেগের আরেকটি দিক—এ ধরনের ঘটনা ছোট উদ্যোক্তা কিংবা সাধারণ কর্মজীবী মানুষের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে।

সালমান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিটা সামলে ওঠার সক্ষমতা তার আছে। নিজের চেষ্টায় আবার কাজ শুরু করার কথাও জানান তিনি। কিন্তু একই পরিস্থিতিতে পড়া অন্যদের জন্য বিষয়টি এতটা সহজ নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তার বক্তব্যে উঠে আসে নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন। তিনি বলেন, কোনো নিউজ চ্যানেল, স্টুডিও কিংবা কর্মস্থল এভাবে আক্রান্ত হলে সংশ্লিষ্টদের জন্য সেটি শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়; মানসিকভাবেও বড় ধাক্কা। তার ভাষায়, ‘বাংলাদেশের মানুষ কোথাও সেফ না’—এটাই তাকে বেশি ভাবাচ্ছে।

ভিডিওতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিও বক্তব্য রাখেন সালমান। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রী তার দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত এবং তিনি কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন, সেটি মানুষ দেখতে পারছে।

পরে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে হামলার নেপথ্যে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বিরোধের কথা বলেন সালমান। তার দাবি, স্টুডিওটি যে স্থাপনায় ছিল, সেই জায়গার মালিকের সঙ্গে চাঁদা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কোনো একটি ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল।

চাঁদা না দেওয়ার জেরে তৈরি হওয়া বিরোধের প্রতিশোধের মধ্যে তাদের মতো ব্যক্তিরাও পড়ে গেছেন বলে দাবি তার।
ক্ষয়ক্ষতির অঙ্ক নিয়ে এখনই ভাবতে চান না সালমান। বরং আতঙ্কিত হয়ে পড়া কর্মীদের মানসিকভাবে সামলে তোলাকেই আপাতত সবচেয়ে জরুরি মনে করছেন তিনি।

ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, কী কারণে হামলা এবং চাঁদা দাবির অভিযোগের পেছনের ঘটনা কী—এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে তদন্তে। অভিযোগগুলোর সত্যতাও তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায়।

কালের আলো/এম/এএইচ

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দাবি

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছে বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সভাপতি হাজি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সরকার বাসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে। তবে ঢাকা মহানগরীতে চলাচলকারী অনেক বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টানানো হয়নি। অথচ নগর ও দূরপাল্লার বাসে দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।

সংগঠনটির অভিযোগ, ভাড়ার তালিকা না থাকার সুযোগে বাসের কন্ডাক্টররা যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত চার-পাঁচ দিন ধরে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মধ্যে চলাচলকারী বাসগুলোতে এ ধরনের পরিস্থিতি চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

গণপরিবহনে ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে ঢাকাসহ সারা দেশে বিআরটিএ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্থাপনা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্থাপনা পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠ, ভবন, সুইমিংপুল ও জিমনেসিয়ামের অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তিনি রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা স্থাপনাগুলোর অবকাঠামোর গুণগত মান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি এসব স্থাপনার প্রশংসা করেন। তবে কিছু স্থানে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মত দেন তিনি।

এ সময় জেলা ক্রীড়া অফিস স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এ জন্য রাজশাহী স্টেডিয়ামের তৃতীয় তলায় নির্ধারিত কক্ষগুলো পরিদর্শন করেন উপ-সচিব। পরিদর্শন শেষে কক্ষগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ব্যবহার উপযোগী করার বিষয়ে তিনি মতামত দেন।

পরিদর্শনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাম্মেল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি