খুঁজুন
                               
, ,
           

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।

আপিলে ইনুর সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ আপিল করা হয়। পরে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম।

এর আগে গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আপিলের মাধ্যমে এখন ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দশ বছরের সম্পর্কের পর আলাদা হচ্ছেন প্রীতম-শাহতাজ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
দশ বছরের সম্পর্কের পর আলাদা হচ্ছেন প্রীতম-শাহতাজ

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক প্রীতম হাসান এবং অভিনেত্রী, মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার শাহতাজ মনিরা হাশেম বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। বিয়ের চার বছর পর নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে দীর্ঘ ১০ বছরের পথচলার পর আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছেন।রোববার (৪ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রীতম হাসান ও শাহতাজ।

পারস্পরিক বোঝাপড়ায় বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত

ফেসবুক পোস্টে প্রীতম হাসান জানান, তিনি ও শাহতাজ পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে তাদের ১০ বছরের পথচলার পর বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।তিনি লেখেন, একসঙ্গে কাটানো সময়, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য তারা দুজনই কৃতজ্ঞ। একে অপরের প্রতি সম্মান ও শুভকামনা সবসময়ই থাকবে বলেও জানান তিনি।তবে সময়ের সঙ্গে তারা উপলব্ধি করেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু বড় পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়া দুজনের জন্যই ভালো হবে।

হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়

প্রীতমের ভাষ্য অনুযায়ী, বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। অনেক ভেবেচিন্তে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এবং পরিবারের সমর্থন ও সম্মতি নিয়েই তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।বর্তমানে তারা বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। জীবনের নতুন অধ্যায়ে দুজন আলাদাভাবে এগিয়ে যেতে চান বলেও জানিয়েছেন প্রীতম।এই পরিবর্তনের সময়টিতে তাদের ব্যক্তিগত পরিসর, গোপনীয়তা ও অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য বন্ধু, সহকর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

২০২২ সালে বিয়ে

দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন প্রীতম হাসান ও শাহতাজ মনিরা হাশেম। বিয়ের আগে প্রায় ছয় বছর প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন তারা। সব মিলিয়ে প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর এবার সেই সম্পর্কের বৈবাহিক অধ্যায়েরও সমাপ্তি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দুজন।প্রীতম ও শাহতাজ আশা প্রকাশ করেছেন, তাদের এই সিদ্ধান্তকে দুজনের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতার সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।সবশেষে তাদের পাশে থাকা এবং ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়ার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রীতম।

কালের আলো/এসএ

মোংলায় এসএমআর প্রকল্পে বিনামূল্যে জমির প্রস্তাব চীনের

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
মোংলায় এসএমআর প্রকল্পে বিনামূল্যে জমির প্রস্তাব চীনের

মোংলায় প্রস্তাবিত ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তিনির্ভর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ ও চীনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে চীনের চারজন বিশেষজ্ঞ এসএমআর প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশের মতামত জানতে চান।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পক্ষ থেকে আটজন করে প্রতিনিধি অংশ নেন। আলোচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক আলোচনায় প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশকে বিনামূল্যে জমি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে চীন। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক মওকুফের বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার বিবেচনা করতে পারে বলেও জানানো হয়।

এসএমআর প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের নিজস্ব দক্ষতা ও জনবল গড়ে তুলতে প্রকল্পে স্থানীয় কর্মীদের নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রযুক্তি পরিচালনায় দেশের দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত প্রকল্পের অংশ হিসেবে মোংলা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য চীনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৈঠকে চীনের বিশেষজ্ঞরা এসএমআর প্রযুক্তির বিভিন্ন কারিগরি ও ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ও মতামত জানতে চান। প্রকল্পটি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আরও আলোচনা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নির্মাণের এক বছরেই ঢাকা বাইপাসে ধস, ২৫০ মিটারজুড়ে ফাটল

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
নির্মাণের এক বছরেই ঢাকা বাইপাসে ধস, ২৫০ মিটারজুড়ে ফাটল

গাজীপুর-জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ঢাকা বাইপাস এশিয়ান হাইওয়ের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। উপজেলার সিংলাব-পাকুন্দা এলাকায় একটি আন্ডারপাসের পূর্ব পাশে প্রায় ২৫০ মিটারজুড়ে সড়ক দেবে গিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

শনিবার সকালে স্থানীয়দের নজরে আসে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল। পরে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্তৃপক্ষ ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে ব্যস্ত মহাসড়কটিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়েন শত শত যানবাহনের চালক ও যাত্রী।

খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বাইপাস সড়ক চার লেন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) সৈয়দ আসলাম আলী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ঘুরে দেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।

স্থানীয়রা জানান, সড়কের বিভিন্ন স্থানে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে দীর্ঘ ফাটল তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচের স্তর উঠে নিচের মাটি ও নির্মাণসামগ্রী বেরিয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে সড়কের একটি অংশ নিচের দিকে দেবে গেছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সড়কের এমন অবস্থায় নির্মাণকাজের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, নির্মাণের সময় সড়কের দুই পাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়া, অপর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে সড়ক দুর্বল হয়ে থাকতে পারে। কেউ কেউ রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় মো. আলামিন বলেন, নির্মাণকাজের সময় সড়কে ব্যবহৃত খোয়া ও বিটুমিনের মান নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছিলেন। আরেক বাসিন্দা তাজুল ইসলাম বলেন, সড়ক নির্মাণের সময় দুই পাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় পার্শ্ববর্তী অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

তবে নির্মাণকাজের মান নিয়ে ওঠা অভিযোগ নাকচ করেছেন প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী। তিনি বলেন, টানা দুই-তিন দিনের বৃষ্টিতে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে যায়। এর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল করায় নরম মাটি সরে গিয়ে সড়কের ওই অংশ বসে ফাটল তৈরি হয়েছে।

সৈয়দ আসলাম আলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সচল করতে প্রকল্পের বেসরকারি অংশীদার ‘ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড’-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প বা ডাইভারশন সড়ক তৈরির কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ড্রিলিং করে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, আপাতত সড়ক সচল করার পাশাপাশি ধস ও ফাটলের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি