খুঁজুন
                               
, ,
           

জামদানির সাজে পূর্ণিমার স্নিগ্ধ উপস্থিতি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
জামদানির সাজে পূর্ণিমার স্নিগ্ধ উপস্থিতি

ঢাকাই সিনেমার নন্দিত অভিনেত্রী পূর্ণিমা। বিশেষ করে রোমান্টিক সিনেমার নায়িকা হিসেবে একসময় তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘ভালোবাসার লাল গোলাপ’সহ বেশ কিছু সিনেমায় তার অভিনয় এখনো দর্শকের মনে জায়গা করে আছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি পূর্ণিমার সৌন্দর্য ও রুচিশীল ফ্যাশন সেন্সও বরাবরই ভক্তদের নজর কেড়েছে। শাড়িতে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া কিংবা আধুনিক পোশাকে—যেভাবেই হাজির হন, তার উপস্থিতিতে থাকে আলাদা আকর্ষণ। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

জামদানিতে বাঙালি সাজ

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়িতে। মাথার খোপায় ফুলের মালা, সঙ্গে স্নিগ্ধ সাজ—সব মিলিয়ে বাঙালি নারীর চিরচেনা রূপেই ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

জামদানি শাড়ির নান্দনিক নকশার সঙ্গে খোপায় ফুলের মালা যোগ করেছে আলাদা সৌন্দর্য। অতিরিক্ত চাকচিক্যের বদলে ঐতিহ্য ও সরলতাকেই সাজের মূল উপজীব্য করেছেন পূর্ণিমা।

‘কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য’

ছবিগুলোর সঙ্গে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘জামদানির আবহ আর কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য…’

তার এই ছোট্ট ক্যাপশনেই যেন ধরা পড়েছে জামদানি নিয়ে তার অনুভূতি। বাঙালি ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক এই শাড়ির সৌন্দর্য যে সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয় না, নিজের সাজের মধ্য দিয়েই যেন সেই বার্তা দিয়েছেন তিনি। পূর্ণিমার প্রকাশ করা ছবিগুলো প্রকাশের পর ভক্তদের মধ্যেও বেশ সাড়া পড়ে। অনেকেই তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও সাদামাটা অথচ আভিজাত্যপূর্ণ সাজের প্রশংসা করেছেন।

ঐতিহ্যেই মুগ্ধতা

পূর্ণিমার এবারের সাজে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে স্বাভাবিকতার ছোঁয়া। আধুনিক ফ্যাশনের নানা আয়োজনের মাঝেও ঐতিহ্যবাহী জামদানি ও খোপায় ফুলের মালা তাকে দিয়েছে এক ধরনের মায়াবী আবহ।

বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজের সৌন্দর্যকে মিলিয়ে পূর্ণিমার এই উপস্থিতি যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—ফ্যাশনের ধরন বদলালেও জামদানির আবেদন কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।

কালের আলো/এসএ

স্বাস্থ্য খাতে ৯১৪ মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য খাতে ৯১৪ মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগ

দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মিডওয়াইফের (১০ম গ্রেড) শূন্য পদে ৯১৪ জনকে সরাসরি নিয়োগ দিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। সোমবার (৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের নার্সিং সেবা-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পিএসসিতে পাঠানো হয়েছে।

৯১৪ পদে সরাসরি নিয়োগের উদ্যোগ

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মিডওয়াইফ (১০ম গ্রেড) পদে বর্তমানে ১ হাজার ১৫টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদের মধ্যে ১০ শতাংশ পদ সংরক্ষণ করে অবশিষ্ট ৯১৪টি পদে সরাসরি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে পিএসসির নির্ধারিত রিকুইজিশন ফরম, পদ বিন্যাস ও চেকলিস্ট যথাযথভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে ৯১৪টি পদে সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য পিএসসিকে অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

কমতে পারে জনবলসংকট

স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিডওয়াইফের এসব শূন্য পদ পূরণ হলে মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবায় বিদ্যমান জনবলসংকট কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে গর্ভকালীন পরিচর্যা, প্রসবকালীন সেবা এবং প্রসব-পরবর্তী পরিচর্যায় মিডওয়াইফদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বর্তমানে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনের তুলনায় মিডওয়াইফের সংখ্যা কম থাকায় সেবাদানে চাপ তৈরি হচ্ছে। নতুন করে ৯১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হলে এসব প্রতিষ্ঠানে জনবল পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পাশাপাশি মা ও নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পিএসসির সুপারিশের অপেক্ষা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পর এখন ৯১৪টি পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব পিএসসির। প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে কমিশন পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

মিডওয়াইফ পদে এ নিয়োগ সম্পন্ন হলে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মাতৃ ও নবজাতক সেবার সঙ্গে যুক্ত জনবল বাড়বে। এর ফলে প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কালের আলো/এসএ

জন্মসনদ পেতে ভোগান্তি, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি :ড. আবদুল মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
জন্মসনদ পেতে ভোগান্তি, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি :ড. আবদুল মঈন খান

জন্মনিবন্ধন নিতে গিয়ে কোনো নাগরিককে যেন ইউনিয়ন পরিষদে দিনের পর দিন ঘুরতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব। জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

জন্মনিবন্ধনে ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ

গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষ একটি জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে দিনের পর দিন ঘুরেও সেবা পান না। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখা এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কোনো নাগরিককে একটি সাধারণ সেবা পাওয়ার জন্য বারবার সরকারি দপ্তরে ঘুরতে হবে—এটি গ্রহণযোগ্য নয়।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের নিয়ে আলোচনা করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব

মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা তাঁদের দায়িত্ব। স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিনিধি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত এর দায় সরকারের ওপরই বর্তায়। তাই জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে জনপ্রতিনিধিদের আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

সরকারি কর্মকর্তা ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ বছর দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পান। অন্যদিকে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদ পাঁচ বছর। পাঁচ বছর পর তাঁদের আবার জনগণের মুখোমুখি হতে হয় এবং নিজেদের কাজের প্রমাণ দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হতে হয়।

এ কারণে জনপ্রতিনিধিদের কাজের গুরুত্ব ও জবাবদিহি অনেক বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের সেবায় ব্যবহারের আহ্বান

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি—সবার মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা। পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকলেও জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উভয়ের একই লক্ষ্য থাকা উচিত।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের সেবায় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা মানুষের সেবা করার কাজে ব্যবহার করতে হবে। জনগণের সেবা বাধাগ্রস্ত করার জন্য নয়, মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করা উচিত।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে তথ্যের অসঙ্গতি

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে জাতীয় প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধন তথ্যভান্ডারে থাকা তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে। প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগের বিষয়।

এই অসঙ্গতি দূর করে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও নির্ভুল, সুশৃঙ্খল ও বিশ্বাসযোগ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, শুধু কম্পিউটার বা প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই মানুষের সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। প্রযুক্তির পেছনে থাকা মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। একটি সাধারণ জন্মসনদ পেতে কোনো নাগরিককে যেন ইউনিয়ন পরিষদে বারবার যেতে না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশে যেসব গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান রয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আলোচনায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো, সেবার মান বাড়ানো এবং নিবন্ধন তথ্যভান্ডারকে নির্ভুল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

ব্র্যাকে নিয়োগ, আবেদন করা যাবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
ব্র্যাকে নিয়োগ, আবেদন করা যাবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির ওয়াশ (WASH) ও এইচসিএমপি (HCMP) বিভাগে প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার শেষ সময় আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের কর্মস্থল হবে কক্সবাজারের উখিয়া। এটি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং পদসংখ্যা নির্ধারিত নয়। নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীই এ পদে আবেদন করতে পারবেন। বয়সসীমা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। নির্বাচিত প্রার্থীর বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

প্রজেক্ট অফিসার পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীর অফিস ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতাও থাকতে হবে।

প্রার্থীদের মাইক্রোসফট অফিসের বিভিন্ন সফটওয়্যারে দক্ষ হতে হবে। বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট ও আউটলুক ব্যবহারে পারদর্শিতা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি ইআরপি (ERP) এবং অনলাইন ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।

ওয়্যারহাউস ও স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও এ পদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া গুগল ওয়ার্কস্পেসের গুগল শিটস, ডকস, ফর্মস ও ড্রাইভ ব্যবহারে দক্ষতা থাকতে হবে।

থাকছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

ব্র্যাকের নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীরা বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে মোবাইল বিল, সপ্তাহে দুই দিন ছুটি, উৎসব বোনাস এবং স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী পিতৃত্বকালীন ও মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও দেওয়া হবে।

আবেদন করবেন যেভাবে

আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্র্যাকের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও আবেদন প্রক্রিয়া ব্র্যাকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৫ অক্টোবর ২০২৬। তাই আগ্রহী প্রার্থীদের শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএ